Na Bola Kotha Lyrics | না বলা কথা লিরিক | Shamiul Shezan
যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার
যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার
৭৫. ‘বিভেদকারী পরগাছা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (ক) সমাজের শোষকদের (খ) সমাজের দরিদ্রদের (গ) সমাজের সাধারণদের (ঘ) সমাজের মধ্যবিত্তদের উত্তর: (ক) সমাজের শোষকদের ৭৬. কবি কাকে বিভেদকারী পরগাছাদের ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছেন? (ক) তুফানকে (খ) তীব্র রোদকে (গ) নদীর স্রোতকে (ঘ) হিংস্র জন্তুদের উত্তর: (ক) তুফানকে
পুস্তকের শ্রেণিবদ্ধ সংগ্রহকে লাইব্রেরি বা গ্রন্থাগার বলা হয়। সকল প্রকার জ্ঞানকে একত্র করে স্থায়িত্বদানের অভিপ্রায় থেকে লাইব্রেরির সৃষ্টি। এক ব্যক্তির পক্ষে সর্ববিদ্যাবিশারদ হওয়া অসম্ভব। বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন বিদ্যায় পারদর্শিতা লাভ করে। আবার যে ব্যক্তি যে বিদ্যায় পারদর্শিতা লাভ করে, তার সবটুকু জ্ঞান মস্তিষ্কে ধারন করাও তার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই প্রয়োজন এমন কোনো উপায় উদ্ভাবনের, যার দৌলতে দরকার অনুযায়ী সমস্ত বিষয়ে একটা মোটামুটি জ্ঞান লাভ করা যায়। ফলে লাইব্রেরির সৃষ্টি।
নারীমুক্তি বলে কিছু নেই। প্রতি মুহূর্তেই পুরুষকে তার দরকার। কোনও মেয়ে যদি তার স্বামীকে না মানে, স্বাধীন হয়, তবে অন্য পুরুষরা তাকে ছিড়ে খাবে। স্বাধীন মেয়ের মতো এমন সহজ ভোগ্যবস্তু পুরুষের আর কী আছে? বড়ভোগ্যা হলে কি স্বাধীন হওয়া হয়?
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। মামার বাড়ি পদ্মপুকুর গলায় গলায় জল, এপার হতে ওপার গিয়ে নাচে ঢেউয়ের দল।
৩৬. 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ব্যক্তি হলেন— (ক) সাকিনা বিবি (খ) হরিদাসী (গ) থুথুরে বুড়ো (ঘ) রুস্তম শেখ উত্তর: (ঘ) রুস্তম শেখ ৩৭. ঢাকার রিকশাওয়ালা কে? (ক) কেষ্ট দাস (খ) মতলব মিয়া (গ) রুস্তম শেখ (ঘ) সগীর আলী উত্তর: (গ) রুস্তম শেখ
পল্লি-দুলাল, ভাই গো আমার যাব আমি-তোমার দেশে, আকাশ যাহার বনের শীষে দিক-হারা মাঠ চরণ ঘেঁষে। দূর দেশীয় মেঘ-কনেরা মাথায় লয়ে জলের ঝারি, দাঁড়ায় যাহার কোলটি ঘেঁষে বিজলী-পেড়ে আঁচল নাড়ি। বেতস কেয়ার বনে যেথায় ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়, পল্লি-দুলাল ভাই গো আমার, যাব সেথায়।
সাবু: কী হলো আবার? আরজু: আমি যে আর হাঁটতে পারছি না। সাবু: রোজ রোজ তোর জন্য আমি স্যারের বকুনি খেতে পারব না। আরজু: ঠিক আছে তোরা যা, আমি একাই এক্ষুনি যাব। সাবু: থাক তাহলে। (চলে যায় সাবু। আরজু বসে পড়ে। এ সময়ই ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিল এক আইসক্রিমওয়ালা।)
ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই। ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে ট্রেনের বাড়ি কই? একটু জিরোয়, ফের ছুটে যায় মাঠ পেরুলেই বন। পুলের ওপর বাজনা বাজে ঝন ঝনাঝন ঝন।
১৪. রানার রাতের পথে চলে কেন? ক) রানার রাতে পথ চলায় অভ্যস্ত খ) খুব ভোরে ডাক পৌঁছাতে হবে গ) দিনের পথ চলায় নানা ঝামেলা ঘ) রাতের বাধা পেরিয়ে রানার পছন্দ করে উত্তর: খ) খুব ভোরে ডাক পৌঁছাতে হবে ১৫. ‘নিষেধ’ শব্দটি ‘রানার’ কবিতায় কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? ক) সতর্ক বার্তা খ) প্রতিবন্ধকতা গ) অশুভ লক্ষণ ঘ) ভয় উত্তর: খ) প্রতিবন্ধকতা ১৬. দিগন্ত থেকে দিগন্তে কে ছুটে চলে? ক) রানারের মা খ) রানার গ) দস্যু ঘ) রানারের বন্ধু উত্তর: খ) রানার
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী ’পরে, সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি- এই নদী নক্ষত্রের তলে সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন- সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে! আমি চলে যাব বলে চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে নরম গন্ধের ঢেউয়ে?
৪১. 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় বাতাস ছিল কেমন? (ক) তপ্ত (খ) স্নিগ্ধ (গ) কোমল (ঘ) জলজ উত্তর: (ঘ) জলজ ৪২. 'এখানে থাকার নাম সর্বত্রই থাকা'—এ চিত্রকল্পে ফুটে উঠেছে— (ক) স্বদেশ সান্নিধ্যের সর্বব্যাপকতা (খ) স্বদেশ অনুভবের ব্যাকুলতা (গ) স্বদেশপ্রেমের আকুলতা (ঘ) স্বদেশের সবকিছুই চেনাজানা উত্তর: (ক) স্বদেশ সান্নিধ্যের সর্বব্যাপকতা ৪৩. কদম আলী কিসে নত? (ক) অসুখে (খ) বার্ধক্যে (গ) ক্লান্তিতে (ঘ) হতাশায় উত্তর: (খ) বার্ধক্যে
ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে? কাগজ তো সাদা। পেনসিলে আঁকা যায়। হাতের কলমটা দিয়েও আঁকা যায় এই সাদা জমিনে। রং হলে খুউব ভালো হয়। ইচ্ছেমতো লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ, কালো রং ঘষে ঘষে সাদা কাগজটা ভরে ফেলা যায়। সুন্দর এক রঙিন ছবি আঁকা হয়ে যায়। হলুদ, নীল ও লাল এই তিনটিই কিন্তু আসল রং। এই তিন রং থাকলে নানা রঙে ভরা পরিপূর্ণ রঙিন ছবি আঁকা যায়। এই তিনটি রং মিলিয়ে মিশিয়ে অনেক রং পাওয়া যায়। যেমন হলুদ ও নীল মেশালে পাবে সবুজ। নীল ও লাল মেশালে পাবে বেগুনি। লাল ও হলুদ মেশালে পাবে কমলা।
বিশ্বাস জীবনে চলার পথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যখন কারো উপরে বিশ্বাস হারায় তাদের সাথে আমাদের জীবনের পথ চলার ব্যাপারটি অমসৃণ…