বই পড়া নিয়ে উক্তি : বই নিয়ে ১৫ টি উক্তি
যার একটা গ্রন্থাগার আর অনেকগুলো বই আছে তাকে ভয় পেওনা। ভয় পাও তাকে যার একটাই বই আছে, যেটাকে সে পবিত্র মানে কিন্তু পড়েনা।
যার একটা গ্রন্থাগার আর অনেকগুলো বই আছে তাকে ভয় পেওনা। ভয় পাও তাকে যার একটাই বই আছে, যেটাকে সে পবিত্র মানে কিন্তু পড়েনা।
৪৬. ‘প্রবাস বন্ধু’ ভ্রমণকাহিনিতে ‘নরদানব’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে— ক) অবজ্ঞার্থে খ) তুচ্ছার্থে গ) ব্যঙ্গার্থে ঘ) আদরার্থে উত্তর: গ) ব্যঙ্গার্থে ৪৭. আবদুর রহমানের পরামর্শে লেখক শীতকালটা কোথায় কাটাবেন? ক) দেশে খ) খাজা মোল্লা গ্রামে গ) কাবুলে ঘ) পানশিয়ে উত্তর: ঘ) পানশিয়ে ৪৮. ‘প্রবাস বন্ধু’ লেখাটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? ক) দেশে-বিদেশে খ) চাচা কাহিনী গ) পঞ্চতন্ত্র ঘ) ময়ূর কণ্ঠী উত্তর: ক) দেশে-বিদেশে
ব্রিটেনের রাজা লিয়ার বৃদ্ধ হয়েছেন। তিনি স্থির করেছেন, তাঁর রাজ্য তিন ভাগে ভাগ করে তিন মেয়েকে দান করবেন। বড়ো দুই মেয়ে গনেরিল ও রিগানের বিয়ে হয়েছে আলবেনির ডিউক ও কর্নওয়ালের ডিউকের সঙ্গে। ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়া এখনো কুমারী। ফ্রান্সের রাজকুমার এবং বার্গান্ডির ডিউক- এই দুজনই কর্ডেলিয়ার পাণিপ্রার্থী হয়ে ব্রিটেনে এসেছে। রাজা লিয়ার তাঁর রাজদরবারে আজ সবাইকে ডেকেছেন। তিন মেয়ে, দুই জামাই, কর্ডেলিয়ার দুই পাণিপ্রার্থী, গ্লস্টারের আর্ল, কেন্টের আর্ল এবং আরো অনেকে উপস্থিত হয়েছেন রাজা কী বলেন, তা শোনার জন্য।
আমি চিরদিনই চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দী। আমার পৃথিবী জানলা দিয়ে দেখা। একেই তো খুব রক্ষণশীল বাড়ীর মেয়ে আবার প্রায় তেমন রক্ষণশীল বাড়ীর বৌও। চল্লিশ বছর বয়স পর্যন্ত কেউ জানতো না আসলে ‘আশাপূর্ণা দেবী’ কে? ওটা কোনো পুরুষ লেখকের ছদ্মনাম নয়তো? পরে যখন বাইরের জগতে বেরিয়ে পড়ে সকলের সঙ্গে দেখা-টেখা হয়েছে, অনেকে বলেছেন, এই যেমন সজনীকান্ত দাস, প্রেমেন্দ্র মিত্র, ‘আমরা তো ভাবতাম ওটা বোধহয় একটা ছদ্মনাম। আসলে পুরুষের লেখা। এমন বলিষ্ঠ লেখা।
মানুষকে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও স্নেহ-মহব্বতের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জিনিসপত্র বা বস্তু ব্যবহার করার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। যখন মানুষ বস্তুকে ভালোবাসে এবং মানুষকে ব্যবহার করে, তখন সামাজিক সমস্যা ও ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়।
কালবৈশাখীর সময়টা। আমাদের ছেলেবেলার কথা। বিধু, সিধু, নিধু, তিনু, বাদল এবং আরও অনেকে দুপুরের বিকট গরমের পর নদীর ঘাটে নাইতে গিয়েছি। বেলা বেশি নেই। বিধু আমাদের দলের মধ্যে বয়সে বড়। সে হঠাৎ কান খাড়া করে বললে ঐ শোন আমরা কান খাড়া করে শুনবার চেষ্টা করলাম। কিছু শুনতে বা বুঝতে না পেরে বললাম কী রে? বিধু আমদের কথার উত্তর দিলে না। তখনো কান খাড়া করে রয়েছে। হঠাৎ আবার সে বলে উঠল ঐ-ঐ-শোন- আমরাও এবার শুনতে পেয়েছি-দূর পশ্চিম-আকাশে ক্ষীণ গুড়গুড় মেঘের আওয়াজ। নিধু তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বললে-ও কিছু না- বিধু ধমক দিয়ে বলে উঠল-কিছু না মানে? তুই সব বুঝিস কিনা? বৈশাখ মাসে পশ্চিম দিকে ওরকম মেঘ ডাকার মানে তুই কিছু জানিস? ঝড় উঠবে। এখন জলে নামব না। কালবৈশাখী। আমরা সকলে ততক্ষণে বুঝতে পেরেছি ও কী বলছে। কালবৈশাখীর ঝড় মানেই আম কুড়ানো! বাড়ুয্যেদের মাঠের বাগানে চাঁপাতলীর আম এ অঞ্চলে বিখ্যাত। মিষ্টি কী! এই সময়ে পাকে। ঝড় উঠলে তার তলায় ভিড়ও তেমনি। যে আগে গিয়ে পৌঁছতে পারে তারই জয়। সবাই বললাম- তবে থাক।
ফুলের মেলা পাখির মেলা আকাশ জুড়ে তারার মেলা রোজ সকালে রঙের মেলা সাত সাগরে ঢেউয়ের মেলা।
চীনদেশের রাজা একজন চীনেম্যান, তাঁর আগে-পিছে ডাইনে-বাঁয়ে যত লোক, তারাও সব চীনে। রাজার ছিল এক প্রাসাদ, অমন আর পৃথিবীতে হয় না। বাগানে ফোটে কত আশ্চর্য ফুল; সবচেয়ে যেগুলো দামি তাদের গলায় রুপোর ঘণ্টা বাঁধা, কাছ দিয়ে যদি হেঁটে যাও, ঘণ্টার শব্দে ফিরে তাকাতেই হবে। বুঝলে, রাজার বাগানে সব ব্যবস্থাই চমৎকার। এত বড়ো বাগান, মালি নিজেই জানে না তার শেষ কোথায়। যদি কেবলই হেঁটে চলো, আসবে এক বনের ধারে। কী সুন্দর বন, তাতে মস্ত উঁচু গাছ আর গভীর হ্রদ। বন সোজা সমুদ্রে চলে গেছে, নীল জলের অতল সমুদ্র আর ঝুঁকে-পড়া ডালপালার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক কোকিল। কী মধুর তার গান, এত মধুর যে জেলে মাছ ধরতে এসে হাতের কাজ ফেলে চুপ করে শোনে, যখন শেষ রাতে জাল ফেলতে আসে সে শোনে কোকিলের স্বর।
শতেকের সাথে শতেক হস্ত মিলায়ে একত্রিত সব দেশে সব কালে কালে সবে হয়েছে সমুন্নত। বিপুলা পৃথিবী, প্রসারিত পথ, যাত্রীরা সেই পথে, চলে কর্মের আহ্বানে কোন অনন্ত কাল হতে মানব জীবন! শ্রেষ্ঠ, কঠোর কর্মে সে মহীয়ান, সংগ্রামে আর সাহসে প্রজ্ঞা আলোকে দীপ্তিমান।
১৩. ‘শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব’ প্রবন্ধে আলো-হাওয়ার স্বাদবঞ্চিত মানুষ বলতে কাদেরকে বোঝানো হয়েছে? (ক) অশিক্ষিতদের (খ) অর্থলোভীদের (গ) অনুন্নতদের (ঘ) আত্মিক বিকাশহীনদের উত্তর: (ঘ) আত্মিক বিকাশহীনদের ১৪. ‘শিক্ষিত সমাজের লোলুপ দৃষ্টি আজ অর্থের ওপরই পড়ে রয়েছে।’ উপরে উল্লিখিত বাক্যটির সাথে নিচের কোন রচনা সংগতিপূর্ণ? (ক) নিয়তি (খ) পল্লিসাহিত্য (গ) শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব (ঘ) মমতাতি উত্তর: (গ) শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব
দীর্ঘ সময় ধরে যখন কোনো বন্ধু অবহেলা করে, তখন বুঝতে হবে যে সে আসলে বন্ধুই ছিল না,শুধু অভিনয় করে গিয়েছে। — ভলতেয়ার
আমি একবারই দুঃসাহস দেখাবো , যখন লোকেরা হেঁটে চলবে আর আমি (মারা যাবার পরে) লোকেদের কাঁধে চাপবো।
১৭. ‘উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকের কোন মানসিকতার পরিচয় উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে? (ক) অসাম্প্রদায়িকতার (খ) সত্যবাদিতার (গ) ভ্রাতৃত্ববোধের (ঘ) সাম্যবাদিতার উত্তর: (ঘ) সাম্যবাদিতার ১৮. “আমাদের সেই শক্তিকে ভুলিলে চলিবে না”— এখানে ‘সেই শক্তি’ বলতে কোনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? (ক) ঐশ্বরিক শক্তি (খ) আত্মার শক্তি (গ) কর্মের শক্তি (ঘ) উপেক্ষিত শক্তি উত্তর: (ঘ) উপেক্ষিত শক্তি
ওরে আমার মা-জননী জন্মভূমি বাঙলারে তোর মত আর পুণ্যবতী ভাগ্যবতী বল মা কে ॥ কার চোখে মা নদীর কাজল সবুজ তৃণের আঁচল বুকে কার পায়ে মা ধুলোর নূপুর সন্ধ্যা দুপুর বেজেই চলে। রোজ ভোরে কে শিশির খোঁপায় বকুল যুথীর গন্ধ মাখে কার দুপুরের তন্দ্রা ভেজে ক্লান্ত ঘুঘুর বিলাপ-জলে ॥
এক রাজার সাত রানি। দেমাকে, বড়ো রানিদের মাটিতে পা পড়ে না। ছোটো রানি খুব শান্ত। এই জন্য রাজা ছোটো রানিকে সকলের চাইতে বেশি ভালোবাসিতেন। কিন্তু, অনেক দিন পর্যন্ত রাজার ছেলেমেয়ে হয় না। এত বড়ো রাজ্য, কে ভোগ করিবে? রাজা মনের দুঃখে থাকেন। এইরূপে দিন যায়। কতদিন পরে- ছোটোরানির ছেলে হইবে। রাজার মনে আনন্দ আর ধরে না; পাইক-পিয়াদা ডাকিয়া, রাজা, রাজ্যে ঘোষণা করিয়া দিলেন- 'রাজা রাজভান্ডার খুলিয়া দিয়াছেন, মিঠাইমণ্ডা মণি-মানিক যে যত পারো, আসিয়া নিয়া যাও।'