নীরবতা নিয়ে উক্তি : নীরবতা নিয়ে ২৫ টি বিখ্যাত উক্তি
পৃথিবীতে মানুষের একে অপরের সাথে কথা বলার যতগুলো ভাষা আছে সেই সকল ভাষার উপরে থাকবে নীরবতার ভাষা । নীরবতা ক্ষেত্র…
পৃথিবীতে মানুষের একে অপরের সাথে কথা বলার যতগুলো ভাষা আছে সেই সকল ভাষার উপরে থাকবে নীরবতার ভাষা । নীরবতা ক্ষেত্র…
তোমারে ফুটাইতে গো আমার চোখের নিচে কালি তোমারে ফুটাইতে গো আমার চোখের নিচে কালি তুমি যেই বাগানের ফুল, আমি সেই বাগানের মালি। তুমি যেই বাগানের ফুল, আমি সেই বাগানের মালি।
জামাত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো বলে তাদের পলিটিক্স ব্যান করতে হবে এটায় আমি বিশ্বাস করি না, কিন্তু জামাতের মস্তবড় অপরাধ আমি মনে করি, তারা তাদের একাত্তরের ভূমিকাতে লজ্জিত নয়। আজকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক সুবিধার জন্য জামাতকে সামনে নিয়ে এসে আওয়ামী লীগ একধরনের পলিটিক্যাল হারিকিরি করছে। সেটা আমাদের বেদনা। আমি বারবার বলেছি আওয়ামী লীগ যখন জিতে তখন শেখ হাসিনা তথা কিছু মুষ্টিমেয় নেতা জিতেন, আর আওয়ামী লীগ যখন হারে গোটা বাংলাদেশ পরাজিত হয়। আমি আওয়ামী লীগের নই, কিন্তু আওয়ামী লীগের পলিটিক্যাল কনটেন্ট আউটলিভ করার মত কোনো পলিটিক্স আমরা তৈরি করতে পারি নি। আওয়ামী লীগ থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ভিন্ন রকম রাজনীতি সৃষ্টি করার চেষ্টা আমরা করেছি-করতে পারি নি।
আগামীকাল থেকে ভালো হয়ে যাবো, আপনাকে দ্বীন বিমুখ রাখতে শয়তানের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী অস্রগুলোর একটা। আগামীকাল যে আপনি কবরের বাসিন্দা হয়ে যাবেন না। এই নিশ্চয়তা আপনাকে কে দিলো। ভালো হওয়ার এখনই সুযোগ, এই মূহূর্ত থেকেই।
চোখের দিকে তাকিয়েই আপনি কখনো মিথ্যা কথা বলতে পারবেন না। এটা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই অন্যদিকে তাকাতে হবে। — হূমায়ুন আহমেদ
আমাদের পুর্বপুরুষদের ইতিহাস বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর জন্য নয়, বরং পুরুষদের বীরত্ব জাগানোর জন্য শোনানো হয়দুর্গজয় এবং সিংহাসন লাভ উদ্দেশ্য নয়, আমাদের ঝান্ডা আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য।
বিচ্ছেদ করার যন্ত্র নয় আমরা কেবল প্রেমের গভীরতা থেকে নজর রাখি। – জর্জ এলিয়ট
যখনই কোন ভগ্নী মস্তক উত্তোলনের চেষ্টা করিয়াছেন, অমনি ধর্মের দোহাই বা শাস্ত্রের বচনরূপ অস্ত্রাঘাতে তাঁহার মস্তক চূর্ণ হইয়াছে। আমরা প্রথমতঃ যাহা মানি নাই, তাহা পরে ধর্মের আদেশ ভাবিয়া শিরোধার্য করিয়াছি। আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ……ঐ ধর্মগ্রন্থগুলিকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রচার করিয়াছেন। এই ধর্মগ্রন্থগুলি পুরুষ রচিত বিধি-ব্যবস্থা ভিন্ন আর কিছুই নহে।
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ জীবনে সফল হতে চায়। কেউ কেউ জীবনে সফল হয় আর কারো জীবনে কেবলই হতাশার গল্প। জীবনের…
নতুন চাকরি পেয়ে কলকাতা এসেছি। সম্পূর্ণ অস্থায়ী চাকরি। যে-কোনো সময়ে, বিনা-কারণে ও বিনা নোটিশে বরখাস্ত হওয়ার সম্ভাবনা। নিয়োগপত্রে এসব শর্ত দেখেও ঘাবড়াইনি একটুও। বন-বিভাগে চাকরি করতাম ষাট টাকায় এখানে পাব একশো তিরিশ টাকা। দ্বিগুণেরও বেশি। এমন সুবর্ণ সুযোগ কোনো নির্বোধ পায়ে ঠেলে দেয় বলে আমার মনে হয় না। আর যাই হোক, আমি দুপায়ে হাঁটি। জঙ্গলে যারা চার পায়ে হাঁটে, তাঁদের পরিবেশে থেকে আমার বুদ্ধিটা লোপ পেয়ে যায়নি। সত্তর টাকা বেশি পাব- এ কি যেমন- তেমন ব্যাপার! বিয়ে করেছি অল্পদিন। এখন দ্বিগুণ টাকারই দরকার। তাছাড়া জঙ্গল ছেড়ে এসেছি শহরে, হিংস্রালয় ছেড়ে লোকালয়ে, আঁধার ছেড়ে আলোকে। এরকম সভ্যসমাজে আসাটাও একটা মস্ত লাভ।
হিঁদুর ধর্ম বেদে নাই, পুরাণে নাই, ভক্তিতে নাই, মুক্তিতে নাই-ধর্ম ঢুকেছেন ভাতের হাঁড়িতে। ইিঁদুর ধর্ম বিচারমার্গেও নয়, জ্ঞানমার্গেও নয়-ছুঁৎমার্গে; আমায় ছুঁয়ো না, আমায় ছুঁয়ো না, ব্যস্। এই ঘোর বামাচার ছুঁৎমার্গে পড়ে প্রাণ খুইও না। 'আত্মবৎ সর্বভূতেষু', কি কেবল পুঁথিতে থাকবে না কি? যারা এক টুকরো রুটি গরীবের মুখে দিতে পারে না, তারা আবার মুক্তি কি দেবে! যারা অপরের নিঃশ্বাসে অপবিত্র হয়ে যায়, তারা আবার অপরকে কি পবিত্র করবে?
দুর্বল লোকেরাই ভাগ্য বিশ্বাস করে এবং ভাগ্য বিশ্বাস করেই তারা আরো দুর্বল হয়ে যায়। -জন ম্যাসফিল্ড
শেষবেলায় খালে এখন পুরো ভাটা। জল নেমে গিয়ে কাদা আর ভাঙা ইটপাটকেল ও ওজনে ভারি আবর্জনা বেরিয়ে পড়েছে। কংক্রিটের পুলের কাছে খালের ধারে লাগানো সালতি থেকে খড় তোলা হচ্ছে পাড়ে। পাশাপাশি জোড়া লাগানো দুটো বড় সালতি বোঝাই আঁটিবাঁধা খড় তিনজনের মাথায় চড়ে গিয়ে জমা হচ্ছে ওপরের মস্ত গাদায়। ওঠানামার পথে ওরা খড় ফেলে নিয়েছে কাদায়। সালতি থেকে ওদের মাথায় খড় তুলে দিচ্ছে দুজন। একজনের বয়স হয়েছে, আধপাকা চুল, রোগা শরীর। অন্যজন মাঝবয়সী, বেঁটে, জোয়ান, মাথায় ঠাসা কদমছাঁটা রুক্ষ চুল। পুলের তলা দিয়ে ভাটার টান ঠেলে এগিয়ে এল সরু লম্বা আরেকটা সালতি, দু-হাত চওড়া হয়নি না হয়। দু-মাথায় দাঁড়িয়ে দুজন প্রৌঢ়া বিধবা লগি ঠেলছে, ময়লা মোটা থানের আঁচল দুজনেরই কোমরে বাঁধা। মাঝখানে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে অল্পবয়সী একটি বৌ। গায়ে জামা আছে, নকশা পাড়ের সস্তা সাদা শাড়ি। আঁটসাঁট থমথমে গড়ন, গোলগাল মুখ।
যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে।
এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে যত অন্যায় কাজ করা হয়েছে তার প্রায় প্রতি টার পেছনেই একটা স্বার্থপর উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া যাবে। এটা এমন একটা বৈশিষ্ট্য যা আমরা অন্যদের মধ্যে উপস্থিত থাকলে ঘৃণা করি করি কিন্তু নিজেদের মধ্যে সমর্থন করি। —স্টিফেন কেন্দ্রিক