Mulluk Lyrics | মুল্লুক গানের লিরিক | Coke Studio Bangla Season 4 | Meghdol x Ronju Tanti x Ranjit Tanti
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা উড়ি উড়ি যায় ঘর কে পুষল সুগা দূর দেশে যায় পিঞ্জরাকে পুষল মইনা উড়ি উড়ি যায় ঘর কে পুষল সুগা দূর দেশে যায়
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা উড়ি উড়ি যায় ঘর কে পুষল সুগা দূর দেশে যায় পিঞ্জরাকে পুষল মইনা উড়ি উড়ি যায় ঘর কে পুষল সুগা দূর দেশে যায়
উপন্যাসের মূল গল্পটি হ্যামিংওয়ে নিয়েছিলেন একটি সত্যি ঘটনা থেকে। ১৯৩৬ সালে হেমিংওয়ে ‘এস্কুইরি’ পত্রিকায় একটি বাস্তব ঘটনার কথা লেখেন। ঘটনাটি ছিল কিউবার এক বৃদ্ধ জেলে বিশাল সাইজের একটি মার্লিন মাছ ধরেছিল। কিন্তু মাছটি নৌকার পাশে বেঁধে ফিরতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণে প্রায় পুরো মাছ হারিয়ে ফেলেন। শেষে শুধুমাত্র মাছের কাটা আর মাথাটি পড়ে ছিল। এই ঘটনাই পরে ‘দ্য ওল্ড ম্যান এন্ড দ্য সি’ উপন্যাসের কাহিনীর মূল ভিত্তি হয়ে উঠে।
ওথেলো নাটকটি শুধু একটি করুণ প্রেমের গল্প নয়। মানুষের দুর্বলতা, আবেগ আর ভুল সিদ্ধান্তের যে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে এটি তার একটি চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। এছাড়া বর্ণবাদ, লিঙ্গবৈষম্য, ক্ষমতার রাজনীতি এবং মানসিক প্রভাব বিস্তারের মতো বিষয়গুলোও এই নাটকের মধ্যে বহুমাত্রিকতা দান করেছে। আর তাই আজ চার শতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ওথেলো আজো সারা বিশ্বে সমানভাবে পঠিত, মঞ্চস্থ এবং আলোচিত হচ্ছে। মানুষের জীবনের গভীর দিককে এমন শৈল্পিকভাবে উপস্থাপনের জন্য আজও এই নাটকটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি হিসেবে স্বীকৃত।
বাংলা সাহিত্যে আলোরন সৃষ্টি করা কালজয়ী নাটক নীলদর্পণ। ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়া দীনবন্ধু মিত্রের এই নাটক সারা ফেলে দিয়েছিল সাধারণ মানুষদের মনে। তবে সাদা চামড়ার নাক উঁচু ইংরেজ সমাজ এই নাটককে তারা মেনে নিতে পারে নি। দীনবন্ধু মিত্র এই নাটকটি নিজ নামে প্রকাশ করেন নি, তিনি ‘নীলকর-বিষধর-দংশন-কাতর-প্রজানিকর-ক্ষেমঙ্করেণ কেনচিৎ পথিকেনাভিপ্রণীতং’ নামক ছদ্ম নামে নাটকটি প্রকাশ করেছিলেন। এর ঠিক পরের বছর ১৮৬১ সালে মাইকেল মুধুসূধন দত্ত নীলদর্পণের ইংরেজি অনুবাদ করেন Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror নামে; মধুসূধন লেখকে ছদ্ম নাম হিসেবে নিজের নাম ব্যবহার করেছিলেন A Native নামে। বইটি প্রকাশে সাহায্য করেছিলেন খ্রিস্টান পাদ্রী রেভারেন্ড জ্যামস লঙ। অনেক সাহিত্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন পাদ্রী জ্যামস লঙ নিজেই এই নাটকটি ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। সে যাই লোক, বই প্রকাশের পেছনে লঙ সাহেবের ভূমিকা থাকায় ইংরেজ আদালত পাদ্রী জেমস লঙ কে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছিলেন, সেই সাথে কারাদণ্ড। শাস্তির কারণ এই বই সারাদেশে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে, সেই সাথে ইংরেজ সমাজের মুখে তা চুনকালি লেপন করেছে।
ফরাসি সাহিত্যের সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ভিক্টর হুগোর ‘লে মিজারেবল’ উপন্যার মাধ্যমে। এর পর আলেকজান্ডার দ্যুমা, আলবার্ট কামুস, জ্যাঁ পল সাত্রে,জুল ভার্ন কিংবা ভলতেয়ার মতো অনেক বিখ্যাত ফরাসি লেখকদের সাহিত্য অল্প বিস্তর পরেছি। তবে ভিক্টর হুগোর এই উপন্যাস আমার কৈশোরে আমার হৃদয়ে দাগ কেটে ছিল। এখনো আমকে কেউ আমার প্রিয় কিছু উপন্যাসের নাম বলতে বললে আমি সেই তালিকায় ‘লে মিজারেবল’ এর নাম অবশ্যই রাখবো।
চীন তখন শাসন করত চিং (Qing) রাজবংশ; এই রাজবংশ চিনকে প্রায় ২৫০ বছর ধরে সুন্দর নিয়মতান্ত্রিকভাবে শাসন করে আসছে। চিনারা বিদেশিদের তেমন বিশ্বাস করত না। বিদেশি ব্যবসায়ী আর কূটনীতিকদের অনেক অনুনয়ের পর চিনের সম্রাট বিদেশিদের জন্য শুধুমাত্র ক্যান্টন বন্দরে খুলে দিয়েছিল। সেটাও তারা কিছু চীনা ব্যবসায়ীর মাধ্যমে। বন্দরের ব্যবসায়িক আইন ও শর্ত সবকিছুই চীনারা ঠিক করে দিত। ব্রিটিশ বণিকেরা চীন থেকে মূলত চা, চিনি, রেশম ও চীনামাটির বাসনজিনিসপত্র আমদানি করত, কারণ ইউরোপের বাজারে এইসকল জিনিসের চাহিদা ছিল অনেক বেশি। বিপরীতে চীনারা কিছুই ক্রয় করত না ব্রিটিশ বণিকদের কাছ থেকে। যেহেতু চীন ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ তাই তারা তাদের পণ্যের বিনিময়ে ব্রিটিশদের কাছ থেকে সিলভার কয়েন দাবি করত; যেহেতু চীনে সিলভার খুব একটা সহজলভ্য ছিল না। ব্রিটিশদের চীনারা বলত, “আমরা তোমাদের পণ্য চাই না, শুধু রুপা দাও।” আর এই অসম বাণিজ্যের ফলে ব্রিটিশদের সকল অর্থ চলে যাচ্ছিল চিনাদের হাতে।
প্লেগ মহামারির ফলে কৃষকের সংখ্যা ভয়াবহ রকমের কমে গেলেও; অভিজাতদের সংখ্যা মানে যাদের লর্ড নামে ডাকা হয় তাদের সংখ্যার কিন্তু তেমন পরিবর্তন হলো না। প্লেগ মহামারির ফলে যেহেতু কৃষকের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকেরা এই সুযোগে আরো বেশি মজুরি দাবি করতে থাকেন; যা ছিল তাদের পরিশ্রমের সঠিক অধিকার। এই পরিস্থিতি তখন জমির মালিকদের জন্য অসুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে তারা যেমন কৃষকদের বেশি মজুরি দিতে রাজি ছিলেন না; আবার একই সাথে তারা তাদের জমি চাষ না করে খালি ফেলে রাখতেও পারছিলেন না। স্বাভাবিকভাবেই, এই জটিল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য তখন তাদের কিছু একটা করার প্রয়োজন ছিল।
আগামেমনন ছিলেন প্রাচীন গ্রীসের আরগোস রাজ্যের রাজা। তার আপন ছোট ভাইয়ের নাম মেনেলাউস। আগামেমনন বিয়ে করেন স্পার্টার রাজকন্যা ক্লাইটেম্নেস্ট্রাকে, আর আগামেমননের ছোটভাই মেনেলাউস বিয়ে করেন ক্লাইটেম্নেস্ট্রারই ছোটবোন হেলেনকে। হেলেনকে তখন বলা হতো প্রাচীণ গ্রিসের সবচেয়ে সুন্দরী নারী। মেনেলাউস হেলেনকে বিয়ে করে স্পার্টার রাজা হয়ে যান।
ইলিয়াড শব্দটি এসেছে ইলিয়াম শব্দ থেকে। পূর্বে ট্রয় নগরীকে ইলিয়াম নামেই ডাকা হতো। ট্রয় যুদ্ধের কথা শুনলে আমাদের প্রথমে যে প্রশ্নটা মাথায় আসে তা হলো ট্রয় নগরী বা ট্রয় যুদ্ধ বলে আসলে আদৌও কি কিছু ছিলো? নাকি পুরোটাই মানব মস্তিষ্কপ্রসূত কল্পনা? ট্রয় নগরী বলে যে কিছু ছিলো তার কিছু প্রত্মতাত্মিক নিদর্শনও পাওয়া গেছে। হেমারের মহাকাব্যের ট্রয় নগরীর অবস্থান বর্তমান তুরস্কের চানাক্কাল প্রদেশের ডারডেনলস প্রনালীর পাশে। ১৮৭০ সালের দিকে জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হাইনরিশ শ্লিমান খনন কাজ চালিয়ে ট্রয় নগরীর ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেছিলেন। সেই ট্রয় নগরী ও ট্রয় যুদ্ধ গ্রীক হেলেনীয় সংস্কৃতির সাথে মিলেমিশে মানুষ ও দেবতার মিশেল তা রূপ নিয়েছে অসাধারন এক মহাকাব্যে।
হেনরিক ইবসেন এই নাটকটি লরা কিলার নামের এক নারীর জীবনের সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রচনা করেছিলেন। লরা ছিলেন হেনরিক ইবসেনের এক বন্ধু। লরা তার স্বামীর জন্য অর্থ ঋন করেছিলেন। কিন্তু যখন এই বিষয়টি প্রকাশ পায়, তখন তার স্বামী তাকে মানসিক হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। এই ঘটনাটি তাকে এই নাটকের প্রধান চরিত্র নোরা হেলমার সৃষ্টি করতে ভূমিকা রেখেছে।
নাটকের শুরু হয় ১৬২৪ সালের বসন্তে সুইডেনের ডালার্না অঞ্চলে যখন ত্রিশ বছরের যুদ্ধ চলমান। নাটকের শুরুতে দেখা যায় এক সুইডিশ সেনা নিয়োগকর্তা এক সার্জেন্টের সাথে কথা বলছেন। তিনি বলছেন সৈন্য খুঁজে বের করা, তারপর তাদের সেনাবাহিনীতে নিযোগ দেওয়া একটি খুবই কঠিন ও বিরক্তিকর কাজ। সে সময় তাদের সামনে একটি ভ্রাম্যমাণ ক্যান্টিন গাড়ি বা ওয়াগন এসে থামে। ক্যান্টিনটির মালিক আনা ফিয়ারলিং নামের এক নারী। যিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্টের ক্যম্পের মানুষের কাছে মাদার কারেজ বা সাহসী মা নামে পরিচিত। তিনি তার ভ্রাম্যমাণ ক্যান্টিনে খাদ্যসামগ্রী, পানীয়, বস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করেন। মাদার কারেজের সাথে রয়েছে তার দুই ছেলে এলিফ ও সুইস চিজ আর একজন বোবা মেয়ে ক্যাথরিন। ক্যাথরিন কথা বলতে না পারলেও শুনতে পান।
আলবার্ট কামুস উপন্যাসের সময়কাল হিসেবে বেছে নিয়েছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ের অর্থাৎ ১৯৩০ এর দশকের আলজেরিয়াকে। আলজেরিয়া তখন ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মারসো। একই সাথে তিনি এই উপন্যাসের ন্যারেটর অর্থাৎ বর্ণনাকারী। মারসো আলজেরিয়ার একটি অফিসে কেরানির কাজ করেন। তার অফিসের বস তাকে প্যারিসে বদলি করার সুযোগ দিলেও তা সে গ্রহণ করেনি। এই প্রস্তাব গ্রহণ করলে তার চাকরির দ্রুত উন্নতি ঘটতো। তার চাকরির প্রতি আগ্রহের অভাবই বোঝায় যে তিনি সমাজের প্রচলিত "উন্নতি" ধারণাকে বিশেষ গুরুত্ব দেন না।
উপন্যাসের শুরুতে দেখা যায় মিস্টার বেনেট তার লাইব্রেরীতে বই পড়ছেন। মিস্টার বেনেট বই পড়ুয়া ও একাকি স্বভাবের মানুষ। সেই সময় তার স্ত্রী মিসেস বেনেট তাকে বলতে শুরু করেন, মিসেস লং এর কাছে তিনি খবর পেয়েছেন যে নেদারফিল্ড পার্কে চার্লস বিংলি নামের এক ধনী সুদর্শন ব্যাচেলর পুরুষ ভাড়া নিয়েছেন। বছরে তার আয় ৪ হাজার পাউন্ডের বেশি। এমন সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা যাবে না। তার ৫ মেয়ের মধ্যে একজনকে তার কাছে বিয়ে দিতেই হবে।
অ্যাবসার্ড নাটকের ধারণাটি এসেছে বিখ্যাত ফরাসি লেখক ও দার্শনিক আলবার্ট কামুসের লেখা বই ‘The Myth of Sisyphus’ থেকে যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ে আলবার্ট কামুস তার জীবন দর্শনকে ব্যাখ্যা করেছেন অনেকটা এভাবে যে, মানুষ বাস্তবত একটি অর্থহীন ও শূন্য জগতে বাস করে। অ্যাবসার্ড বলতে কামুস বুঝাতে চেয়েছেন মানুষের জীবনের অর্থ খোঁজার চেষ্টা ও জীবনের অর্থহীনতার সংঘাতকে। মানুষ তার জীবনের উদ্দেশ্য ও অর্থ খোঁজার চেষ্টা করে কিন্তু এই পৃথিবী তা দিতে অক্ষম।
সময়টা ১৭৭৫ সাল, ফ্রান্সের শাসক ছিলেন রাজা ষোড়শ লুই আর ইংল্যান্ডের শাসক রাজা তৃতীয় জর্জ। পুরো ইউরোপে তখন বিশৃঙ্খল অবস্থার বিরাজ করছে। ফ্রান্সের রাজতন্ত্র তখন অবক্ষয় হতে শুরু করেছে। ফ্রান্সের মতো একই চিত্র ইংল্যান্ডেও বিরাজমান। জার্ভিস লরি নামের এক ব্যাংকার ডোভারে ভ্রমণ করেন লুসি ম্যানেট নামক এক তরুণীর সাথে সাক্ষাৎ করতে। তিনি টেলসন ব্যাংকের ফ্রান্সের প্যারিস শাখা থেকে একটি গোপন বার্তা পান। যে বার্তায় বলা হয় ড. আলেকজান্ডার ম্যানেট বেঁচে আছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ খবরটি লুসিকে জানাতে লরি লুসির সাথে দেখা করেন। লুসি জানতো সে একজন অনাথ, ছোটবেলাতেই তার বাবা-মা উভয়েই মারা গেছে। আর তাকে লালন পালন করতো তার নার্স ও অভিভাবক মিসেস প্রস।