বাবাকে নিয়ে উক্তি : বাবাকে নিয়ে পৃথিবীর বিখ্যাত উক্তি
একজন বাবা তার সন্তানকে ততটাই ভালো বানাতে চান যতটা তিনি হতে চেয়েছিলেন। -ফ্রাংক এ. ক্লার্ক।
একজন বাবা তার সন্তানকে ততটাই ভালো বানাতে চান যতটা তিনি হতে চেয়েছিলেন। -ফ্রাংক এ. ক্লার্ক।
পৃথিবীর সুন্দরতম জিনিসগুলো হাতে ছোঁয়া যায় না, চোখে দেখা যায় না, সেগুলো একমাত্র হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়- ভালবাসা, দয়া, আন্তরিকতা।
সময় ও নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। মানব জীবনে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ মানুষের জীবনে সময় খুবই সীমিত।…
আমরা পৃথিবীটা ভালো করে দেখি একবারই, সেই ছোটবেলায়। তারপর সারাজীবন সেই পৃথিবী দেখার স্মৃতিচারণ করেই কাটাই।
পৃথিবীতে রাজনীতি থাকবেই। নইলে ওই অসৎ, অপদার্থ, লোভী আর দুষ্ট লোকগুলো কী করবে?
পাকা দুই ক্রোশ পথ হাঁটিয়া স্কুলে বিদ্যা অর্জন করিতে যাই। আমি একা নই-দশ-বারোজন। যাহাদেরই বাটী পল্লিগ্রামে, তাহাদেরই ছেলেদের শতকরা আশিজনকে এমনি করিয়া বিদ্যালাভ করিতে হয়। ইহাতে লাভের অঙ্কে শেষ পর্যন্ত একেবারে শূন্য না পড়িলেও, যাহা পড়ে, তাহাতে হিসাব করিবার পক্ষে এই কয়টা কথা চিন্তা করিয়া দেখিলেই যথেষ্ট হইবে যে, যে ছেলেদের সকাল আটটার মধ্যে বাহির হইয়া যাতায়াতে চার ক্রোশ পথ ভাঙিতে হয়-চার ক্রোশ মানে আট মাইল নয়, ঢের বেশি-বর্ষার দিনে মাথার ওপর মেঘের জল পায়ের নিচে এক হাঁটু কাদা এবং গ্রীষ্মের দিনে জলের বদলে কড়া সূর্য এবং কাদার বদলে ধুলার সাগর সাঁতার দিয়া স্কুল-ঘর করিতে হয়, সেই দুর্ভাগা বালকদের মা-সরস্বতী খুশি হইয়া বর দিবেন কি, তাহাদের যন্ত্রণা দেখিয়া কোথায় যে তিনি লুকাইবেন, ভাবিয়া পান না।
নয়নাকে যে শাড়ি আমি দেবো সে তো নিছক শাড়ি মাত্র নয়। তা আমার ভালোবাসার সুতো দিয়ে বোনা, তাতে যে আমার দুঃখের পাড় বসানো সে শাড়ির আঁচলার জরিতে যে আমার অবুঝ চাওয়া শরতের আলোয় জ্বলবে। সে শাড়ির সমস্ত মসৃণতায় আমি যে আমার নয়নাসোনার সমস্ত শরীরে মিশে থাকবো ছড়িয়ে থাকবো। আমি যে জড়িয়ে থাকবো।
১০০ টি সিংহের দলের নেতা যদি একটি কুকুর হয় তাহলে যুদ্ধে সিংহগুলো কুকুরের মতো মারা যাবে। আর যদি ১০০ টি কুকুরের দলের নেতা যদি একজন সিংহ হয় তাহলে কুকুরগুলো সিংহের মতো যু
পৃথিবিতে সব চেয়ে অসহায় সে, যে নিজের রাগ,অভিমান, কষ্ট কাউকে দেখাতে পারেনা একটু চিৎকার করে কাঁদতে পারেনা শুধু চোখের জল লুকিয়ে হাসে। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
পরশপাথর যেন ছুয়েছি, সোনা হলেম। চুল বাঁধিলাম; ভাল কাপড় পড়িলাম; খোপার ফুল দিলাম; কাঁকালে চন্দ্রহার পরিলাম; কানে দুল দুলিল; বাদন, করুম, চুয়া, পান, গুয়া, সোনার পুত্তলি পর্যন্ত হইল। মনে কর সকলই হইল। তাহা হইলেই বা কি সুখ?
কোথাওই নেই ভালোলাগা শুধুই গাঁদা জীবন্ত ক্ষতই লুকানো যায় না যায় পালা, জীবন তেড়ে বেড়ায় তোমাকে আমায় … তোমাকে আমায়
সমুদ্র? না প্রাচীন ময়াল? পৃথিবী বেষ্টন করে শুয়ে আছে। তার খোলা মুখের বিবরে অন্ধকার। জলের গর্জন।
এই একলা ঘর আমার দেশ আমার একলা থাকার অভ্যেস ভাবি কিছুতেই ভাববো না তোমার কথা বোবা টেলিফোনের পাশে বসে তবু গভীর রাতের অগভীর সিনেমায় যদি প্রেম চায় নাটুকে বিদায় আমি আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছি আবার দেখি চোখ ভিজে যায় কান্নায়
মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙা, তারা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে, যত তরুণ-অরুণ গেছে অস্তাচলে? যারা স্বর্গগত তারা এখনো জানে স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভূমি, আজ স্বদেশব্রতে মহাদীক্ষা লভি সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি। যারা জীর্ণ জাতির বুকে জাগাল আশা, মৌন মলিন মুখে জাগালো ভাষা, আজ রক্তকমলে গাঁথা মাল্যখানি বিজয়লক্ষ্মী দেবে তাদের-ই গলে।।
পড়ালেখার সাথে মানুষের বুদ্ধিমত্তা মেলানোর ব্যাপারটাই আমার পছন্দ না। আপনি একটি ব্যাচেলর ডিগ্রির মালিক হয়েও একজন ইডিয়ট হতে পারেন।