আত্মহত্যা নিয়ে উক্তি : আত্মহত্যা নিয়ে ২০ টি বিখ্যাত উক্তি
আত্মহত্যা খারাপ এর সম্মুখীন হওয়ার হারকে কমিয়ে দেয় না, বরং আপনার জীবন থেকে ভালো কথাটি মুছে দেয়। – ভিক টুয়েনটিস
আত্মহত্যা খারাপ এর সম্মুখীন হওয়ার হারকে কমিয়ে দেয় না, বরং আপনার জীবন থেকে ভালো কথাটি মুছে দেয়। – ভিক টুয়েনটিস
ধনুকের মতো বাঁকা কংক্রিটের পুলটির পরেই বাড়িটা। দোতলা, উঁচু এবং প্রকাণ্ড বাড়ি। তবে রাস্তা থেকেই সরাসরি দণ্ডায়মান। এদেশে ফুটপাত নাই বলে বাড়িটারও একটু জমি ছাড়ার ভদ্রতার বালাই নাই। তবে সেটা কিন্তু বাইরের চেহারা। কারণ, পেছনে অনেক জায়গা। প্রথমত প্রশস্ত উঠোন। তারপর পায়খানা-গোসলখানার পরে আম-জাম-কাঁঠাল গাছে ভরা জঙ্গলের মতো জায়গা। সেখানে কড়া সূর্যালোকে ও সূর্যাস্তের স্নান অন্ধকার এবং আগাছায় আবৃত মাটিতে ভ্যাপসা গন্ধ। অত জায়গা যখন তখন সামনে কিছু ছেড়ে একটা বাগান করলে কী দোষ হতো? সে-কথাই এরা ভাবে। বিশেষ করে মতিন। তার বাগানের বড় শখ, যদিও আজ পর্যন্ত তা কল্পনাতেই পুষ্পিত হয়েছে। সে ভাবে, একটু জমি পেলে সে নিজেই বাগানের মতো করে নিতো। যত্ন করে লাগাতো মৌসুমি ফুল, গন্ধরাজ-বকুল-হাস্নাহেনা, দু-চারটে গোলাপও। তারপর সন্ধ্যার পর আপিস ফিরে সেখানে বসতো। একটু আরাম করে বসবার জন্যে হাল্কা বেতের চেয়ার বা ক্যানভাসের ডেকচেয়ারই কিনে নিতো। তারপর গা ঢেলে বসে গল্প-গুজব করতো। আমজাদের হুকোর অভ্যাস। বাগানের সম্মান বজায় রেখে সে না হয় একটা মানানসই নলওয়ালা সুদৃশ্য গুড়গুড়ি কিনে নিতো। কাদের গল্প-প্রেমিক। ফুরফুরে হাওয়ায় তার কণ্ঠ কাহিনিময় হয়ে উঠতো। কিংবা পুষ্পসৌরভে মদির জ্যোৎস্নারাতে গল্প না করলেই বা কী এসে যেতো? এমনিতে চোখ বুজে বসেই নীরবে সান্ধ্যকালীন স্নিগ্ধতা উপভোগ করতো তারা।
কেউই পারে না আপনার অশ্রুর মূল্য দিতে। কেউ যদি পারে , তবে সে কখনোই আপনাকে কাঁদায় না !
খাজার নামে পাগল হইয়া ঘুরি আমি আজমির গিয়া রে খাজার নামে পাগল হইয়া ঘুরি আমি আজমির গিয়া রে
একটি ক্ষুধার্ত পেট, একটি খালি পকেট, একটি ভাঙা হৃদয় যা শিক্ষা দেয়, পৃথিবীর কোন বই সেই শিক্ষা দিতে পারবে না। ~ রবিন উইলিয়ামস
নির্বোধের বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাক। কারণ, সে উপকার করতে চাইলে ও তার দ্বারা তোমার ক্ষতি হয়ে যাবে। ~ হয়রত আলী (রাঃ)
আমার বন্ধু মহা জাদু জানে, জাদু জানে, জাদু জানে রে আমার বন্ধু মহা জাদু জানে লাগাইয়া পিরিতের ডুরি আলগা থাকি টানে রে লাগাইয়া পিরিতের ডুরি আলগা থাকি টানে রে আমার বন্ধু মহা জাদু জানে
যখন কোন নতুন জায়গায় যাইবেন পয়লা দুইটা জিনিস জানার চেষ্টা করবেন, ওই জায়গার মানুষ কি খায় আর পড়ালেখা কি করে। কী পরে আর কী খায় এই দুইটা জিনিস না জানলে একটা জাতির কোন কিছু জানন যায় না।
বীরসিংহ গ্রামে আমার জন্ম হয়। আমি জনক জননীর প্রথম সন্তান। বীরসিংহের আধ ক্রোশ অন্তরে, কোমরগঞ্জ নামে এক গ্রাম আছে; ঐ গ্রামে, মঙ্গলবারে ও শনিবারে, মধ্যাহ্নসময়ে হাট বসিয়া থাকে। আমার জন্মসময়ে পিতৃদেব বাটীতে ছিলেন না; কোমরগঞ্জে হাট করিতে গিয়াছিলেন। পিতামহদেব তাঁহাকে আমার জন্মসংবাদ দিতে যাইতেছিলেন; পথিমধ্যে, তাঁহার সহিত সাক্ষাৎ হইলে, বলিলেন, "একটি এঁড়ে বাছুর হইয়াছে।" এই সময়ে, আমাদের বাটীতে, একটি গাই গর্ভিণী ছিল; তাহারও আজ কাল, প্রসব হইবার সম্ভাবনা। এজন্য, পিতামহদেবের কথা শুনিয়া, পিতৃদেব মনে করিলেন, গাইটি প্রসব হইয়াছে। উভয়ে বাটীতে উপস্থিত হইলেন। পিতৃদেব, এঁড়ে বাছুর দেখিবার জন্য, গোয়ালের দিকে চলিলেন। তখন পিতামহদেব হাস্যমুখে বলিলেন, "ও দিকে নয়, এ দিকে এস; আমি তোমায় এঁড়ে বাছুর দেখাইয়া দিতেছি।" এই বলিয়া, সূতিকাগৃহে লইয়া গিয়া, তিনি এঁড়ে বাছুর দেখাইয়া দিলেন।
ধর্ম কোনো মতবাদ নয়, কোনো পৌরহিত্য নয়, কোনো অনুষ্ঠান নয়, বরং ধর্ম এমন একটি জীবনবিধান যা মানুষকে বিজ্ঞানের যুগেও তার দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত করে এবং তার প্রতীতিকে দৃঢ় সক্ষম করে দেয়, যার ফলে সে সত্যোপলব্ধিতে সক্ষম হয়ে উঠে।
“যখন কাউকে ভালোবাসবে, তখন তা যেন গভীর সমুদ্রের মতো বিশাল আর অকপট হয়। এর চেয়ে কম ভালোবাসা অর্থহীন।” — হুমায়ুন ফরীদি
সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়, মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া। স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। তাদের কাজ নিজের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলা নয়, অপরের সার্থকতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা। প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি বলে এরা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। এদের একমাত্র দেবতা অহংকার। তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ। ব্যক্তিগত অহংকার, পারিবারিক অহংকার, জাতিগত অহংকার- এ সবের নিশান ওড়ানোই এদের কাজ। মাঝে মাঝে মানবপ্রেমের কথাও তারা বলে। কিন্তু তাতে নেশা ধরে না, মনে হয় আন্তরিকতাশূন্য, উপলব্ধিহীন বুলি।
ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারবে কিন্তু ওরা আমার ভাবনাকে মারতে পারবেনা। ওরা আমার শরীরকে দুমড়ে মুচড়ে দিতে পারবে, কিন্তু ওরা আমার আত্মাকে শেষ করতে পারবে না।
কোনো চালাকি করলে চারটা পিস্তল আছে, আমার কাছে যাওয়ার আগেই এগুলো দিয়ে আমি সুইসাইড করব। দিস ইজ মাই প্রমিজ।
সব লোকে কয় লালন কি জাত এ সংসারে লালন বলে জাতের কি রূপ দেখলাম না এই নজরে।