আব্রাহাম কাওলের বিখ্যাত উক্তি : ১২ টি অসাধারণ উক্তি
আহ! কিন্তু কবরের দিকে নামার আগে যদি আমি একটা ছোট ঘর আর একটা বড় বাগান পাই; আর কিছু বন্ধু ও অনেক বই — যা সত্য, জ্ঞানপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক — তাহলে জীবনের শেষটা শান্তিতে কাটাতে পারি।
আহ! কিন্তু কবরের দিকে নামার আগে যদি আমি একটা ছোট ঘর আর একটা বড় বাগান পাই; আর কিছু বন্ধু ও অনেক বই — যা সত্য, জ্ঞানপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক — তাহলে জীবনের শেষটা শান্তিতে কাটাতে পারি।
জান না কি জীব তুমি, জননী জন্মভূমি, সে তোমায় হৃদয়ে রেখেছে। থাকিয়া মায়ের কোলে, সন্তানে জননী ভোলে, কে কোথায় এমন দেখেছে ॥ ভূমিতে করিয়ে বাস, ঘুমেতে পুরাও আশ, জাগিলে না দিবা বিভাবরী। কতকাল হরিয়াছ, এই ধরা ধরিয়াছ, জননী জঠর পরিহরি ॥
মেয়েটির নাম যখন সুভাষিণী রাখা হইয়াছিল তখন কে জানিত সে বোবা হইবে। তাহার দুটি বড়ো বোনকে সুকেশিনী ও সুহাসিনী নাম দেওয়া হইয়াছিল, তাই মিলের অনুরোধে তাহার বাপ ছোটো মেয়েটির নাম সুভাষিণী রাখে। এখন সকলে তাহাকে সংক্ষেপে সুভা বলে।
প্রথমে বসন্ত ঋতু নবীন পল্লব। দুই পক্ষ আগে পাছে মধ্যে সুমাধব ॥ মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি। মুকুলিত কৈল তবে বৃক্ষ বনস্পতি ॥ কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল। পুষ্পিত সুরঙ্গ মল্লি লবঙ্গ গুলাল ॥ ভ্রমরের ঝঙ্কার কোকিল কলরব। শুনিতে যুবক মনে জাগে অনুভব ॥
বাঙলাদেশের রাজনীতিকেরা স্থূল মানুষ, তারা সৌন্দর্য বোঝে না ব’লে গণতন্ত্রও বোঝে না; শুধু লাইসেন্স-পারমিট-মন্ত্রীগিরি বোঝে। — হুমায়ুন আজাদ
পাশেতে বসিয়া রামা কহে দুঃখবাণী। ভাঙ্গা কুড়্যা ঘরখানি পত্রে ছাউনি॥ ভেরাত্তার খাম তার আছে মধ্য ঘরে। প্রথম বৈশাখ মাসে নিত্য ভাঙ্গে ঝড়ে॥ পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রচণ্ড তপন। খরতর পোড়ে অঙ্গ রবির কিরণ ॥ পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাস পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাস। বেঙচের ফল খায়্যা করি উপবাস ॥
তোমাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে সবকিছু থেকে সমান দূরত্বে পিছিয়ে গেছি আমি। এখন তোমাকে ছাড়া অন্যকিছু ছুঁতে পারি না।
যে চাষা খায় পেট ভরে গরুর পানে চায় না ফিরে গরু না পায় ঘাস পানি ফলন নাই তার হয়রানি
গারো পাহাড় পেরিয়ে হিমানী পর্বত ছাড়িয়ে 'সপ্ত সমুদ্দুর' পারে বাঘ-ভালুকের বসতি রয়েছে এমন নির্জন বনে বাস করে ডাকাত সর্দার হুমরা বাইদ্যা। তার ছোট ভাই মাইক্কা। এই বেদের দল ভ্রমণ করতে করতে এল ধনু নদীর পারে কাঞ্চনপুর গ্রামে। সেখানে এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের- ছয় মাসের শিশুকন্যা পরমা সুন্দরী। রাত্রি নিশিকালে হুমরা তারে করল চুরি । এক দুই তিন করি শুল বছর যায়। খেলা কছরত তারে যতনে শিখায় । বাইদ্যা বাইদ্যা করে লোকে বাইদ্যা কেমন জনা। আন্দাইর ঘরে থুইলে কন্যা জ্বলে কাঞ্চা সোনা ॥ হাট্টিয়া না যাইতে কইন্যার পায়ে পরে চুল। মুখেতে ফুট্টা উঠে কনক চাম্পার ফুল ।। আগল ডাগল আখিরে আম্মানের তারা। তিলেক মাত্র দেখলে কইন্যা না যায় পাশুরা ॥
সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগের একটাই কারণ। সেটা হলো হত্যা ও ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা বদলের পালা। ষড়যন্ত্র ও হত্যার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে যেভাবে ক্ষমতা বদল হচ্ছে তারই জন্য আজকে মানুষের এই দুর্ভোগ।
যদি দেশপ্রেমের কথা বলি, বাংলাদেশের অনেক মানুষের মধ্যেই সেটা নেই। অনেকেই মুখে অনেক কথা বলতে পারে। কিন্তু যদি তাকে একটা চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দেন, যখন আপনি প্রমাণ করতে বলবেন দেশপ্রেম আছে কি নেই, তখন দেখবেন ৯০ শতাংশ লোক সরে গেছে।
বিত্তমান মানুষেরা কল্পনা করতে পারেন না, তারা বাস্তব নিয়ে এতটা ব্যস্ত থাকেন যে কল্পনা করার সময় পান না। কল্পনা না করতে করতে কল্পনা করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। —হুমায়ূন আহমেদ (লীলাবতী)
থাকব না ক বদ্ধ ঘরে দেখব এবার জগৎটাকে কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে। দেশ হতে দেশ দেশান্তরে ছুটছে তারা কেমন করে, কিসের নেশায় কেমন করে মরছে যে বীর লাখে লাখে।
ময়ূরাক্ষী নদীকে একবারই আমি স্বপ্নে দেখি। নদীটা আমার মনের ভেতর পুরোপুরি গাঁথা হয়ে যায়। অবাক হয়ে লক্ষ করি কোথাও বসে একটু চেষ্টা করলেই নদীটা আমি দেখতে পাই। তারজন্যে আমাকে কোনো কষ্ট করতে হয় না। চোখ বন্ধ করতে হয় না, কিছু না। একবার নদীটা বের করে আনতে পারলে সময় কাটানো কোনো সমস্যা নয়। ঘন্টার পর ঘন্টা আমি নদীর তীরে হাঁটি। নদীর হিম শীতল জলে পা ডুবিয়ে বসি। শরীর জুড়িয়ে যায়। ঘূঘুর ডাকে চোখ ভিজে ওঠে।
বাদশাহ আলমগীর — কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলভী দিল্লীর। একদা প্রভাতে গিয়া দেখেন বাদশাহ— শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে পুলকিত হৃদে আনত-নয়নে, শিক্ষক শুধু নিজ হাত দিয়া নিজেরি পায়ের ধুলি ধুয়ে-মুছে সব করিছেন সাফ্ সঞ্চারি অঙ্গুলি।