হতাশা নিয়ে উক্তি : হতাশা নিয়ে ৩০ টি বিখ্যাত উক্তি
জীবনে চলার পথে প্রতি মুহূর্তে অনেক বাধা বিপত্তি আসবে। সেই বাধা বিপত্তি আমাদের কখনো কখনো হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। তবুও…
জীবনে চলার পথে প্রতি মুহূর্তে অনেক বাধা বিপত্তি আসবে। সেই বাধা বিপত্তি আমাদের কখনো কখনো হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। তবুও…
এই মহাকালের বাস্তবতায় যাচ্ছি ক্রমে ডুবে ডুবে নিজের আড়ালে, নিজেকে লুকিয়ে, হারিয়েছি আমি কবে জানো কি? তোমাদের মাঝে থেকেও নেই, জানো কি তোমরা সবে? কিছু মানুষ মরে যায়, মরে যায় পঁচিশে তারপর মরে গিয়েও বহুকাল বাচে সে কিছু মানুষ মরে যায়, মরে যায় পঁচিশে তারপর মরে গিয়েও বহুকাল বাচে সে
নববিবাহিতা তরুণীরা বাবার বাড়িতে অযথা সময় নষ্ট করে না। এরা দ্রুত অতীত ভুলতে চেষ্টা করে। মেয়েরা তাদের শরীরে সন্তান ধারণ করে। সন্তান ধারণ করে বলেই হয়তো বা প্রকৃতি তাদের ভবিষ্যত্মুখী করে রাখে। অতীত তাদের কাছে পুরোনো গল্পের বইয়ের মতো। যে গল্প একবার পাঠ করা হয়েছে বলে কৌতুহল মরে গেছে। দ্বিতীয়বার পড়তে ইচ্ছে করে না। বইটি হারিয়ে গেলেও ক্ষতি নেই!
কর্মিষ্ঠ লোকের দোষ এই, অন্য লোকের কর্মপটুতার উপরে তাহাদের বড়ো একটা বিশ্বাস থাকে না । তাহাদের ভয় হয়, যে কাজ তাহার নিজে না করিবে সেই কাজ অন্যে করিলেই পাছে সমস্ত নষ্ট করিয়া দেয়।
যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা সিংহের সাথে লড়াই করা কিভাবে শিখবে?
একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য হয়। একটি কুবৃক্ষের কোটরের আগুন থেকে যেমন সমস্ত বন ভস্মীভূত হয়, তেমনি একটি কুপুত্রের দ্বারাও বংশ দগ্ধ হয় । ~ চাণক্য চাণক্য
প্রতিশোধ নেয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার আগে, অন্তত দুটি কবর খুঁড়ে রেখো। ~ কনফুসিয়াস ( প্রাচীন চীনের দার্শনিক)
একটানা খররৌদ্রে ক্ষেত-মাঠ ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। চৈত্রমাস শেষ হয়ে গেল, তবু একফোঁটা জল নেই। এখনো দক্ষিণা হাওয়া কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে মৃদু মর্মর তুলে ঝিরঝিরিয়ে বয়, উদ্দাম হয়ে মৌসুমি সংবাদ আনে না। সময় সময় এমনও হয় যে নারকেল গাছের পাতাটি পর্যন্ত নড়ে না। পত্রঝরা গাছগুলির দিকে তাকিয়ে মনে হয়, এত তীব্র রৌদ্রে পুড়ে পুড়ে হঠাৎ বুঝি তা শুকনো ডালে আগুন ধরে যাবে। প্রকৃতির এই রুক্ষতা নবাগত দ্বারিকানাথ দত্ত চৌধুরীর মেয়ে অনসূয়ার শহুরে প্রাণ উদাসীন করে তোলে; সে প্রেরণা পায় বটে রবি ঠাকুরের গান গাইবার, কিন্তু চাষিদের মুখ ক্রমান্বয়ে আমসি হয়ে আসে। তাদের ঘরে ঘরে মনে মনে নামে দুর্ভাবনার অন্ধকার।
গোরা কহিল," মা,তুমিই আমার মা।যে মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলুম তিনিই আমার ঘরের মধ্যে এসে বসে ছিলেন। তোমার জাত নেই,বিচার নেই,ঘৃণা নেই- শুধু তুমি কল্যাণের প্রতিমা।
“আমার সঙ্গে কি আছে জানিস? পদ্ম। নীলপদ্ম। পাচটা নীলপদ্ম নিয়ে ঘুরছি। কি অপূর্ব পদ্ম। কাউকে দিতে পারছিনা। দেয়া সম্বব নয়. হিমুরা কাউকে নীলপদ্ম দিতে পারে না.” ― হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম, হুমায়ূন আহমেদ
মাঝে মাঝে মানুষ সত্য শুনতে চায় না কারণ তারা চায় না তাদের ভ্রম ধ্বংস হয়ে যাক। — ফ্রেড্রিক নিয়েটজে
মানুষের জীবনে বিশ বছর পর্যন্ত ইচ্ছার রাজত্ব চলে, তিরিশ বছর পর্যন্ত চলে বুদ্ধির বাজত্ব এবং চল্লিশ বছর বয়সে বিচার-বিবেচনার রাজত্ব।
যাদের ক্ষুধার জ্বালা, তাদের কথা না হয় নাই ধরিলাম, কিন্তু যাঁদের সে জ্বালা নাই, তেমন সব ভদ্রলোকেই বা কি সুখে গ্রাম ছাড়িয়া পলায়ন করেন? তাঁরা বাস করিতে থাকিলে ত পল্লীর এত দুর্দশা হয় না!
বৈশাখ মাস বিবাহের মাস। আমি ১লা বৈশাখে নসী বাবুর ফুলবাগানে বসিয়া একটি বিবাহ দেখিলাম। ভবিষ্যৎ বরকন্যাদিগের শিক্ষার্থ লিখিয়া রাখিতেছি। মল্লিকা ফুলের বিবাহ। বৈকাল-শৈশব অবসানপ্রায়, কলিকা-কন্যা বিবাহযোগ্যা হইয়া আসিল। কন্যার পিতা বড়োলোক নহে, ক্ষুদ্র বৃক্ষ, তাহাতে আবার অনেকগুলি কন্যাভারগ্রস্ত। সম্বন্ধের অনেক কথা হইতেছিল, কিন্তু কোনটা স্থির হয় নাই। উদ্যানের রাজা স্থলপদ্ম নির্দোষ পাত্র বটে, কিন্তু ঘর বড়ো উঁচু, স্থলপদ্ম অত দূর নামিল না। জবা এ বিবাহে অসম্মত ছিল না, কিন্তু জবা বড়ো রাগী, কন্যাকর্তা পিছাইলেন। গন্ধরাজ পাত্র ভালো, কিন্তু বড়ো দেমাগ, প্রায় তাঁহার বর পাওয়া যায় না। এইরূপ অব্যবস্থার সময়ে ভ্রমররাজ ঘটক হইয়া মল্লিকা-বৃক্ষসদনে উপস্থিত হইলেন। তিনি আসিয়া বলিলেন, 'গুণ! গুণ! গুণ মেয়ে আছে?'
আমি তোমার কথার সাথে বিন্দুমাত্র একমত না হতে পারি, কিন্তু তোমার কথা বলার অধিকার রক্ষার জন্য আমি জীবন দেবো।