মৃত্যু নিয়ে উক্তি : মৃত্যু নিয়ে ৪৫ টি বিখ্যাত উক্তি
জীবন যেমন সত্য মৃত্যু ও তেমনই সত্য। জন্ম নিলের মৃত্যুর স্বাদ ও গ্রহণ করতে হবে। মৃত্যু বরাবরই একটি ভীতিকর ব্যাপার।…
জীবন যেমন সত্য মৃত্যু ও তেমনই সত্য। জন্ম নিলের মৃত্যুর স্বাদ ও গ্রহণ করতে হবে। মৃত্যু বরাবরই একটি ভীতিকর ব্যাপার।…
মৌসুমি ফুলের গান মোর কণ্ঠে জাগে নাকো আর চারিদিকে শুনি হাহাকার। ফুলের ফসল নেই, নেই কারও কণ্ঠে আর গান ক্ষুধার্ত ভয়ার্ত দৃষ্টি প্রাণহীন সব মুখ ম্লান।
কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না! দুটো কথা শোনো দিকি, এই নাও — এই চকচকে, ছোটো, নতুন রুপোর সিকি। ছোকানুর কাছে দুটো আনি আছে, তোমায় দিচ্ছি তাও, আমাদের যদি তোমার সঙ্গে নৌকায় তুলে নাও।
মানুষ যখন হাসে তখন তার সঙ্গে সমস্ত পৃথিবী হাসে। কিন্তু সে যখন কাঁদে, তার সঙ্গে আর কেউ কাঁদে না। কাঁদতে হয় একা একা।
৩০. 'প্রাণ' কবিতায় উল্লিখিত ধরায় কিসের খেলা চিরতরঙ্গিত? (ক) প্রাণের (খ) মানুষের (গ) প্রকৃতির (ঘ) সৃষ্টির উত্তর: (ক) প্রাণের ৩১. কবি কোথায় অমর আলয় রচনা করতে চেয়েছেন? (ক) স্বর্গে (খ) পৃথিবীতে (গ) পুষ্পিত কাননে (ঘ) মানুষের মাঝে উত্তর: (ঘ) মানুষের মাঝে ৩২. কবি মানব-হৃদয়ে কীভাবে ঠাঁই পেতে চেয়েছেন? (ক) ভালোবাসায় (খ) সৃষ্টির মাধ্যমে (গ) ফুল ফুটিয়ে (ঘ) সংগীতের সাহায্যে উত্তর: (খ) সৃষ্টির মাধ্যমে
এই গাঁয়ের এক চাষার ছেলে লম্বা মাথার চুল, কালো মুখেই কালো ভ্রমর, কিসের রঙিন ফুল! কাঁচা ধানের পাতার মতো কচি-মুখের মায়া, তার সাথে কে মাখিয়ে দেছে নবীন তৃণের ছায়া। জালি লাউয়ের ডগার মতো বাহু দুখান সরু, গা খানি তার শাওন মাসের যেমন তমাল তরু।
শাস্ত্রের অর্থ না বুঝিয়া অথবা ভুল অর্থ বুঝিয়া কিংবা অভিপ্রেত সিদ্ধির নিমিত্ত স্বেচ্ছানুরূপ অর্থান্তর কল্পনা করিয়া, শাস্ত্রের দোহাই দিয়া যথেচ্ছাপ্রবৃত্ত বহুবিধবাকাণ্ড বৈধ বলিয়া প্রচার করিলে নিরপরাধ শাস্ত্রকারদিগকে নরকে নিক্ষিপ্ত করা হয়।
১৮. 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে— (ক) জীবনের মূল্যবোধ (খ) বৈরাগ্যের জীবন (গ) স্বদেশপ্রেম (ঘ) জীবনের আকাঙ্ক্ষা উত্তর: (ক) জীবনের মূল্যবোধ ১৯. জীবাত্মা কী নয়? (ক) অনিত্য (খ) নিত্য (গ) রঙিন (ঘ) অসীম উত্তর: (ক) অনিত্য ২০. কবি 'সংসার সমরাঙ্গন' বলতে কী বুঝিয়েছেন? (ক) যুদ্ধক্ষেত্রকে (খ) জীবনযুদ্ধকে (গ) প্রতিরোধ যুদ্ধকে (ঘ) অস্তিত্বকে উত্তর: (খ) জীবনযুদ্ধকে
যার মুখে সারাক্ষন হাসি লেগে থাকে, সে নিজের ভিতর এমন এক কঠোর মনোভাবকে লুকিয়ে রেখেছে যা ভীষন ভয়ঙ্কর হয়ে থাকে। -গ্রেটা গার্বো
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে— এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে; হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়; হয়তো বা হাঁস হবো- কিশোরীর ঘুঙুর রহিবে লাল পায়, সারাদিন কেটে যাবে কলমির গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে; আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
এক দেশে ছিলেন এক বাদশাহ। হাতি-ঘোড়া সেপাই-সান্ত্রি কোনোকিছুরই তাঁর অভাব ছিল না। বাদশাহর নাম শমশের আলীজান। কোনো এক সময় বাদশাহ খুব অসুবিধায় পড়লেন। তাঁর নামের সঙ্গে মিলে যায় রাজ্যে এমন লোকের সংখ্যা নিতান্ত কম নয়। ছুতোর, কামার, গাছকাটা শিউলি এদের সকলের নামও শমশের। গোটা রাজ্য শমশেরময় হয়ে আছে এককথায়। তাই বাদশাহ একদিন উজির-নাজির, পাত্র-মিত্র, সভাসদ সবাইকে ডেকে দরবারে ঘোষণা করলেন- আমার ক্ষমতা তোমাদের সকলের চেয়ে খুব কম করে হলেও তিন গুণ বেশি; সুতরাং আজ থেকে আমার নামকে তিন দিয়ে গুণ করে ঠিক এইভাবে উচ্চারণ করতে হবে- শমশের শমশের শমশের আলীজান এই ঘোষণায় বিশেষ করে উজির আক্কেল আলী খুব খুশি হলেন। তিনি বললেন, 'বাদশাহ নামদার দীর্ঘজীবী হউন।'
স্কুল থেকে বেরিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে ফিরতে সেদিন সন্ধ্যা হয়ে গেল, ছোট্ট একটি গলির ভেতর দিয়ে আসছিল খোকা, অন্ধকার হয়ে এসেছে, গলির ভেতরটাতে আরো অন্ধকার, এদিকটায় গ্যাসবাতি জ্বলে, আর সেই গ্যাসের আবছা আলোয় পথ চিনে যেতে বেশ অসুবিধে। গলির মাঝামাঝি এসেই হঠাৎ কী একটা শব্দ এল তার কানে, থমকে দাঁড়ায় খোকা। এক মিনিট মাত্র, তারপরই একটা অসম্ভব চিন্তায় বুকটা তার ধড়াস করে উঠল, ভয়ে হাঁটু দুটো কাঁপছে তার। সে ভাবতে লাগল, কী করবে? কী তার করা উচিত? ইতস্তত করতে লাগল খোকা। কিন্তু বেশিক্ষণ এই অবস্থা রইল না। ধীরে ধীরে মনে সাহস ফিরিয়ে আনল সে। তার মনে হলো- এই মুহূর্তে সে যেন একটা বিরাট কর্তব্য করতে যাচ্ছে। অসীম সাহসে বুক বেঁধে সে পা টিপে টিপে এগোলো।
২৩. কপোতাক্ষ নদ প্রজা হিসেবে রাজরূপী কাকে কর দেয়? ক) কবিকে খ) কবির জন্মভূমিকে গ) সাগরকে ঘ) গ্রামীণ প্রকৃতিকে উত্তর: গ) সাগরকে ২৪. অষ্টক কাকে বলে? ক) চতুর্দশপদী কবিতার পরবর্তী আট চরণের স্তবককে খ) চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম ছয় চরণের স্তবককে গ) চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম আট চরণের স্তবককে ঘ) চতুর্দশপদী কবিতার পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে উত্তর: গ) চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম আট চরণের স্তবককে
সাম্যের গান গাই— আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই। বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ বেদনা অশ্রুবারি অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী।
ভরা মৌসুমে বাংলার চাষির হাতে যখন পাট থাকে তখন ব্যবসায়ীরা চক্রান্ত করে পাটের মুল্য কমিয়ে রাখে অথচ চাষি ভাইদের হাত থেকে পাট চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাটের মুল্য বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মের অবসান করতে হবে।