ছুটি কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, বাদল গেছে টুটি, আজ আমাদের ছুটি, ও ভাই, আজ আমাদের ছুটি।। কী করি আজ ভেবে না পাই, পথ হারিয়ে কোন্ বনে যাই, কোন্ মাঠে যে ছুটে বেড়াই, সকল ছেলে জুটি।।
মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, বাদল গেছে টুটি, আজ আমাদের ছুটি, ও ভাই, আজ আমাদের ছুটি।। কী করি আজ ভেবে না পাই, পথ হারিয়ে কোন্ বনে যাই, কোন্ মাঠে যে ছুটে বেড়াই, সকল ছেলে জুটি।।
আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এই বাংলাদেশ বহু জাতি, বহু ভাষা ও বহু সংস্কৃতির একটি দেশ। এখানে প্রধান জনগোষ্ঠী বাঙালির পাশাপাশি রয়েছে প্রায় অর্ধশত জাতিসত্তার মানুষ। দেশের প্রধান ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি রয়েছে অনেক ভাষা এবং ঐসব জাতিগোষ্ঠীর নানা বর্ণের বিচিত্র সংস্কৃতিও। তারপরও আমরা সবাই জাতীয়তার পরিচয়ে এক এবং দেশকে ভালোবাসার ক্ষেত্রেও ঐক্যবদ্ধ। বৈচিত্র্যের মধ্যেও এই যে একতার শক্তি, এটিই আমাদের বাংলাদেশকে সুন্দর ও বর্ণময় করে তুলেছে।
কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ! কেউবা ভাজছে গরম তেলে। খোস দাদ হাজা চুলকানিতে লাগাবে। চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ। কচি পাতাগুলো খায়ও অনেকে। এমনি কাঁচাই... কিম্বা ভেজে বেগুন-সহযোগে। যকৃতের পক্ষে ভারি উপকার। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক... দাঁত ভালো থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বাড়ির পাশে গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন। বলে- 'নিমের হাওয়া ভালো, থাক্, কেটো না।' কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। আবর্জনা জমে এসে চারিদিকে। শান দিয়ে বাঁধিয়েও দেয় কেউ- সে আর-এক আবর্জনা। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল শুধু। বলে উঠল, 'বাহ্, কী সুন্দর পাতাগুলি... কী রূপ! থোকা থোকা ফুলেরই বা কী বাহার... একঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে। বাহ্-' খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে চলে গেল।
ভোর হলো, দোর খোলো খুকু,মনি ওঠ রে! ঐ ডাকে যুঁই-শাখে ফুল-খুকি ছোটরে! রবি মামা দেয় হামা গায়ে রাঙা জামা ঐ, দারোয়ান গান গায় শোন ঐ, রামা হৈ!' ত্যাজি নীড় করে ভিড় ওড়ে পাখি আকাশে এন্তার গান তার ভাসে ভোর বাতাসে।
হঠাৎ সেদিন হাতে পেয়ে চিরকুট নিমিষে সময় হয়ে গেলো যেন লুট; পার হয়ে বহু বছরের ব্যবধান কানে ভেসে এলো হারানো দিনের গান।
যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার
৭৫. ‘বিভেদকারী পরগাছা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (ক) সমাজের শোষকদের (খ) সমাজের দরিদ্রদের (গ) সমাজের সাধারণদের (ঘ) সমাজের মধ্যবিত্তদের উত্তর: (ক) সমাজের শোষকদের ৭৬. কবি কাকে বিভেদকারী পরগাছাদের ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছেন? (ক) তুফানকে (খ) তীব্র রোদকে (গ) নদীর স্রোতকে (ঘ) হিংস্র জন্তুদের উত্তর: (ক) তুফানকে
পুস্তকের শ্রেণিবদ্ধ সংগ্রহকে লাইব্রেরি বা গ্রন্থাগার বলা হয়। সকল প্রকার জ্ঞানকে একত্র করে স্থায়িত্বদানের অভিপ্রায় থেকে লাইব্রেরির সৃষ্টি। এক ব্যক্তির পক্ষে সর্ববিদ্যাবিশারদ হওয়া অসম্ভব। বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন বিদ্যায় পারদর্শিতা লাভ করে। আবার যে ব্যক্তি যে বিদ্যায় পারদর্শিতা লাভ করে, তার সবটুকু জ্ঞান মস্তিষ্কে ধারন করাও তার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই প্রয়োজন এমন কোনো উপায় উদ্ভাবনের, যার দৌলতে দরকার অনুযায়ী সমস্ত বিষয়ে একটা মোটামুটি জ্ঞান লাভ করা যায়। ফলে লাইব্রেরির সৃষ্টি।
নারীমুক্তি বলে কিছু নেই। প্রতি মুহূর্তেই পুরুষকে তার দরকার। কোনও মেয়ে যদি তার স্বামীকে না মানে, স্বাধীন হয়, তবে অন্য পুরুষরা তাকে ছিড়ে খাবে। স্বাধীন মেয়ের মতো এমন সহজ ভোগ্যবস্তু পুরুষের আর কী আছে? বড়ভোগ্যা হলে কি স্বাধীন হওয়া হয়?
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। মামার বাড়ি পদ্মপুকুর গলায় গলায় জল, এপার হতে ওপার গিয়ে নাচে ঢেউয়ের দল।
৩৬. 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ব্যক্তি হলেন— (ক) সাকিনা বিবি (খ) হরিদাসী (গ) থুথুরে বুড়ো (ঘ) রুস্তম শেখ উত্তর: (ঘ) রুস্তম শেখ ৩৭. ঢাকার রিকশাওয়ালা কে? (ক) কেষ্ট দাস (খ) মতলব মিয়া (গ) রুস্তম শেখ (ঘ) সগীর আলী উত্তর: (গ) রুস্তম শেখ
পল্লি-দুলাল, ভাই গো আমার যাব আমি-তোমার দেশে, আকাশ যাহার বনের শীষে দিক-হারা মাঠ চরণ ঘেঁষে। দূর দেশীয় মেঘ-কনেরা মাথায় লয়ে জলের ঝারি, দাঁড়ায় যাহার কোলটি ঘেঁষে বিজলী-পেড়ে আঁচল নাড়ি। বেতস কেয়ার বনে যেথায় ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়, পল্লি-দুলাল ভাই গো আমার, যাব সেথায়।
সাবু: কী হলো আবার? আরজু: আমি যে আর হাঁটতে পারছি না। সাবু: রোজ রোজ তোর জন্য আমি স্যারের বকুনি খেতে পারব না। আরজু: ঠিক আছে তোরা যা, আমি একাই এক্ষুনি যাব। সাবু: থাক তাহলে। (চলে যায় সাবু। আরজু বসে পড়ে। এ সময়ই ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিল এক আইসক্রিমওয়ালা।)
ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই। ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে ট্রেনের বাড়ি কই? একটু জিরোয়, ফের ছুটে যায় মাঠ পেরুলেই বন। পুলের ওপর বাজনা বাজে ঝন ঝনাঝন ঝন।
১৪. রানার রাতের পথে চলে কেন? ক) রানার রাতে পথ চলায় অভ্যস্ত খ) খুব ভোরে ডাক পৌঁছাতে হবে গ) দিনের পথ চলায় নানা ঝামেলা ঘ) রাতের বাধা পেরিয়ে রানার পছন্দ করে উত্তর: খ) খুব ভোরে ডাক পৌঁছাতে হবে ১৫. ‘নিষেধ’ শব্দটি ‘রানার’ কবিতায় কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? ক) সতর্ক বার্তা খ) প্রতিবন্ধকতা গ) অশুভ লক্ষণ ঘ) ভয় উত্তর: খ) প্রতিবন্ধকতা ১৬. দিগন্ত থেকে দিগন্তে কে ছুটে চলে? ক) রানারের মা খ) রানার গ) দস্যু ঘ) রানারের বন্ধু উত্তর: খ) রানার