সুখ কবিতা — কায়কোবাদ
"সুখ সুখ" বলে তুমি, কেন কর হা-হুতাশ, সুখ ত পাবে না কোথা, বৃথা সে সুখের আশ! পথিক মরুভূ মাঝে খুঁজিয়া বেড়ায় জল, জল ত মিলে না সেথা, মরীচিকা করে ছল! তেমতি এ বিশ্ব মাঝে, সুখ ত পাবে না তুমি, মরীচিকা প্রায় সুখ, — এ বিশ্ব যে মরুভূমি!
"সুখ সুখ" বলে তুমি, কেন কর হা-হুতাশ, সুখ ত পাবে না কোথা, বৃথা সে সুখের আশ! পথিক মরুভূ মাঝে খুঁজিয়া বেড়ায় জল, জল ত মিলে না সেথা, মরীচিকা করে ছল! তেমতি এ বিশ্ব মাঝে, সুখ ত পাবে না তুমি, মরীচিকা প্রায় সুখ, — এ বিশ্ব যে মরুভূমি!
এসেছ বন্ধু? তোমার কথাই জাগছিল ভাই প্রাণে,- কাল রাতে মোর মই প'ড়ে গেছে ক্ষেতভরা পাকা ধানে। ধান্যের ঘ্রাণে ভরা অঘ্রানে শুভ নবান্ন আজ, পাড়ায় পাড়ায় উঠে উৎসব, বন্ধ মাঠের কাজ। লেপিয়া আঙিনা দ্যায় আল্পনা ভরা মরাইএর পাশে; লক্ষ্মী বোধ হয় বাণিজ্য ত্যাজি' এবার নিবসে চাষে।
গাহি সাম্যের গান- যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান, যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চান। গাহি সাম্যের গান! কে তুমি?- পার্সি? জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ভীল, গারো? কনফুসিয়াস্? চার্বাক-চেলা? বলে যাও, বল আরও!
হুমায়ূন ফরীদি (২৯ মে ১৯৫২ - ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশী অভিনেতা। তিনি মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য…
হাতের তালুতে ভাগ্য দেখতে যেয়ো না গালিব ভাগ্য তারও আছে যার হাত নেই হাতি কি লাকিরুপে মাত যা আয়ে গালিব কিসমাত উসকি ভি হোতি হ্যায় জিসকা হাত নেহি হোতা
বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি। দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী- মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু, কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।
প্রথমে ভেবেছিলাম যে মন্দির বানাবো। তারপর ভেবে দেখলাম, সেখানে কেবল হিন্দুরাই আসবে, মুসলমান ক্রিশ্চান এরা কেউ ছায়া মাড়াবে না তার। মসজিদ গড়লেও মুসলমান ছাড়া আর কেউ ঘেঁষবে না তার দরজায়। গির্জা হলেও তাই। যাই করতে যাই, সর্বধর্মসমন্বয় আর হয় না। তা ছাড়া পাশাপাশি মন্দির মসজিদ গির্জা গড়লে একদিন হয়তো মারামারি লাঠালাঠিও বেঁধে যেতে পারে। তাই অনেক ভেবেচিন্তে এই পায়খানাই বানিয়েছি। সবাই আসছে এখানে। আসবে চিরদিন। ~ শিবরাম চক্রবর্তী
ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সাথে কথা বলা।
সেই আদি-যুগে যবে অসহায় নর নেত্র মেলি ভবে, চাহিয়া আকাশ পানে - কারে ডেকেছিল, দেবে না মানবে? কাতর আহ্বান সেই মেঘে মেঘে উঠি, লুটি গ্রহে গ্রহে, ফিরিয়া কি আসে নাই, না পেয়ে উত্তর, ধরায় আগ্রহে? সেই ক্ষুব্ধ অন্ধকারে, মরুৎ গর্জনে, কার অন্বেষণ? সে নহে বন্দনা-গীতি, ভয়ার্ত-ক্ষুধার্ত খুঁজিছে স্বজন!
হে নিরুপমা, গানে যদি লাগে বিহ্বল তান করিয়ো ক্ষমা ॥ ঝরোঝরো ধারা আজি উতরোল, নদীকূলে-কূলে উঠে কল্লোল, বনে বনে গাহে মর্মরস্বরে নবীন পাতা। সজল পবন দিশে দিশে তোলে বাদলগাথা ॥
"এতক্ষণে"- অরিন্দম কহিলা বিষাদে- "জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল রক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তব এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
টাকা যদি আপনার আদেশে চলে, তাহলে আপনি টাকা এবং স্বাধীনতা দুটোই পাবেন। আর আপনি যদি টাকার আদেশে চলেন, তাহলে সত্যিই আপনি গরীব হবেন। — এডমন্ড বার্ক
আহ! কিন্তু কবরের দিকে নামার আগে যদি আমি একটা ছোট ঘর আর একটা বড় বাগান পাই; আর কিছু বন্ধু ও অনেক বই — যা সত্য, জ্ঞানপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক — তাহলে জীবনের শেষটা শান্তিতে কাটাতে পারি।
জান না কি জীব তুমি, জননী জন্মভূমি, সে তোমায় হৃদয়ে রেখেছে। থাকিয়া মায়ের কোলে, সন্তানে জননী ভোলে, কে কোথায় এমন দেখেছে ॥ ভূমিতে করিয়ে বাস, ঘুমেতে পুরাও আশ, জাগিলে না দিবা বিভাবরী। কতকাল হরিয়াছ, এই ধরা ধরিয়াছ, জননী জঠর পরিহরি ॥
মেয়েটির নাম যখন সুভাষিণী রাখা হইয়াছিল তখন কে জানিত সে বোবা হইবে। তাহার দুটি বড়ো বোনকে সুকেশিনী ও সুহাসিনী নাম দেওয়া হইয়াছিল, তাই মিলের অনুরোধে তাহার বাপ ছোটো মেয়েটির নাম সুভাষিণী রাখে। এখন সকলে তাহাকে সংক্ষেপে সুভা বলে।