বই নিয়ে উক্তি : বই সম্পর্কে বিখ্যাত মানুষদের ২০ টি বিখ্যাত উক্তি
ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সাথে কথা বলা।
ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সাথে কথা বলা।
সেই আদি-যুগে যবে অসহায় নর নেত্র মেলি ভবে, চাহিয়া আকাশ পানে - কারে ডেকেছিল, দেবে না মানবে? কাতর আহ্বান সেই মেঘে মেঘে উঠি, লুটি গ্রহে গ্রহে, ফিরিয়া কি আসে নাই, না পেয়ে উত্তর, ধরায় আগ্রহে? সেই ক্ষুব্ধ অন্ধকারে, মরুৎ গর্জনে, কার অন্বেষণ? সে নহে বন্দনা-গীতি, ভয়ার্ত-ক্ষুধার্ত খুঁজিছে স্বজন!
হে নিরুপমা, গানে যদি লাগে বিহ্বল তান করিয়ো ক্ষমা ॥ ঝরোঝরো ধারা আজি উতরোল, নদীকূলে-কূলে উঠে কল্লোল, বনে বনে গাহে মর্মরস্বরে নবীন পাতা। সজল পবন দিশে দিশে তোলে বাদলগাথা ॥
"এতক্ষণে"- অরিন্দম কহিলা বিষাদে- "জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল রক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তব এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
টাকা যদি আপনার আদেশে চলে, তাহলে আপনি টাকা এবং স্বাধীনতা দুটোই পাবেন। আর আপনি যদি টাকার আদেশে চলেন, তাহলে সত্যিই আপনি গরীব হবেন। — এডমন্ড বার্ক
আহ! কিন্তু কবরের দিকে নামার আগে যদি আমি একটা ছোট ঘর আর একটা বড় বাগান পাই; আর কিছু বন্ধু ও অনেক বই — যা সত্য, জ্ঞানপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক — তাহলে জীবনের শেষটা শান্তিতে কাটাতে পারি।
১৮. 'বাংলা ঠিক সংস্কৃতের কন্যা নয়'— এ কথা কারা মনে করতেন? (ক) একশ বছর আগের ভাষাবিদরা (খ) ৪০০ অব্দের ব্যাকরণবিদগণ (গ) উনিশ শতকের একদল লোক (ঘ) ইউরোপের কিছু ভাষাতাত্ত্বিক উত্তর: (গ) উনিশ শতকের একদল লোক ১৯. 'তা কথা ছিল না'— কথাটি কোন ভাষা সম্পর্কে প্রযোজ্য? (ক) প্রাকৃত (খ) সংস্কৃত (গ) বাংলা (ঘ) অসমিয়া উত্তর: (খ) সংস্কৃত
জান না কি জীব তুমি, জননী জন্মভূমি, সে তোমায় হৃদয়ে রেখেছে। থাকিয়া মায়ের কোলে, সন্তানে জননী ভোলে, কে কোথায় এমন দেখেছে ॥ ভূমিতে করিয়ে বাস, ঘুমেতে পুরাও আশ, জাগিলে না দিবা বিভাবরী। কতকাল হরিয়াছ, এই ধরা ধরিয়াছ, জননী জঠর পরিহরি ॥
৭. বাঙালির প্রধান জাতীয় উৎসব কোনটি? (ক) ঈদুল-ফিতর (খ) দুর্গাপূজা (গ) ঈদুল-আজহা (ঘ) নববর্ষ উত্তর: (ঘ) নববর্ষ ৮. নববর্ষ উদযাপনে বাধা বাঙালির কীসের উপর আঘাত এনেছিল? (ক) অর্থনীতির (খ) সংস্কৃতির (গ) রাজনীতির (ঘ) সমাজের উত্তর: (খ) সংস্কৃতির
মেয়েটির নাম যখন সুভাষিণী রাখা হইয়াছিল তখন কে জানিত সে বোবা হইবে। তাহার দুটি বড়ো বোনকে সুকেশিনী ও সুহাসিনী নাম দেওয়া হইয়াছিল, তাই মিলের অনুরোধে তাহার বাপ ছোটো মেয়েটির নাম সুভাষিণী রাখে। এখন সকলে তাহাকে সংক্ষেপে সুভা বলে।
প্রথমে বসন্ত ঋতু নবীন পল্লব। দুই পক্ষ আগে পাছে মধ্যে সুমাধব ॥ মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি। মুকুলিত কৈল তবে বৃক্ষ বনস্পতি ॥ কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল। পুষ্পিত সুরঙ্গ মল্লি লবঙ্গ গুলাল ॥ ভ্রমরের ঝঙ্কার কোকিল কলরব। শুনিতে যুবক মনে জাগে অনুভব ॥
বাঙলাদেশের রাজনীতিকেরা স্থূল মানুষ, তারা সৌন্দর্য বোঝে না ব’লে গণতন্ত্রও বোঝে না; শুধু লাইসেন্স-পারমিট-মন্ত্রীগিরি বোঝে। — হুমায়ুন আজাদ
৪. 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ঋতুর বন্দনা করেছেন? (ক) গ্রীষ্ম (খ) বর্ষা (গ) শীত (ঘ) বসন্ত উত্তর: (ঘ) বসন্ত ৫. 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে কবিকে বসন্তের বন্দনাগীতি রচনা করতে বলেছেন? (ক) কবির স্বামী (খ) কবির ভক্ত (গ) ঋতুর রাজন (ঘ) মাঘের সন্ন্যাসী উত্তর: (খ) কবির ভক্ত
৭. মিয়ানমার বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত? (ক) পূর্ব (খ) পশ্চিম (গ) উত্তর (ঘ) দক্ষিণ উত্তর: (ক) পূর্ব ৮. মিয়ানমারের জীবন-সংস্কৃতির ধারণা পাওয়া যায় যে রচনায়— (ক) আমাদের লোকশিল্প (খ) বাংলা ভাষার জন্মকথা (গ) মংডুর পথে (ঘ) অতিথির স্মৃতি উত্তর: (গ) মংডুর পথে
পাশেতে বসিয়া রামা কহে দুঃখবাণী। ভাঙ্গা কুড়্যা ঘরখানি পত্রে ছাউনি॥ ভেরাত্তার খাম তার আছে মধ্য ঘরে। প্রথম বৈশাখ মাসে নিত্য ভাঙ্গে ঝড়ে॥ পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রচণ্ড তপন। খরতর পোড়ে অঙ্গ রবির কিরণ ॥ পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাস পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাস। বেঙচের ফল খায়্যা করি উপবাস ॥