কনফুসিয়াস এর উক্তি : প্রাচীন চীনের দার্শনিক কনফুসিয়াস এর ৫০ টি উক্তি ও বাণী
জ্ঞানী মানুষ কখনো দুই মনের হয় না; পরোপকারী মানুষ কখনই চিন্তা করে না; আর সাহসী মানুষ কখনো ভয় পায় না।
জ্ঞানী মানুষ কখনো দুই মনের হয় না; পরোপকারী মানুষ কখনই চিন্তা করে না; আর সাহসী মানুষ কখনো ভয় পায় না।
হিংসা কখনও একজন মানুষের নিজেকে তুলনা সঙ্গে যোগদান করা হয়; এবং যেখানে কোন তুলনা নেই, কোন হিংসা নেই। – ফ্রান্সিস বেকন
মিথ্যারও মহত্ত্ব আছে। হাজার হাজার মানুষকে পাগল করিয়া দিতে পারে মিথ্যার মোহ। চিরকালের জন্যে সত্য হইয়াও থাকিতে পারে মিথ্যা।
লোকে যদি তোমাতে মুগ্ধ হয়, তাহলে ভেবো না তুমি মুগ্ধকর। আসলে আল্লাহ যে তোমার পাপগুলোকে ঢেকে রেখেছেন, লোকে তোমার ওপর ঝুলানো আল্লাহর সেই পর্দাতে মুগ্ধ। এটা আসলে তুমি না, এটা আল্লাহর দান করা আবরণ। তোমাকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে যাতে তুমি আরও ভালো কাজ করতে পারো এবং এইসব ধ্বংসাত্মক প্রশংসায় আত্মমুগ্ধ হয়ে না পড়ো।
কোরআনের আয়াতকে তাবিজ হিসেবে পরিধান করা যেন সেই অসুস্থ ব্যাক্তির উদাহারণ, যাকে ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়েছেন, কিন্তু তা পড়ে ওষুধ সেবন করার পরিবর্তে সে প্রেসক্রিপশনটিকে গুটিয়ে বলের মত বানিয়ে ছোট্ট থলেতে ভরে গলায় ঝুলিয়ে রাখল এ বিশ্বাসে যে এতেই সে সুস্থ হয়ে যাবে।
প্রতিটি প্রজন্ম নিজেকে তার আগেকার প্রজন্মের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এবং পরবর্তী প্রজন্মের চেয়ে বিজ্ঞ বলে মনে করে।
যখনি তুমি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠো, তখনি তুমি আমার একজন সহ-যোদ্ধা।
বাসা পেলুম কাবুল থেকে আড়াই মাইল দূরে খাজামোল্লা গ্রামে। বাসার সঙ্গে সঙ্গে চাকরও পেলুম। অধ্যক্ষ জিরার জাতে ফরাসি। কাজেই কায়দামাফিক আলাপ করিয়ে দিয়ে বললেন, 'এর নাম আবদুর রহমান। আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।' অর্থাৎ ইনি 'হরফুন-মৌলা' বা 'সকল কাজের কাজি'। জিরার সায়েব কাজের লোক, অর্থাৎ সমস্ত দিন কোনো-না-কোনো মন্ত্রীর দপ্তরে ঝগড়া-বচসা করে কাটান। কাবুলে এরই নাম কাজ। 'ও রভোয়া, বিকেলে দেখা হবে' বলে চলে গেলেন। কাবুল শহরে আমি দুটি নরদানব দেখেছি। তার একটি আবদুর রহমান।
আমরা আমাদের অতীতের স্মৃতিচারণ দ্বারা নয়, আমাদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব দ্বারা জ্ঞানী হয়ে উঠি। … জর্জ বার্নার্ড শ
সকাল বেলা। আটটা কি নয়টা। হরিহরের পুত্র আপন মনে রোয়াকে বসিয়া খেলা করিতেছে, তাহার একটা ছোটো টিনের বাক্স আছে, সেটার ডালা ভাঙা। বাক্সের সমুদয় সম্পত্তি সে উপুড় করিয়া মেঝেতে ঢালিয়াছে। একটা রং-ওঠা কাঠের ঘোড়া, চার পয়সা দামের একটা টোল্-খাওয়া টিনের ভেঁপু-বাঁশি, গোটাকতক কড়ি। এগুলি সে মায়ের অজ্ঞাতসারে লক্ষ্মীপূজার কড়ির চুপড়ি হইতে খুলিয়া লইয়াছিল ও পাছে কেহ টের পায় এই ভয়ে সর্বদা লুকাইয়া রাখে- একটা দু'পয়সা দামের পিস্তল, কতকগুলো শুকনো নাটা ফল। দেখিতে ভালো বলিয়া তাহার দিদি কোথা হইতে অনেকগুলি কুড়াইয়া আনিয়াছিল, কিছু তাহাকে দিয়াছে, কিছু নিজের পুতুলের বাক্সে রাখিয়া দিয়াছে। খানকতক খাপরার কুচি। গঙ্গা-যমুনা খেলিতে এই খাপরাগুলির লক্ষ্য অব্যর্থ বলিয়া বিশ্বাস হওয়ায় সে এগুলি সযত্নে বাক্সে রাখিয়া দিয়াছে, এগুলি তাহার মহামূল্যবান সম্পত্তি এতগুলি জিনিসের মধ্যে সবে সে টিনের বাঁশিটা কয়েকবার বাজাইয়া সেটির সম্বন্ধে বিগত কৌতূহল হইয়া তাহাকে একপাশে রাখিয়া দিয়াছে। কাঠের ঘোড়া নাড়াচাড়া করা হইয়া গিয়াছে। সেটিও একপাশে পিজরাপোলের আসামির ন্যায় পড়িয়া আছে। বর্তমানে সে গঙ্গা-যমুনা খেলিবার খাপরাগুলিকে হাতে লইয়া মনে মনে দাওয়ার উপর গঙ্গা-যমুনার ঘর আঁকা কল্পনা করিয়া চোখ বুজিয়া খাপরা ছুঁইয়া দেখিতেছে তাক ঠিক হইতেছে কি না!
জীবনকে ঘৃণা কোরো না জীবন কে ভালবাসতে শেখো। ভালবাসা দিয়ে এবং ভালবাসা পেয়ে তোমার ক্ষণিক জীবন স্বর্গীয় সুষমায় উদ্ভাসিত করে তোল। ~ জন মিল্টন
পুরুষের ওসব দুর্বলতা থাকেই, দোষটা আসলে মেয়ে লোকটির। দুশ্চরিত্রা হলে এমন অপঘাত মৃত্যু অবধারিত।
গৃহ বলিলে একটা আরাম বিরামের শান্তি-নিকেতন বুঝায়- যেখানে দিবাশেষে গৃহী কর্মক্লান্ত শ্রান্ত অবস্থায় ফিরিয়া আসিয়া বিশ্রাম করিতে পারে। গৃহ গৃহীকে রৌদ্র বৃষ্টি হিম হইতে রক্ষা করে। পশু পক্ষীদেরও গৃহ আছে। তাহারাও স্ব স্ব গৃহে আপনাকে নিরাপদ মনে করে। পিপাসা না থাকিলে জল যেমন উপাদেয় বোধ হয় না, সম্ভবত সেইরূপ গৃহ ছাড়িয়া কতকদিন বিদেশে না থাকিলে গৃহসুখ মিষ্টি বোধ হয় না। পুরুষেরা যদিও সর্বদা বিদেশে যায় না, তবু সমস্ত দিন বাহিরে সংসারক্ষেত্রে থাকিয়া অপরাহ্নে গৃহে ফিরিয়া আসিবার জন্য উৎসুক হয়- বাড়ি আসিলে যেন হাঁফ ছাড়িয়া বাঁচে।
একটু দাঁড়াও। আমার বন্ধু নাসির মোল্লা কোর্টের প্রাঙ্গণে হাঁটতে হাঁটতে হাতে হেঁচকা টান দিয়ে বললে। কী ব্যাপার? ব্যাপার আছে। কোর্টের পেছনে একটা শব্দ শোনা যাচ্ছে। দেখে আসা যাক। আমার তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার কথা। খাজনাসংক্রান্ত একটা মামলা ছিল তার পরের দিন। নচেৎ এখানে এই টন্নি-দালাল উকিল-মোক্তারের দঙ্গলে আর এক তিল দাঁড়াতে মন চায় না। কিন্তু আমার মামলায় তদবির, যুক্তি-পরামর্শ উকিলের দরদস্তুর নাসিরই করে। এদিকে আমার মগজ দৌড়ায় না। অগত্যা মোগলের সঙ্গে খানা খেতে হয়। আমার আরও আপত্তি ছিল অন্য কারণে। আদালতের পেছনে যাওয়া কতটা বিলাত ঘুরে মক্কা আসার মতো। কোর্ট টিলার ওপর। পেছনে যেতে হলে এক ধাপ নিচে নেমে আবার ওপরে উঠতে উঠতে জান খারাপ। রীতিমতো হাঁপানি ধরে যায়।
মদ্যপানও নিষিদ্ধ মুসলমানের জন্যে; তবে মদ'কে শুয়োরমাংসের মতো ঘেন্না করে না তারা, বরং ধনী মুসলমান খুবই ভালোবাসে অ্যালকোহল, গরিবরাও অপছন্দ করে না । মদের বিরুদ্ধে মুসলমান জগতে একটা বড়ো অপপ্রচার চলে ব'লে এই চমৎকার বস্তুটির ভাবমূর্তি বেশ নষ্ট হয়ে গেছে; এবং মুসলমান পরিবারে খামোখা গোলমাল লেগে থাকে।