দেশে বিদেশে উক্তি : ৪০ টি বাছাই করা উক্তি
হেঁটে বেড়ানো কাবুলীরা পছন্দ করে না। প্রথম বিদেশী ডাক্তার যখন এক কাবুলী রোগীকে হজমের জন্য বেড়াবার উপদেশ দিয়েছিলেন তখন কাবুলী নাকি প্রশ্ন করেছিল যে, পায়ের পেশীকে হায়রান করে পেটের অন্ন হজম হবে কি করে?
হেঁটে বেড়ানো কাবুলীরা পছন্দ করে না। প্রথম বিদেশী ডাক্তার যখন এক কাবুলী রোগীকে হজমের জন্য বেড়াবার উপদেশ দিয়েছিলেন তখন কাবুলী নাকি প্রশ্ন করেছিল যে, পায়ের পেশীকে হায়রান করে পেটের অন্ন হজম হবে কি করে?
শুধু ইট-কাঠ-সিমেন্ট হলেই তো একটা সুন্দর বাড়ি হয় না! আর্কিটেক্ট চাই, ইঞ্জিনিয়ার চাই, মিস্ত্রি চাই। সোনার তালের দাম থাকতে পারে কিন্তু তার সৌন্দর্য নেই, স্বর্ণকারের হাতে সেই সোনা পড়লে কত সুন্দর গহনা হয়! মেমসাহেব তুমি আমার সেই আর্কিটেক্ট, ইঞ্জিনিয়ার, শিল্পী!
শাখে শাখে চৈত্রের পল্লবে দেখেছি বিমুগ্ধ চোখে সবুজের বর্ণ সমারোহ; সে-বর্ণের কিছু আছে রহস্য জটিল কিছু আছে অন্তরের কথা। পত্রঝরা শাখা-বৃন্ত-প্রাণে কী অব্যক্ত অনুনয় ছিল, রুক্ষ শাখা ঊর্ধ্বশূন্যে কি কথা শোনালো, উচ্ছ্বসিত বেদনার প্রাণস্পন্দ নিয়ে কোথা থেকে এলো এই সবুজের শিশু, তার কিছু ইতিহাস অদৃশ্য অক্ষরে আছে লেখা।
আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, আঠারো বছর বয়সেই অহরহ বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।
সকল মোগল বাদশাহই দেখিলাম–পৃথিবীর কণ্টক। ঔরঙ্গজেব শাহজাঁহার অপেক্ষাও কি নরাধম?
“নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস। নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে।”
মিথ্যা বলা মানে আত্মার ক্ষয়। জন্মের সময় মানুষ বিশাল এক আত্মা নিয়ে পৃথিবীতে আসে। মিথ্যা বলতে যখন শুরু করে তখন আত্মার ক্ষয় হতে থাকে। বৃদ্ধ বয়সে দেখা যায়, আত্মার পুরোটাই ক্ষয় হয়ে গেছে। — হুমায়ূন আহমেদ
স্ত্রীজাতির এমনি একটি মোহনীশক্তি আছে যে, পুরুষের মন অতি কঠিন হইলেও সহজে নোয়াইতে পারে,ঘুরাইতে পারে,ফিরাইতেও পারে।(কথা অধিকাংশ সত্য)তবে অন্যের প্রণয়ে মজিলে একটু কথা আছে বটে,কিন্তু হাতে পাইয়া নির্জনে বসাইতে পারিলে,কাছে ঘেঁষিয়া মোহন মন্ত্রগুলি ক্রমে ক্রমে আওড়াইতে পারিলে অবশ্যই কিছু কিছু ফল ফলাইতে পারিবেই পারবে।এ যে না পারে সে নারী নহে।
আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে কেমন নিবিড় হয়ে। কখনো মিছিলে কখনো-বা একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।
অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে ঢের সমুদ্রের স্বাদ, জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ, তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর! সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল কঠিন শ্রমের ফল- শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;
আমি যাচ্ছি নাখালপাড়ায়। আমার বৃদ্ধ পিতা আমাকে পাঠাচ্ছেন তাঁর প্রথম প্রেমিকার কাছে। আমার প্যান্টের পকেটে সাদা খামে মোড়া বাবার লেখা দীর্ঘ পত্র। খুব যত্নে খামের উপর তিনি তাঁর প্রণয়িনীর নাম লিখেছেন। কে জানে চিঠিতে কি লেখা – ? তাঁর শরীরের সাম্প্রতিক অবস্থার বিস্তারিত বর্ণনা ? রাতে ঘুম হচ্ছেনা, রক্তে সুগার বেড়ে গেছে কষ্ট পাচ্ছেন হাঁপানিতে – এইসব হাবিজাবি। প্রেমিকার কাছে লেখা চিঠি বয়সের ভারে প্রসঙ্গ পাল্টায় অন্য রকম হয়ে যায়। সেখানে জোছনার কথা থাকে না, সাম্প্রতিক শ্বাসকষ্ট বড় হয়ে উঠে। প্রেমিকাও একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর রোগভুগের কথা পড়তে ভালবাসেন। চিঠি পড়তে পড়তে দরদে গলিত হন – আহা, বেচারা ইদানিং বড্ড কষ্ট পাচ্ছে তো …
আমাকে সেই অস্ত্র ফিরিয়ে দাও সভ্যতার সেই প্রতিশ্রুতি সেই অমোঘ অনন্য অস্ত্র আমাকে ফিরিয়ে দাও। সেই অস্ত্র আমাকে ফিরিয়ে দাও যে অস্ত্র উত্তোলিত হলে পৃথিবীর যাবতীয় অস্ত্র হবে আনত যে অস্ত্র উত্তোলিত হলে অরণ্য হবে আরও সবুজ নদী আরও কল্লোলিত পাখিরা নীড়ে ঘুমোবে।
প্রত্যেক জায়গার নিজস্ব একটা চরিত্র আছে। সেই জায়গার মানুষের ব্যবহারও সেই চরিত্রের মধ্যেই পড়ে। আমি সেটা অস্বীকার করলে সাহায্য পাব না কিন্তু সেটাকে মানিয়ে নিলে অসুবিধে হবে না। ~সমরেশ মজুমদার (গর্ভধারিণী)
২২. 'কার্তিকের নবান্নের দেশ' বলতে জীবনানন্দ দাশ কোনটির কথা বলেছেন? (ক) নিজ জন্মভূমি (খ) আশ্যায়ন দেশ (গ) মনিমাণিক দেশ (ঘ) ফসলের দেশ উত্তর: (ক) নিজ জন্মভূমি ২৩. ভোরের কাক হয়ে কবি কিসের বুকে ভেসে থাকবেন? (ক) শকের সায়র (খ) কুয়াশার (গ) জলাঙ্গীর ঢেউয়ের (ঘ) অন্ধকারের উত্তর: (খ) কুয়াশার
১১. 'বাবুরের মহত্ত্ব' কবিতাটি কে লিখেছেন? (ক) কামিনী রায় (খ) কালিদাস রায় (গ) জসীমউদ্দীন (ঘ) জীবনানন্দ দাশ উত্তর: (খ) কালিদাস রায় ১২. কালিদাস রায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? (ক) বর্ধমান জেলা (খ) মেদিনীপুর জেলা (গ) ভাগলপুর জেলা (ঘ) হুগলি জেলা উত্তর: (ক) বর্ধমান জেলা