লর্ড বায়রনের উক্তি : রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবির ৩০ টি বিখ্যাত উক্তি
যখন সম্ভব হয় হাসুন, কারণ এটি হলো সবচেয়ে সস্তা ঔষধ।
যখন সম্ভব হয় হাসুন, কারণ এটি হলো সবচেয়ে সস্তা ঔষধ।
যে অল্প লইয়া সুখী সেই ভাগ্যবান, আর বিত্তশালী হইয়াও যে অসুখী সে দুর্ভাগাই বটে।
শোনেন, শোনেন গ্রামবাসী, শোনেন দিয়া মন এই প্রেমের ঘটনা বড় জানা প্রয়োজন স্বাধীন হওয়া ভালোবাসা ধরলো গানের সুর সেই সুরের নেশাতের মনে ফুটল প্রেমের ফুল ফুল আর সুরে হইয়া গেল কানাকানি মন লেনদেন হইলো সাকি আসমানওজমিন পানি মন লেন-দেন কইরা তারা গলায় ধরলো গান সেই গানের সুরে সবাই মিলাইলো রে প্রাণ সেই গানের সুরে সবাই মিলাইলো রে প্রাণ সেই গানের সুরে সবাই মিলাইলো রে প্রাণ
কেউ কারো মতো হতে পারে না। সবাই হয় তার নিজের মতো। তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমার চাচার বা বাবার মতো হতে পারবে না। সব মানুষই আলাদা।
আসলে যে-কোনো মানুষেরই, বেঁচে থাকার জন্যে সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন, তা তার নিজেকে। নিজেকে নিজে একটু সময় না দিলে, ভাল না বাসলে, দিনান্তে আয়নার সামনে একবারও না দাঁড়িয়ে ভালবেসে নিজের মুখের দিকে না চাইলে তার অন্যর বা অন্যদের জন্যে প্রাণাতিপাত পরিশ্রম করার মানে হয় না কোন। আসলে, প্রত্যেক মানুষের জীবনেই বোধ হয় সে নিজেই কেন্দ্রবিন্দু। সে আছে, তাইই তার চারধার ঘিরে অন্যান্য সব সম্পর্ক আছে।
মৃত্যু বোধহয় আমাদের একে অন্যের কাছে টেনে আনে। সমস্ত জীবন নিজেদের আত্মম্ভরিতা, নিজেদের ঠুনকো মান, সম্মান, অভিমান নিয়ে আমরা সহজে অন্যের থেকে দূরে থাকতে পারি, কিন্তু মৃত্যু এসে এই সমস্ত মন গড়া ব্যবধান সরিয়ে দেয় - তখন প্রত্যেকেই মনে করি, কি হত কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করলে? কি হত নিজেকে অন্যের কাছে একটু ছোট করলে? দুঃখের কথা এই যে, অন্যজন তার বা তাদের জীবদ্দশায় আমাদের এই সহজ কান্না দেখে যেতে পারে না। মরবার সময়ও বুক ভরা ব্যথা নিয়ে মরতে হয়।
পুত্রকে যারা পড়ান না, সেই পিতামাতা তার শত্রু। হাঁসদের মধ্যে বক যেমন শোভা পায় না, সভার মধ্যে সেই মূর্খও তেমনি শোভা পায় না।
ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল। বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না। আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে, শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে অন্যায় সমালোচনা হচ্ছে আড়াল করা প্রশংসা। যার অর্থ হচ্ছে তুমি কারো হিংসা এবং পরশ্রীকাতরতার কারণ হয়েছ। মনে রেখো মরা কুকুরকে কেউ কখনো লাথি দেয় না - ডেল কার্নেগি
আমি বলি, এই যারা ক্রিকেটে দেশপ্রেম দেশপ্রেম বলে চিৎকার করে, এরা সবাই যদি একদিন রাস্তায় কলার খোসা ফেলা বন্ধ করত, একটা দিন রাস্তায় থুতু না ফেলত বা একটা দিন ট্রাফিক আইন মানত, দেশ বদলে যেত। এই এনার্জি ক্রিকেটের পেছনে ব্যয় না করে নিজের কাজটা যদি সততার সঙ্গে একটা দিনও সবাই মানে, সেটাই হয় দেশপ্রেম দেখানো।
মোটামুটি সবাই দুর্দশার সময় দাড়াতে পারে তবে তুমি যদি তার ব্যক্তিত্বের পরিক্ষা নিতে চাও তবে তাকে ক্ষমতা দাও। — আব্রাহাম লিংকন
ওহও তোমায় আমি পাইতে পারি বাজি ওহও তোমায় আমি পাইতে পারি বাজি হে তোমায় আমি পাইতে পারি বাজি তোমায় আমি পাইতে পারি বাজি বাজি বাজি বাজি হে তোমায় আমি পাইতে পারি বাজি বাজি বাজি বাজি
তোমাকে ভালোবেসে যেতে চাই তোমাকে আরো পাশে পেতে চাই তোমাকে ভালোবেসে যেতে চাই তোমাকে আরো কাছে পেতে চাই কত কি আর বলি তোমার নামে
আত্মহত্যা খারাপ এর সম্মুখীন হওয়ার হারকে কমিয়ে দেয় না, বরং আপনার জীবন থেকে ভালো কথাটি মুছে দেয়। – ভিক টুয়েনটিস
ধনুকের মতো বাঁকা কংক্রিটের পুলটির পরেই বাড়িটা। দোতলা, উঁচু এবং প্রকাণ্ড বাড়ি। তবে রাস্তা থেকেই সরাসরি দণ্ডায়মান। এদেশে ফুটপাত নাই বলে বাড়িটারও একটু জমি ছাড়ার ভদ্রতার বালাই নাই। তবে সেটা কিন্তু বাইরের চেহারা। কারণ, পেছনে অনেক জায়গা। প্রথমত প্রশস্ত উঠোন। তারপর পায়খানা-গোসলখানার পরে আম-জাম-কাঁঠাল গাছে ভরা জঙ্গলের মতো জায়গা। সেখানে কড়া সূর্যালোকে ও সূর্যাস্তের স্নান অন্ধকার এবং আগাছায় আবৃত মাটিতে ভ্যাপসা গন্ধ। অত জায়গা যখন তখন সামনে কিছু ছেড়ে একটা বাগান করলে কী দোষ হতো? সে-কথাই এরা ভাবে। বিশেষ করে মতিন। তার বাগানের বড় শখ, যদিও আজ পর্যন্ত তা কল্পনাতেই পুষ্পিত হয়েছে। সে ভাবে, একটু জমি পেলে সে নিজেই বাগানের মতো করে নিতো। যত্ন করে লাগাতো মৌসুমি ফুল, গন্ধরাজ-বকুল-হাস্নাহেনা, দু-চারটে গোলাপও। তারপর সন্ধ্যার পর আপিস ফিরে সেখানে বসতো। একটু আরাম করে বসবার জন্যে হাল্কা বেতের চেয়ার বা ক্যানভাসের ডেকচেয়ারই কিনে নিতো। তারপর গা ঢেলে বসে গল্প-গুজব করতো। আমজাদের হুকোর অভ্যাস। বাগানের সম্মান বজায় রেখে সে না হয় একটা মানানসই নলওয়ালা সুদৃশ্য গুড়গুড়ি কিনে নিতো। কাদের গল্প-প্রেমিক। ফুরফুরে হাওয়ায় তার কণ্ঠ কাহিনিময় হয়ে উঠতো। কিংবা পুষ্পসৌরভে মদির জ্যোৎস্নারাতে গল্প না করলেই বা কী এসে যেতো? এমনিতে চোখ বুজে বসেই নীরবে সান্ধ্যকালীন স্নিগ্ধতা উপভোগ করতো তারা।