Na Bola Kotha Lyrics | না বলা কথা লিরিক | Shamiul Shezan
যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার
যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার যদি ভয় হয় তোমার মনে কর আমায় আজও ছায়া হয়ে পাশে আছি তোমার
পুস্তকের শ্রেণিবদ্ধ সংগ্রহকে লাইব্রেরি বা গ্রন্থাগার বলা হয়। সকল প্রকার জ্ঞানকে একত্র করে স্থায়িত্বদানের অভিপ্রায় থেকে লাইব্রেরির সৃষ্টি। এক ব্যক্তির পক্ষে সর্ববিদ্যাবিশারদ হওয়া অসম্ভব। বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন বিদ্যায় পারদর্শিতা লাভ করে। আবার যে ব্যক্তি যে বিদ্যায় পারদর্শিতা লাভ করে, তার সবটুকু জ্ঞান মস্তিষ্কে ধারন করাও তার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই প্রয়োজন এমন কোনো উপায় উদ্ভাবনের, যার দৌলতে দরকার অনুযায়ী সমস্ত বিষয়ে একটা মোটামুটি জ্ঞান লাভ করা যায়। ফলে লাইব্রেরির সৃষ্টি।
নারীমুক্তি বলে কিছু নেই। প্রতি মুহূর্তেই পুরুষকে তার দরকার। কোনও মেয়ে যদি তার স্বামীকে না মানে, স্বাধীন হয়, তবে অন্য পুরুষরা তাকে ছিড়ে খাবে। স্বাধীন মেয়ের মতো এমন সহজ ভোগ্যবস্তু পুরুষের আর কী আছে? বড়ভোগ্যা হলে কি স্বাধীন হওয়া হয়?
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। মামার বাড়ি পদ্মপুকুর গলায় গলায় জল, এপার হতে ওপার গিয়ে নাচে ঢেউয়ের দল।
পল্লি-দুলাল, ভাই গো আমার যাব আমি-তোমার দেশে, আকাশ যাহার বনের শীষে দিক-হারা মাঠ চরণ ঘেঁষে। দূর দেশীয় মেঘ-কনেরা মাথায় লয়ে জলের ঝারি, দাঁড়ায় যাহার কোলটি ঘেঁষে বিজলী-পেড়ে আঁচল নাড়ি। বেতস কেয়ার বনে যেথায় ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়, পল্লি-দুলাল ভাই গো আমার, যাব সেথায়।
সাবু: কী হলো আবার? আরজু: আমি যে আর হাঁটতে পারছি না। সাবু: রোজ রোজ তোর জন্য আমি স্যারের বকুনি খেতে পারব না। আরজু: ঠিক আছে তোরা যা, আমি একাই এক্ষুনি যাব। সাবু: থাক তাহলে। (চলে যায় সাবু। আরজু বসে পড়ে। এ সময়ই ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিল এক আইসক্রিমওয়ালা।)
ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই। ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে ট্রেনের বাড়ি কই? একটু জিরোয়, ফের ছুটে যায় মাঠ পেরুলেই বন। পুলের ওপর বাজনা বাজে ঝন ঝনাঝন ঝন।
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী ’পরে, সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি- এই নদী নক্ষত্রের তলে সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন- সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে! আমি চলে যাব বলে চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে নরম গন্ধের ঢেউয়ে?
ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে? কাগজ তো সাদা। পেনসিলে আঁকা যায়। হাতের কলমটা দিয়েও আঁকা যায় এই সাদা জমিনে। রং হলে খুউব ভালো হয়। ইচ্ছেমতো লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ, কালো রং ঘষে ঘষে সাদা কাগজটা ভরে ফেলা যায়। সুন্দর এক রঙিন ছবি আঁকা হয়ে যায়। হলুদ, নীল ও লাল এই তিনটিই কিন্তু আসল রং। এই তিন রং থাকলে নানা রঙে ভরা পরিপূর্ণ রঙিন ছবি আঁকা যায়। এই তিনটি রং মিলিয়ে মিশিয়ে অনেক রং পাওয়া যায়। যেমন হলুদ ও নীল মেশালে পাবে সবুজ। নীল ও লাল মেশালে পাবে বেগুনি। লাল ও হলুদ মেশালে পাবে কমলা।
বিশ্বাস জীবনে চলার পথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যখন কারো উপরে বিশ্বাস হারায় তাদের সাথে আমাদের জীবনের পথ চলার ব্যাপারটি অমসৃণ…
বল বীর – বল উন্নত মম শির! শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! বল বীর – বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’ চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’ ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া, উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর! মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
গতকাল আমি বুদ্ধিমান ছিলাম, তাই আমি বিশ্বকে পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম। আজ আমি জ্ঞানী, তাই আমি নিজেকে পরিবর্তন করছি। --- মাওলানা জালাল উদ্দীন রুমি (র.)
যেসব মহাপুরুষের আবির্ভাবে পৃথিবী ধন্য হয়েছে মানুষের জীবনে যাঁরা এনেছেন সৌষ্ঠব, ফুটিয়েছেন লাবণ্য, মরুভাস্কর হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (স.) তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবন আলোচনা করতে গিয়ে সকলের আগে আমাদের চোখে পড়ে তাঁর ঐতিহাসিকতা। হজরতের জীবনের প্রত্যেকটি ঘটনা, প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি বিবরণ যেভাবে রক্ষা করা হয়েছে, সত্যের কষ্টিপাথরে ঘষে যেভাবে যাচাই করা হয়েছে, পৃথিবীর কোনো মহাপুরুষের বেলায় তা করা হয়নি।
তিমির রাত্রি –‘এশা’র আজান শুনি দূর মসজিদে প্রিয়া-হারা কান্নার মতো এ-বুকে আসিয়া বিঁধে! আমির-উল-মুমেনিন, তোমার স্মৃতি যে আজানের ধ্বনি – জানে না মুয়াজ্জিন! তকবির শুনি শয্যা ছাড়িয়া চকিতে উঠিয়া বসি, বাতায়নে চাই – উঠিয়াছে কি রে গগনে মরুর শশী? ও-আজানা ও কি পাপিয়ার ডাক, ও কি চকোরীর গান? মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ও কি ও তোমারই সে আহ্বান?