Pasoori Lyrics | Ali Sethi, Shae Gill | Coke Studio
Agg lavan majboori nu Aan jaan di pasoori nu Zehar bane haan teri Pee jaavan main poori nu
Agg lavan majboori nu Aan jaan di pasoori nu Zehar bane haan teri Pee jaavan main poori nu
বাঙালির মধ্যে তোমার মত লোক যত বাড়বে ঘুমন্ত জাতটা ততই জাগবে। এরা পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে গলায় তুলসীর মালা পরে পরকালের জন্য তৈরি হয়– দেখছ না আমাদের গায়ের দশা? ইহকালই দেখলি নে তোদের পরকালে কি হবে বাপু? সেখানেও সেই ভূতের ভয়। পরকালে নরকে যাবে। তুমি কি ভাবো অকর্মা, অলস, ভীরু লোকদের স্বর্গে জায়গা দেন নাকি ভগবান?
ডাকাত যেমন গরীবের বাড়িতে ডাকাতি করতে যায়না তেমনি শয়তানও ভালো মানুষ ছারা খারাপ মানুষকে ধোঁকা দেয় না।
দুঃখ বাইরে থেকে আসে আর মন খারাপ টা নিজের মধ্যে জন্মায়। মন খারাপেরও সুখ আছে, ওটা যেন সুখেরই ছড়িয়ে পড়া চেহারা। সুখ জ্বলজ্বলে রঙ, সূর্যাস্তের আকাশের মত, এখানে লাল ওখানে সোনালী, আরো দূরে হলদে। কিন্তু মাঝে ফাঁকা অনেকটাই ফাঁকা। তারপর ওসব যখন মুছে যায় আর সমস্তটা আকাশ জুড়ে কেবল একটা ছায়া রঙ ছাই রঙ না রঙ থাকে, মনখারাপ ও সমস্ত মন ভরে সেইরকম। আর দুঃখ? যাতে গলা শুকোয়, কথা ফোটেনা ভয় করে।
দুই ধরণের চোখ রয়েছে, দেহের চোখ ও আত্মার চোখ। দেহের চোখ মাঝে মাঝে ভুলতে পারে, কিন্তু আত্মার চোখ সবসময় স্মরণ করে।
জ্যোৎস্না আরো ফুটিয়াছে, নক্ষত্রদল জ্যোৎস্নালোকে প্রায় অদৃশ্য, চারিধারে চাহিয়া মনে হয় এ সে পৃথিবী নয় এতদিন যাহাকে জানিতাম, এ স্বপ্নভূমি, এই দিগন্তব্যাপী জ্যোৎস্নায় অপার্থিব জীবেরা এখানে নামে গভীর রাত্রে, তারা তপস্যার বস্তু, কল্পনা ও স্বপ্নের বস্তু, বনের ফুল যারা ভালবাসে না, সুন্দরকে চেনে না, দিগ্বলয়রেখা যাদের কখনো হাতছানি দিয়া ডাকে নাই, তাদের কাছে এ পৃথিবী ধরা দেয় না কোনো কালেই।
"সে যখন বললো, 'ভাইসব।'অমনি অরণ্যের এলোমেলো গাছেরাও সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে গেল। সে যখন ডাকলো 'ভাইয়েরা আমার। ভেঙে যাওয়া পাখির ডাক নেমে এলো পৃথিবীর ডাঙায়।” ~ আল মাহমুদ
সৃষ্টিকর্তা বা প্রকৃতি প্রতিটি ছেলেমেয়েকে পাঁচটি অদৃশ্য নীলপদ্ম দিয়ে পৃথিবীতে পাঠান। সে যদি কাউকে ভালোবাসে তবে তার নীলপদ্মগুলো তার ভালোবাসার মানুষকে দিয়ে দেয় এবং এরপর সে আর কাউকে ভালোবাসতে পারে না।
আকাশের নক্ষত্ররাজির দিকে তাকাও, কখনো তোমার পায়ের দিকে নয়। তুমি যা দেখছ তা উপলব্ধি করার চেষ্টা কর এবং বিস্ময়াভূত হও যে সমগ্র বিশ্ব কেমন করে টিকে আছে। কৌতুহলী হতে শেখো।
যাহাকে ভালবাস, তাহাকে নয়নের আড় করিও না। যদি প্রেমবন্ধান দৃঢ় রাখিবে, তবে সূতা ছোট করিও। বাঞিতকে চোখে চোখে রাখিও। অদর্শনে কত বিষময় ফল ফলে। যাহাকে বিদায় দিবার সময়ে কত কাঁদিয়াছ, মনে করিয়াছ, বুঝি তাহাকে ছাড়িয়া দিন কাটিবে না,_-কয় বসর পরে তাহার সহিত আবার যখন দেখা হইয়াছে, তখন কেবল জিজ্ঞাসা করিয়াছ-“ভাল আছ ত?
সেই ব্যক্তিই আশীর্বাদ প্রাপ্ত যে কিনা প্রত্যাশা করেন এবং সে কারণে তার কোনো দুঃখ কষ্টও থাকে না। -জোনাথন সুইফট
কেবল মায়েরাই ভবিষ্যতের কথা ভাবতে পারে কারণ তারা তাদের সন্তানদের মধ্যেই এটির জন্ম দেয়। ~ ম্যাক্সিম গোর্কি(মা)
শোন রেমি, শরীরের কোন দোষ হয় না। শরীর তো একটা নিরপেক্ষ জিনিস। মন যেভাবে চালায় সে সেইভাবে চলে। তোমার শরীরটা কী করেনি সেটা বড় কথা নয়। তোমার মন তো টলেছে। সেটাই আসল কথা।
প্রথম যখন আগ্রা গিয়েছিলাম তাজমহল দেখতেই গিয়েছিলাম। প্রথম দর্শনের সে বিস্ময়টা এখনও মনে আছে। ট্রেন তখনও আগ্রা স্টেশনে পৌঁছায়নি। একজন সহযাত্রী বলে উঠলেন- ওই যে তাজমহল দেখা যাচ্ছে। তাড়াতাড়ি জানালা দিয়ে মুখ বাড়ালাম। ওই যে- দূর থেকে দিনের আলোয় তাজমহল দেখে দমে গেলাম। চুনকাম-করা সাধারণ একটা মসজিদের মতো- ওই তাজমহল। তবু নির্নিমেষে চেয়ে রইলাম। হাজার হোক তাজমহল। শাহজাহানের তাজমহল। ... অবসন্ন আপরাহে বন্দি শাহজাহান আগ্রা দুর্গের অলিন্দে বসে এই তাজমহলের দিকেই চেয়ে থাকতেন। মমতাজের বড় সাধের তাজমহল।... আলমগীর নির্মম ছিলেন না। পিতার ইচ্ছা অপূর্ণ রাখেন নি তিনি... মহাসমারোহে মিছিল চলেছে... সম্রাট শাহজাহান চলছেন প্রিয়া সন্নিধানে? আর বিচ্ছেদ সইল না... শবাধার ধীরে ধীরে নামছে ভূগর্ভে ... ওই তাজমহলেই মমতাজের ঠিক পাশে শেষ-শয্যা প্রস্তুত হয়েছে তাঁর। আর একটা কবরও ছিল... হয়ত এখনও আছে... ওই তাজমহলেরই পাশে। দারা সেকোর ... চুনকাম-করা সাধারণ মসজিদের মতো তাজমহল দেখতে দেখতে মিলিয়ে গেল।
আমারা হাতটি কফিনের বাইরে বের করে রাখবে। কারণ আমি বিশ্বকে জানাতে চাই- আমি পৃথিবীতে শূন্য হাতে এসেছিলাম; আবার যাওয়ার সময় শূন্য হাতেই ফিরে যাচ্ছি।