সেইদিন এই মাঠ কবিতা — জীবনানন্দ দাশ
সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি- এই নদী নক্ষত্রের তলে সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন- সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে! আমি চলে যাব বলে চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে নরম গন্ধের ঢেউয়ে?
সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি- এই নদী নক্ষত্রের তলে সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন- সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে! আমি চলে যাব বলে চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে নরম গন্ধের ঢেউয়ে?
৪১. 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় বাতাস ছিল কেমন? (ক) তপ্ত (খ) স্নিগ্ধ (গ) কোমল (ঘ) জলজ উত্তর: (ঘ) জলজ ৪২. 'এখানে থাকার নাম সর্বত্রই থাকা'—এ চিত্রকল্পে ফুটে উঠেছে— (ক) স্বদেশ সান্নিধ্যের সর্বব্যাপকতা (খ) স্বদেশ অনুভবের ব্যাকুলতা (গ) স্বদেশপ্রেমের আকুলতা (ঘ) স্বদেশের সবকিছুই চেনাজানা উত্তর: (ক) স্বদেশ সান্নিধ্যের সর্বব্যাপকতা ৪৩. কদম আলী কিসে নত? (ক) অসুখে (খ) বার্ধক্যে (গ) ক্লান্তিতে (ঘ) হতাশায় উত্তর: (খ) বার্ধক্যে
ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে? কাগজ তো সাদা। পেনসিলে আঁকা যায়। হাতের কলমটা দিয়েও আঁকা যায় এই সাদা জমিনে। রং হলে খুউব ভালো হয়। ইচ্ছেমতো লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ, কালো রং ঘষে ঘষে সাদা কাগজটা ভরে ফেলা যায়। সুন্দর এক রঙিন ছবি আঁকা হয়ে যায়। হলুদ, নীল ও লাল এই তিনটিই কিন্তু আসল রং। এই তিন রং থাকলে নানা রঙে ভরা পরিপূর্ণ রঙিন ছবি আঁকা যায়। এই তিনটি রং মিলিয়ে মিশিয়ে অনেক রং পাওয়া যায়। যেমন হলুদ ও নীল মেশালে পাবে সবুজ। নীল ও লাল মেশালে পাবে বেগুনি। লাল ও হলুদ মেশালে পাবে কমলা।
বিশ্বাস জীবনে চলার পথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যখন কারো উপরে বিশ্বাস হারায় তাদের সাথে আমাদের জীবনের পথ চলার ব্যাপারটি অমসৃণ…
বল বীর – বল উন্নত মম শির! শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! বল বীর – বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’ চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’ ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া, উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর! মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
গতকাল আমি বুদ্ধিমান ছিলাম, তাই আমি বিশ্বকে পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম। আজ আমি জ্ঞানী, তাই আমি নিজেকে পরিবর্তন করছি। --- মাওলানা জালাল উদ্দীন রুমি (র.)
যেসব মহাপুরুষের আবির্ভাবে পৃথিবী ধন্য হয়েছে মানুষের জীবনে যাঁরা এনেছেন সৌষ্ঠব, ফুটিয়েছেন লাবণ্য, মরুভাস্কর হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (স.) তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবন আলোচনা করতে গিয়ে সকলের আগে আমাদের চোখে পড়ে তাঁর ঐতিহাসিকতা। হজরতের জীবনের প্রত্যেকটি ঘটনা, প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি বিবরণ যেভাবে রক্ষা করা হয়েছে, সত্যের কষ্টিপাথরে ঘষে যেভাবে যাচাই করা হয়েছে, পৃথিবীর কোনো মহাপুরুষের বেলায় তা করা হয়নি।
তিমির রাত্রি –‘এশা’র আজান শুনি দূর মসজিদে প্রিয়া-হারা কান্নার মতো এ-বুকে আসিয়া বিঁধে! আমির-উল-মুমেনিন, তোমার স্মৃতি যে আজানের ধ্বনি – জানে না মুয়াজ্জিন! তকবির শুনি শয্যা ছাড়িয়া চকিতে উঠিয়া বসি, বাতায়নে চাই – উঠিয়াছে কি রে গগনে মরুর শশী? ও-আজানা ও কি পাপিয়ার ডাক, ও কি চকোরীর গান? মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ও কি ও তোমারই সে আহ্বান?
যুদ্ধ কখনো ধর্ম রক্ষা করে না, জাতি রক্ষা করে না। যুদ্ধ শুধু মানুষ ধ্বংস করে। একটা মায়ের কোল খালি হয়, একটা শিশুর শৈশব নষ্ট হয়, একটা স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। যারা যুদ্ধ করে, তারা শুধু নিজের ক্ষমতা বাড়াতে চায়। আর যারা সাধারণ মানুষ, তারা যুদ্ধের বোঝা বইতে বাধ্য হয়।
৩০. ‘বৃষ্টি’ কবিতার বৃষ্টি— (ক) বহু আকাঙ্ক্ষিত (খ) বহু প্রতিক্ষিত (গ) বহু উপেক্ষিত (ঘ) বহু নিগৃহীত উত্তর: (খ) বহু প্রতিক্ষিত ৩১. কবি বিদ্যুৎকে কার সঙ্গে তুলনা করেছেন? (ক) কন্যার (খ) পরী (গ) আলোর (ঘ) বৃষ্টির উত্তর: (খ) পরী ৩২. ‘রুগ্ণ বৃদ্ধ ভিখারির রগ-ওঠা হাতের মতন/রুক্ষ মাঠ আসমান'– এ চিত্রকল্পে কী ফুটে উঠেছে? (ক) বুভুক্ষু মাঠের চিত্র (খ) বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি (গ) বৃষ্টিহীন মাঠের রূপ (ঘ) প্রকৃতির বৈরিতা উত্তর: (গ) বৃষ্টিহীন মাঠের রূপ
লখার রাতের বিছানা ফুটপাতের কঠিন শান। এই শান দিনের বেলায় রোদে পুড়ে গরম হয়। রাতে হিম লেগে বরফের মতো ঠান্ডা হয়। ঠান্ডা শানে শুয়ে লখার বুকে কাশি বসে। গায়ে জ্বর ওঠে। বাপকে লখা দেখেনি। চেনে না। মা তার ত্যানাখানি পরে দিনভর কেঁদে-কেঁদে ভিখ মেঙে ফেরে। লখার দিন কাটে গুলি খেলে, ছেঁড়া কাগজ কুড়িয়ে, বন্ধুদের সঙ্গে মারামারি করে আর খাবারের দোকানের এঁটোপাতা চেটে। রাতে মায়ের পাশে লখা খিদের কষ্ট ভুলে যায়।
বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস। হয়তো আরও বেশি সময়ের। এ ইতিহাসের সবটা আজও ভালো করে জানা নেই আমাদের। আলো-আঁধারের খেলায় অনেক পুরানো কথা ঢাকা পড়েছে। ইতিহাস বলতে শুধু রাজ-রাজড়াদের কথাই বোঝায় না। বোঝায় সব মানুষের কথা। এককালে এদেশে রাজ-রাজড়া ছিল না, তখন মানুষের দাম ছিল বেশি। লোকজন নিজেরাই যুক্তি পরামর্শ করে কাজ করত, চাষ করত, ঘর বাঁধত, দেশ চালাত।
গাহি সাম্যের গান - মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।
অনেক মূহুর্ত আমি ক্ষয় ক’রে ফেলে বুঝেছি সময় যদিও অনন্ত, তবু প্রেম সে অনন্ত নিয়ে নয়। তবুও তোমাকে ভালোবেসে মূহুর্তের মধ্যে ফিরে এসে বুঝেছি অকূলে জেগে রয় ; ঘড়ির সময়ে আর মহাকালে যেখানেই রাখি এ হৃদয়।
কেউ বুঝেনি আমায়, চেনেনি তো কেউ দেখেও কতবার তবু দেখেনি কেউ মোর সত্য কল্পনা যতো বাস্তবতা মিথ্যে ততো তাই আমি, বৃষ্টি এলেই পাহাড়ের চূড়ায় বসে বর্ষায় ভিজি ভাঙ্গলে মেঘ, পারি যেতেও আকাশ শুকাতে রোদের তীরে নিজেকে আমি