ওমর খৈয়ামের কবিতা – ২০ টি নির্বাচিত ওমর খৈয়ামের কবিতা অনুবাদ
মদ পিও আর ফুর্তি করো- আমার সত্য আইন এই ! পাপ পুন্যের খোজ রাখি না- স্বতন্ত্র মোর ধর্ম সেই ভাগ্য সাথে বিয়ের দিনে কইনু, “দিব কি যৌতুক?” কইল বধূ “খুশি থেকো, তার বড় যৌতুক সে নেই !”
মদ পিও আর ফুর্তি করো- আমার সত্য আইন এই ! পাপ পুন্যের খোজ রাখি না- স্বতন্ত্র মোর ধর্ম সেই ভাগ্য সাথে বিয়ের দিনে কইনু, “দিব কি যৌতুক?” কইল বধূ “খুশি থেকো, তার বড় যৌতুক সে নেই !”
২৪. প্রাবন্ধিকের মতে, যার চোখে স্বপ্ন নেই সে কী হতে পারে না? (ক) গায়ক (খ) কবি (গ) নাট্যকার (ঘ) ঔপন্যাসিক উত্তর: (খ) কবি ২৫. যেকোনো বিষয়েই কবিতা লেখা যায় যদি মনে থাকে— (ক) আনন্দ (খ) স্বপ্ন (গ) বেদনা (ঘ) ছন্দ উত্তর: (খ) স্বপ্ন
সে নিজে বেশ বুঝতে পারে, এই এক বৎসরে তাহার মনের প্রসারতা এত বাড়িয়া গিয়াছে, এমন একটা নতুনভাবে সে জগৎটাকে, জীবনটাকে দেখিতে আরম্ভ করিয়াছে… সে এটুকু বেশ বোঝে, কলেজে পড়িয়া ইহা হয় নাই, কোনো প্রফেসরের বক্তৃতাতেও না- যাহা কিছু হইয়াছে, এই বড় আলমারি ভরা লাইব্রেরিটার জন্য, সে তাহার কাছে কৃতজ্ঞ। সে যতক্ষণ লাইব্রেরিতে থাকে, ততক্ষণ তাহার খাওয়াদাওয়ার কথা তত মনে থাকে না। এই সময়টা এক একটা খেয়ালের ঘোরে কাটে। খেয়ালমত এক একা বিষয়ে প্রশ্ন জাগে মনে, তাহার উত্তর খুজিতে গিয়া বিকারের রোগীর মত অদম্য পিপাসায় সে সম্বন্ধে যত বই পাওয়া যায় হাতের কাছে- পড়িতে চেষ্টা করে।
আপনাদের সবার জন্যে এই উদার আমন্ত্রণ ছবির মতো এই দেশে একবার বেড়িয়ে যান। অবশ্য উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো মনোহারী স্পট আমাদের নেই, কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না- আপনার স্ফীত সঞ্চয় থেকে উপচে-পড়া ডলার মার্ক কিংবা স্টার্লিংয়ের বিনিময়ে যা পাবেন ডাল্লাস অথবা মেম্ফিস অথবা কালিফোর্নিয়া তার তুলনায় শিশুতোষ!
নিলক্ষা আকাশ নীল, হাজার হাজার তারা ঐ নীলে অগণিত আর নিচে গ্রাম, গঞ্জ, হাট, জনপদ, লোকালয় আছে উনসত্তর হাজার। ধবল দুধের মতো জ্যোৎস্না তার ঢালিতেছে চাঁদ-পূর্ণিমার। নষ্ট ক্ষেত, নষ্ট মাঠ, নদী নষ্ট, বীজ নষ্ট, বড় নষ্ট যখন সংসার তখন হঠাৎ কেন দেখা দেয় নিলক্ষার নীলে তীব্র শিস দিয়ে এত বড় চাঁদ?
তুমি বসন্তের কোকিল। প্রাণ ভরিয়া ডাক, তাহাতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু তোমার প্রতি আনুরোধ সময় বুঝিয়া ডাকিবে।
১০. রাতে মায়ের পাশে লখা কী ভুলে যায়? (ক) খিদের কষ্ট (খ) একুশে ফেব্রুয়ারির কথা (গ) খেলার কথা (ঘ) বন্ধুদের কথা উত্তর: (ক) খিদের কষ্ট ১১. লখার বুক ভয়ে কেঁপে ওঠে কী দেখলে? (ক) কুকুর (খ) ছায়া (গ) শিয়াল (ঘ) অন্ধকার উত্তর: (খ) ছায়া
লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালা স্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো? শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্তত ছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালা দুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে?
আপনি যদি একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, আপনি যদি একজন নারী হন, তাহলে আপনি সবচেয়ে বাজে দারিদ্র্য দেখেছেন। সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলাদেশের পরিবারগুলোতে নারীরাই সবার শেষে খাবার খায়।
৯. 'কাবুলিওয়ালা' গল্পের গল্পকথক পেশায় কী ছিলেন? (ক) লেখক (খ) উকিল (গ) ডাক্তার (ঘ) চিত্রকর উত্তর: (ক) লেখক ১০. কাকে কাককে রামদয়াল কী বলেছিল? (ক) কোয়েল (খ) কৌয়া (গ) কড়িয়া (ঘ) কুহু উত্তর: (খ) কৌয়া ১১. 'কাবুলিওয়ালা' গল্পে কাবুলিওয়ালার মাথায় কী ছিল? (ক) পাগড়ি (খ) রুমাল (গ) মুকুট (ঘ) হ্যাট টুপি উত্তর: (ক) পাগড়ি
রাজা যায়, রাজা আসে। প্রজাও যায়, নতুন প্রজা আসে। কিছুই টিকে থাকে না। ক্ষুধার্ত সময় সবকিছু গিলে ফেলে, তবে গল্প গিলতে পারে না। গল্প থেকে যায়।
অসম্ভব সেই সব মানুষের তৈরি একটা বড় শব্দ যাঁরা অজুহাতেই বাঁচতে চান। নিজেদের ক্ষমতা জানতে চান না, কোনও কিছু বদলাতে চান না। অসম্ভব কোনও ঘটনা নয়, একটা মত। অসম্ভব কেউ ঘোষণা করেনি। এটা সাহস। এটা ক্ষমতা। অসম্ভব অস্থায়ী। অসম্ভব কিছুই না।
পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী বিছানা কি জানেন? তাহলো- হাসপাতালের মৃত্যশয্যা। আপনাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আপনি একজন গাড়ি চালক রাখতে পারেন। আপনার নিযুক্ত কর্মচারীরা আপনার জন্য অনেক টাকা আয় করে দিবে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় সত্য গোটা পৃথিবী চষে, পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়ে দিলেও একজন মানুষও পাবেন না যে আপনার রোগ বয়ে বেড়াবে।
লোকে বলে বোরখা নারীদের বন্দি করে রেখেছে, আমি তো দেখি বোরখা নারীর সুবিধের জন্যই, ইচ্ছে করলেই নিজেকে লুকিয়ে ফেলা যায় বোরখার আড়ালে।
সবাই ভাবে সম্পর্কে সবক্ষেত্রে দুজনের সমান কন্ট্রিবিউশান থাকতে হবে। আমি যেমন তার জন্য এটা করেছি, ওটা করেছি, সে কেন করবে না ? সবকিছু সমান সমান হতে হবে। সবাই মনে করে এতেই বুঝি সম্পর্কটা ভালো থাকে। কিন্তু বিষয়টা তা নয়। দুজনের পক্ষে কখনোই সবকিছুতে সমান কন্ট্রিবিউশান সম্ভব নয়। হয়তো কোথাও একজন ষাট ভাগ করল, অন্যজন চল্লিশ।