কুরুলুস উসমান উক্তি : কুরুলুস উসমান এর ৩০ টি বিখ্যাত উক্তি

কুরুলুস উসমান উক্তি : কুরুলুস উসমান এর ৩০ টি বিখ্যাত উক্তি

প্রথম উসমান বা উসমান গাজী, উসমান বেগ বা উসমান আল্প (জন্ম ১২৫৮ মৃত্যু ১৩২৬) ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তার জীবনের শুরুর দিকে ছোট একটি তুর্কমেন রাজত্ব ছিল। তার বেইলিক তার মৃত্যুর পর কয়েক শতাব্দীতে একটি বিশাল সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত হয়েছিল।প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই সালতানাত বিলুপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ সাম্রাজ্য টিকে ছিল। তার শাসনামলের শুরুতে রাষ্ট্রপরিধি ছিল ৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার এবং শেষে ছিল ১৬,০০০ বর্গ কিলোমিটার।

১

যখন একটি গাছ পড়ে তখন শব্দ হয়, অথচ নীরবেই একটি বন গড়ে ওঠে।

২

এক ফোঁটা তুর্কি অশ্রুর জন্য আমরা পুরো পৃথিবী ধ্বংস করে দিতে পারি।

৩

শক্তিশালী হতে গেলে, একটা দৃঢ় পরিবার থাকতে হয়।

৪

আমি কাপুরুষদের মতামতে শুনতে আগ্রহী নই।

৫

ঘোড়া হলো তুর্কিদের অস্ত্র!

৬

কর্মবিহীন জ্ঞান অনেক সময় উপকারী হতে পারে, কিন্তু জ্ঞানবিহীন কর্ম কখনো উপকারী হয় বলে আমার জানা নেই।

৭

পৃথিবী একটি উর্বর ক্ষেতের মতো যেখান থেকে বুদ্ধিমান ও সদাচরণকারীরাই ভালো ফসল অর্জন করতে পারে।

৮

কোনো চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার নাম সাহসিকতা নয়। সাহসিকতা হলো-চিন্তাভাবনা এবং হিসেব করে বুঝতে পারা যে, কখন যুদ্ধ করতে হবে এবং কখন দূরে সরে যেতে হবে।

৯

যে গাছের শেকড় মজবুত সেটি ঝড় দেখলে হাসে।

১০

যেখানে ন্যায়বিচার নেই, সেখানে শান্তিও নেই।

১১

যত দুরবস্থায় পতিত হও না কেনো, আদর্শের ক্ষেত্রে পরাজয় বরণ করো না।

১২

এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে হাজার বার মৃত্যুও ভালো।

১৩

শান্তির সাথে জীবন যাপন করার পরও যে ব্যক্তির আকাঙ্খা মিটে না, তার পক্ষে তৃপ্ত হওয়া সম্ভব না।

১৪

নিজের বোঝা যত কমই হোক তা অন্যের উপর চাপাতে চেষ্টা করো না।

১৫

পার্থিব জীবনের ভোগ বিলাশ অনন্ত জীবনের প্রাপ্য হ্রাস করে দেয়।

১৬

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নাও, ভবিষ্যতের পথ তৈরি করো।

১৭

জীবন একটি যুদ্ধ, এবং সাহস হলো বিজয়ের মূল চাবিকাঠি।

১৮

জান্নাত যথার্থ জানার পরও দুনিয়াতে আরাম আয়েশ তালাশ করে। শয়তান কে শত্রু জানার পরও তার অনুসরণ করে।

১৯

“বিশ্বাস হলো মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

২০

“আমার লক্ষ্য শুধু সাম্রাজ্য স্থাপন নয়, বরং একটি ন্যায়নিষ্ঠ এবং উন্নত সমাজ গঠন।”

২১

হে মানব সকল! আল্লাহপাক তোমাদিগকে তার আনুগত্যের জন্যই সৃষ্টি করেছেন, তোমরা কিনা অন্যের আনুগত্য করতে উৎসাহ বোধ কর।

২২

“শত্রুতা নয়, বরং সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে দেশ গড়ে তুলি।”

২৩

দুনিয়াকে যে যত বেশী চিনেছে, সে এর দিক থেকে ততবেশী নিস্পৃহ হয়েছে।

২৪

শক্তিশালী অর্থনীতি ছাড়া একটি জাতির কোন ভবিষ্যৎ নেই।

২৫

তুমি যাকে ঘৃণা করো তাকে ভয় করো।

২৬

অতিরিক্ত বিনয় কপটতার চিহ্ন।

২৭

ন্যায়বিচারকে তোমার শাসন পরিচালনা করতে দাও।

২৮

প্রতিশোধের আগুন তার মালিককেও পুড়িয়ে দেয়! তুমি গোত্রের প্রধান হিসেবে তুমি পুড়লে, তোমার চারপাশও পুড়বে।

২৯

যখনই আমরা পূর্বপুরুষদের প্রথা এবং রীতিনীতি ভুলে যাই তখনই সমস্যায় পড়ি।

৩০

আমি আমার বন্ধু এবং আমার শত্রু নিজেই বেছে নিই! কার সাথে বন্ধুত্ব করবো আর কাকে প্রতিপক্ষ বানাবো সেটা আমার পছন্দ।

Author

  • শৈশব থেকেই ইতিহাস, মিথলজি আর শিল্পের অলিগলি আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হতো। ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা সেই বিস্ময়কে পরিণত করেছে ভালোবাসায়। আমি মনে করি, জগতকে বোঝার সেরা উপায় হলো পাঠ করা আর নিজের উপলব্ধিকে প্রকাশ করার সেরা মাধ্যম হলো লেখা। তাই কেবল জানানোর জন্য নয়, বরং লিখতে ভালোবাসি বলেই আমার এই শব্দযাত্রা। নতুনের সন্ধানে বিরামহীন ছুটে চলা আর সেই অভিজ্ঞতার নির্যাসটুকুই আমি এখানে ভাগ করে নিই।

    লেখক ও সম্পাদক, মুখোশ.নেট

    View all posts

Leave a Reply