মির্জা গালিবের কবিতা অনুবাদ বাংলা: ১২ টি বিখ্যাত শায়েরি
হাতের তালুতে ভাগ্য দেখতে যেয়ো না গালিব ভাগ্য তারও আছে যার হাত নেই হাতি কি লাকিরুপে মাত যা আয়ে গালিব কিসমাত উসকি ভি হোতি হ্যায় জিসকা হাত নেহি হোতা
হাতের তালুতে ভাগ্য দেখতে যেয়ো না গালিব ভাগ্য তারও আছে যার হাত নেই হাতি কি লাকিরুপে মাত যা আয়ে গালিব কিসমাত উসকি ভি হোতি হ্যায় জিসকা হাত নেহি হোতা
বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি। দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী- মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু, কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।
১৬. 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'চতুর্দিকে মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে—।' ক) তছনছ খ) ধ্বংস গ) লুণ্ঠিত ঘ) বিপর্যস্ত উত্তর: ক) তছনছ ১৭. 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯'— কবিতায় কার মুখকে 'তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা'র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? ক) সালাম খ) রফিক গ) বরকত ঘ) আসাদ উত্তর: ক) সালাম
৪. ফকির লালন শাহ্ কার শিষ্য ছিলেন? (ক) ফকির সাঁইয়ের (খ) সিরাজ সাঁইয়ের (গ) সাধক সাঁইয়ের (ঘ) মরমি সাঁইয়ের উত্তর: (খ) সিরাজ সাঁইয়ের ৫. লালন শাহ্ জ্ঞান অর্জন করেছেন— (ক) হিন্দু-মুসলিম ধর্ম সম্পর্কে (খ) বিভিন্ন জাতি সম্পর্কে (গ) দেশ-রাজনীতি সম্পর্কে (ঘ) সমাজ-রাষ্ট্র সম্পর্কে উত্তর: (ক) হিন্দু-মুসলিম ধর্ম সম্পর্কে ৬. লালন শাহের গানের বৈশিষ্ট্য কী? (ক) প্রাকৃতিক সৌন্দর্যবোধ (খ) অধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা (গ) প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক (ঘ) বাস্তবচিন্তা ও সমাজচেতনা উত্তর: (খ) অধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা
প্রথমে ভেবেছিলাম যে মন্দির বানাবো। তারপর ভেবে দেখলাম, সেখানে কেবল হিন্দুরাই আসবে, মুসলমান ক্রিশ্চান এরা কেউ ছায়া মাড়াবে না তার। মসজিদ গড়লেও মুসলমান ছাড়া আর কেউ ঘেঁষবে না তার দরজায়। গির্জা হলেও তাই। যাই করতে যাই, সর্বধর্মসমন্বয় আর হয় না। তা ছাড়া পাশাপাশি মন্দির মসজিদ গির্জা গড়লে একদিন হয়তো মারামারি লাঠালাঠিও বেঁধে যেতে পারে। তাই অনেক ভেবেচিন্তে এই পায়খানাই বানিয়েছি। সবাই আসছে এখানে। আসবে চিরদিন। ~ শিবরাম চক্রবর্তী
ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সাথে কথা বলা।
সেই আদি-যুগে যবে অসহায় নর নেত্র মেলি ভবে, চাহিয়া আকাশ পানে - কারে ডেকেছিল, দেবে না মানবে? কাতর আহ্বান সেই মেঘে মেঘে উঠি, লুটি গ্রহে গ্রহে, ফিরিয়া কি আসে নাই, না পেয়ে উত্তর, ধরায় আগ্রহে? সেই ক্ষুব্ধ অন্ধকারে, মরুৎ গর্জনে, কার অন্বেষণ? সে নহে বন্দনা-গীতি, ভয়ার্ত-ক্ষুধার্ত খুঁজিছে স্বজন!
হে নিরুপমা, গানে যদি লাগে বিহ্বল তান করিয়ো ক্ষমা ॥ ঝরোঝরো ধারা আজি উতরোল, নদীকূলে-কূলে উঠে কল্লোল, বনে বনে গাহে মর্মরস্বরে নবীন পাতা। সজল পবন দিশে দিশে তোলে বাদলগাথা ॥
"এতক্ষণে"- অরিন্দম কহিলা বিষাদে- "জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল রক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তব এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
টাকা যদি আপনার আদেশে চলে, তাহলে আপনি টাকা এবং স্বাধীনতা দুটোই পাবেন। আর আপনি যদি টাকার আদেশে চলেন, তাহলে সত্যিই আপনি গরীব হবেন। — এডমন্ড বার্ক
আহ! কিন্তু কবরের দিকে নামার আগে যদি আমি একটা ছোট ঘর আর একটা বড় বাগান পাই; আর কিছু বন্ধু ও অনেক বই — যা সত্য, জ্ঞানপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক — তাহলে জীবনের শেষটা শান্তিতে কাটাতে পারি।
১৮. 'বাংলা ঠিক সংস্কৃতের কন্যা নয়'— এ কথা কারা মনে করতেন? (ক) একশ বছর আগের ভাষাবিদরা (খ) ৪০০ অব্দের ব্যাকরণবিদগণ (গ) উনিশ শতকের একদল লোক (ঘ) ইউরোপের কিছু ভাষাতাত্ত্বিক উত্তর: (গ) উনিশ শতকের একদল লোক ১৯. 'তা কথা ছিল না'— কথাটি কোন ভাষা সম্পর্কে প্রযোজ্য? (ক) প্রাকৃত (খ) সংস্কৃত (গ) বাংলা (ঘ) অসমিয়া উত্তর: (খ) সংস্কৃত
জান না কি জীব তুমি, জননী জন্মভূমি, সে তোমায় হৃদয়ে রেখেছে। থাকিয়া মায়ের কোলে, সন্তানে জননী ভোলে, কে কোথায় এমন দেখেছে ॥ ভূমিতে করিয়ে বাস, ঘুমেতে পুরাও আশ, জাগিলে না দিবা বিভাবরী। কতকাল হরিয়াছ, এই ধরা ধরিয়াছ, জননী জঠর পরিহরি ॥
৭. বাঙালির প্রধান জাতীয় উৎসব কোনটি? (ক) ঈদুল-ফিতর (খ) দুর্গাপূজা (গ) ঈদুল-আজহা (ঘ) নববর্ষ উত্তর: (ঘ) নববর্ষ ৮. নববর্ষ উদযাপনে বাধা বাঙালির কীসের উপর আঘাত এনেছিল? (ক) অর্থনীতির (খ) সংস্কৃতির (গ) রাজনীতির (ঘ) সমাজের উত্তর: (খ) সংস্কৃতির
মেয়েটির নাম যখন সুভাষিণী রাখা হইয়াছিল তখন কে জানিত সে বোবা হইবে। তাহার দুটি বড়ো বোনকে সুকেশিনী ও সুহাসিনী নাম দেওয়া হইয়াছিল, তাই মিলের অনুরোধে তাহার বাপ ছোটো মেয়েটির নাম সুভাষিণী রাখে। এখন সকলে তাহাকে সংক্ষেপে সুভা বলে।