Lilabali Lyrics Coke Studio Bangla
লীলাবালি লীলাবালিবর অযুবতি সইগোবর অযুবতি সইগোকি দিয়া সাজাইমু তোরেলীলাবালি লীলাবালিবর অযুবতি সইগোবর অযুবতি সইগোকি দিয়া সাজাইমু তোরেমাথা চাইয়া টিকা দিমু…
লীলাবালি লীলাবালিবর অযুবতি সইগোবর অযুবতি সইগোকি দিয়া সাজাইমু তোরেলীলাবালি লীলাবালিবর অযুবতি সইগোবর অযুবতি সইগোকি দিয়া সাজাইমু তোরেমাথা চাইয়া টিকা দিমু…
আমি প্রথম যে বিশ্বকাপটা মনে রাখতে পারি, সেটা ছিল ১৯৫০ সালে, তখন আমার বয়স ছিল ৯ বা ১০ বছর। আমার বাবা ছিলেন একজন ফুটবলার। সেবার বড় একটা উৎসবের আয়োজন হয়েছিল। কিন্তু যখন ব্রাজিল উরুগুয়ের কাছে হেরে গেল, আমি দেখলাম আমার বাবা কাঁদছেন।
সেকালে দিল্লির কাছে হস্তিনা নামে এক নগর ছিল। শান্তনু সেই হস্তিনায় রাজত্ব করিতেন। একদিন শান্তনু যমুনার তীরে বেড়াইতে গিয়া অপরূপ সুন্দরী একটি কন্যা দেখিতে পাইলেন। এই কন্যার নাম সত্যবতী। শিশুকাল হইতে এক ধীবর তাঁহাকে পালন করিয়াছিল। রাজা ধীবরের কাছে গিয়া তাঁহার পালিত কন্যাটিকে বিবাহ করিতে চাহিলেন। ধীবর বলিল, 'মহারাজ, আপনার দেবব্রতের মতো সোনার চাঁদ ছেলে থাকিতে সত্যবতীর ছেলের রাজ্য পাইবার কোনোই সম্ভাবনা নাই, কাজেই এই বিবাহে আমি মত দিতে পারি না।' দেবব্রত একদিন ধীবরের কাছে গিয়া বলিলেন, 'আমার পিতার সহিত আপনার কন্যার বিবাহ দিন। ভবিষ্যতে তাঁহার পুত্রই রাজা হইবেন। প্রতিজ্ঞা করিতেছি, আমি কখনো সিংহাসন দাবি করিব না।'
একজন খেলোয়াড় হিসেবে পেলে সেরা, তবে তিনি জানেন না কীভাবে ফুটবল থেকে সুবিধা নিতে হয়। আমার মনে হয় আমরা একসঙ্গে অনেককিছু করতে পারতাম। কিন্তু আমরা আসলেই আলাদা। সমস্যা হচ্ছে চামড়া, আমরা অনেক ঝগড়া করি। আসল সমস্যা হচ্ছে তিনি আমাকে অনেক ভয় পান যে, আমি তার সব অর্জন কেড়ে নেবো। আসলে আমি তা কোনদিনও চাইনি। নাম্বার ওয়ান, সেরাদের সেরা, মানুষদের এসব বলতে দিন এবং হৃদয় থেকে তারা বিষয়টা অনুভব করুক।
কারও কারও জীবনে বসন্ত নিভৃতে আসে বাইরে প্রকাশ পায় না। তার আমেজে সে নিজেই পুলকিত হয়। ~ জন ফ্রেচার
এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উত্খাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক। ~ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ভাগ্য থেকে যতবেশি চাইবে ভাগ্য তোমায় ঠিক ততটাই নিরাশ করবে। কিন্তু তুমি যদি তোমার কর্মের ওপর জোর দাও। কর্ম তোমায় তোমার ইচ্ছের থেকে অনেক বেশি প্রদান করবে।
চোখের দিকে তাকিয়েই আপনি কখনো মিথ্যা কথা বলতে পারবেন না। এটা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই অন্যদিকে তাকাতে হবে।” — হূমায়ুন আহমেদ
পৃথিবীর সব মেয়েদের ভেতর অলৌকিক একটা ক্ষমতা থাকে। কোন পুরুষ তার প্রেমে পড়লে মেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তা বুঝতে পারে। এই ক্ষমতা পুরুষদের নেই। পুরুষদের কানের কাছে মুখ নিয়ে কোনো মেয়ে যদি বলে— শোন আমার প্রচণ্ড ক'ষ্ট হচ্ছে। আমি ম'রে যাচ্ছি। তারপরেও পুরুষ মানুষ বোঝে না। সে ভাবে মেয়েটা বোধ হয় এ্যাপেনডিসাইটিসের ব্য'থায় ম'রে যাচ্ছে।
সৈনিক হিসাবে, আপনাকে সর্বদা বিশ্বস্ততা, কর্তব্য এবং ত্যাগের তিনটি আদর্শকে লালন করতে হবে এবং বেঁচে থাকতে হবে। যে সৈনিকরা সর্বদা তাদের জাতির প্রতি বিশ্বস্ত থাকে, যারা সর্বদা তাদের জীবন উত্সর্গ করতে প্রস্তুত, তারা অজেয়। আপনিও যদি অদম্য হতে চান তবে এই তিনটি আদর্শকে আপনার অন্তরের অন্তঃস্থলটিতে খোদাই করুন।
একটি শিশু যদি না খেলে, তাহলে সে শিশু নয়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যদি খেলতে পছন্দ না করেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি তার ভেতরে থাকা শিশুমন চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেলেছেন।
ভোরের ট্রেনে গাঁয়ে ফিরে এলেন শনু পণ্ডিত। ন্যুজ দেহ, রুক্ষ চুল, মুখময় বার্ধক্যের জ্যামিতিক রেখা। অনেক আশা-ভরসা নিয়েই শহরে গিয়েছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, কিছু টাকাপয়সা সাহায্য পেলে আবার নতুন করে দাঁড় করাবেন স্কুলটাকে। আবার শুরু করবেন গাঁয়ের ছেলেমেয়েদের পড়ানোর কাজ। কত আশা! আশার মুখে ছাই! কেউ সাহায্য দিল না স্কুলটার জন্য। না চৌধুরীরা। না সরকার। সরকারের কাছে সাহায্য চাইতে গিয়ে তো রীতিমতো ধমকই খেলেন শনু পণ্ডিত। শিক্ষা বিভাগের বড়ো সাহেব শমসের খান বললেন, রাজধানীতে দুটো নতুন হোটেল তুলে, আর সাহেবদের ছেলেমেয়েদের জন্য একটা ইংলিশ স্কুল দিতে গিয়ে প্রায় কুড়ি লাখ টাকার মতো খরচ। ফান্ডে এখন আধলা পয়সা নেই সাহেব। অযথা বারবার এসে জ্বালাতন করবেন না আমাদের। পকেটে যদি টাকা না থাকে, স্কুল বন্ধ করে চুপচাপ বসে থাকুন। এমনভাবে ধমকে উঠেছিলেন তিনি যেন স্কুলের জন্য সাহায্য চাইতে এসে ভারি অন্যায় করে ফেলেছেন শনু পণ্ডিত।
ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল।বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না।আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে,শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।
বাংলা ভাষার একরকম শব্দকে বলা হয় 'তদ্ভব শব্দ'। আরেক রকম শব্দকে বলা 'তৎসম শব্দ'। এবং আরেক রকম শব্দকে বলা হয় 'অর্ধতৎসম শব্দ'। এ-তিন রকম শব্দ মিলে গড়ে উঠেছে বাংলা ভাষার শরীর। 'তৎসম', 'তদ্ভব' পারিভাষিক শব্দগুলো চালু করেছিলেন প্রাকৃত ভাষার ব্যাকরণ রচয়িতারা। তাঁরা 'তৎ' অর্থাৎ 'তা' বলতে বোঝাতেন 'সংস্কৃত' (এখন বলি প্রাচীন ভারতীয় আর্য) ভাষাকে। আর 'ভব' শব্দের অর্থ 'জাত, উৎপন্ন'। তাই 'তদ্ভব' শব্দের অর্থ হলো 'সংস্কৃত থেকে জন্ম নেওয়া', আর 'তৎসম' শব্দের অর্থ হচ্ছে 'সংস্কৃতের সমান' অর্থাৎ সংস্কৃত। বাংলা ভাষার শব্দের শতকরা বায়ান্নটি শব্দ 'তদ্ভব' ও অর্ধ-তৎসম'। শতকরা চুয়াল্লিশটি 'তৎসম'। তাই বাংলা ভাষার শতকরা ছিয়ানব্বইটিই মৌলিক বা বাংলা শব্দ।
হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায়। সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে, কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে।