ফুটবল বিশ্বকাপে ঘটে যাওয়া ২০ টি মজার ঘটনা

টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, গোলটি করার সময় ম্যারাডোনা মাথা দিয়ে বলটি হেড করতে না পারায় নিজের হাত ব্যবহার করেন। হাত দিয়ে বলে আঘাত করে তিনি সেটিকে গোলপোস্টের দিকে ঠেলে দেন। গোল শেষে ম্যারাডোনা সতীর্থদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেছিলেন, “আমাকে জড়িয়ে জড়িয়ে ধরে উৎযাপন করো নয়তো রেফারি গোল বাতিল করে দেবে।”

গিউলিয়া তোফানা: মেকাপে বিষ দিয়ে ৬০০ পুরুষকে হত্যা করেছিলেন

গিউলিয়া তোফানা আনুমানিক ১৬২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ১৬৫৯ সালে। যার তৈরিকৃত বিষে মারা গেছেন অন্তত ৬০০ জনের মত। গিউলিয়া তোফানা বিষ প্রয়োগে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একটি নিদিষ্ট শ্রেণীর মানুষ কে হত্যা করতেন। তিনি তাদের ই হত্যা করতেন যাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই মনে করতেন।

হাজ মোহাম্মদ মেসফুই : যে সিরিয়াল কিলার কে দেয়ালবদ্ধ করে মৃত্যু দেওয়া হয়েছিল

হাজ মোহাম্মদ মেসফিউই মরক্কোর সিরিয়াল কিলার ছিলেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন জুতার কারিগর। মরক্কোর তখনকার প্রধান শহর মারাক্কেশে নিজস্ব জুতার দোকান ছিলো। ১৯ শতকে মারাকেশ কে আফ্রিকা মহাদেশের বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হিসাবে দেখা হতো, তাই প্রচুর দেশি ও বিদেশি বণিক আসতেন। বাণিজ্যিক অঞ্চল হওয়ার এখানে অপরাধের পরিমান ও সংঘটিত হতো প্রচুর।

রদ্রিগো ডি ডেরেজ: তামাক সেবনের অপরাধে ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন

ক্রিস্টোফার কলম্বাসের অভিযাত্রীদের জাহাজ স্পেনের সেভিলার আয়ামন্টে বন্দরে পৌঁছালে, জেরেজ জনসমক্ষে ধূমপান করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সাধারণ মানষজন তার নাক ও মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখে ভেবে বসেছিলো শয়তান হয়তো মানুষের রূপে পুনর্জন্ম নিয়েছে।

মধ্যযুগের ফরাসী নারীরা স্বামীকে কাছে রাখতে বিষ প্রয়োগ করতেন

পুরুষ তার স্ত্রীর কাছে অর্থাৎ বাড়ি ফিরতে যত দেরি করবে, সে তত বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে। এবং, অবশেষে যখন তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন, তার স্ত্রী অজান্তেই তাকে সেই বিষের প্রতিষেধক দিতেন।

বেন স্টোকস এর অসাধারণ নৈপুণ্যে ১ যুগ পর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড: টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল ২০২২

এবারের টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপটি আমার চোখে দেখা এখন পর্যন্ত সেরা বিশ্বকাপ। বাছাইপর্ব থেকে শুরু করে গ্রুপ পর্ব নাটকিয়তায় ভরপুর ছিলো। বিশেষ করে ছোট দলগুলোর বড় টিম গুলোকে হারিয়ে নিজেদের সক্ষমতার জানান দিয়েছে। বার্তা দিয়েছে সুযোগ পেলে তারাও পারেন বড় দল হওয়ার। পুরো বিশ্বকাপে পাকিস্তান ছিলো একেবারে খাদের কিনারায়। ভারতের কাছে বিরাটের অতিমানবীয় ইনিংসের কারনে হাতে থাকা … Read more

প্লেগ রোগ নিরাময়ের জন্য স্যার আইজাক নিউটনের আবিষ্কৃত উদ্ভট ভেকসিন

Isaac Newton’s Cure for the Bubonic Plague

নিউটনের সময়ে (১৬৬৫-১৬৬৬) সালে ইংল্যান্ডে প্লেগ রোগ আঘাত হানার পর, ইংল্যান্ডের বেশিরভাগ লোক নিজেদের বাড়ির সদর দরজা বন্ধ রাখতো। আর যদি কোনো বাড়িতে কোনো ব্যাক্তি প্লেগ রোগের সংক্রমণের শিকার হতো তাদের বাড়ির দরজায় লাল রঙের ক্রস এঁকে দেওয়া হতো।

লেক নেট্রোনের অজানা কথা

২০১১ সাল, ব্রিটিশ ফোটোগ্রাফার নিক ব্র্যান্ড ছবি তুলছিলেন পূর্ব আফ্রিকার কেনিয়ার সীমান্তের পাশে। এক সময় তিনি প্রবেশ করে তানজানিয়ার আরুশা অঞ্চলে। তিনি একটি হৃদ দেখতে পান যার নাম ন্যাট্রন হৃদ। এই হৃদটা অন্যান্য হৃদ থেকে সম্পুর্ন আলাদা। কিন্তু বিস্ময়ের এখানেই শেষ নই। কেননা, এর তীরের দিকে অনেক পশু পাখির মৃত দেহ এবং সেগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে মমি করে রাখা। মিশরীয়রা যেমন করে মমী করতো।

সেপ্পুকু বা হারাকিরি: জাপানি সংস্কৃতিতে অনুমোদিত আত্মহত্যা

সেপ্পুকু বা হারা-কিরি অর্থ হল পেট কেটে ফেলা। হ্যাঁ, এই রীতিতে নিজেই নিজের পেট কেটে মৃত্যুবরণ করে আত্মহত্যাকারী।

যুদ্ব ও যুদ্ধাস্ত্রের পাঁচ কাহন

শ্যামল চক্রবর্ত্তী( সবুজ) রঙের সম্পর্কে কিছু নেতিবাচক ধারণাও কাজ করে মানুষের মনে। মনের শূন্যতার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া উষ্ণ রং গুলোকে বিবর্ণ করে দিতে পারে।তবে গবেষণায় দেখা গেছে, মনকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রঙের আছে ঠিকই, খুব কম । আর যেটা বলছিলাম ,১৬৬৬ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন আবিষ্কার করেন । পরিপূর্ণ সাদা আলো … Read more

ঈশ্বরচন্দ্র আমি দীনময়ী বলছি

এখন হাতে অনেক সময় , হয়তো তোমার হাতে অনেক সময় । কিছুটা সময় যদি থাকে ! বহি বিশ্বে মর্যাদার বিচারে তোমার কাছের লোক তাৎপর্যহীন। হয়তো এটাই জগতের নিয়ম। তোমার দোষ নেই , পৃথিবীর অনেক মহান মনীষী বা মহাপুরুষেরা মানবজাতির কল্যাণে এতটাই মগ্ন থেকে ছিলেন নিজের পরিবারের প্রতি অবিচার করেছিলেন , তুমিও তার দলের একজন। এক … Read more

কাক যখন সিআইএ এজেন্ট!

এক সুউচ্চ টাওয়ারের উঁচু এক তলায় বিলাসবহুল এপার্টমেন্টে কয়েকজন ব্যক্তি বসে আছেন। গোপন মিটিং করছেন তারা। মিটিংয়ের বিষয় অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই মিটিং স্থলের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা। মিটিংটা শুরু হবার আগেও চারপাশ ভালোভাবে খুঁজে দেখা হয়েছিলো, কোনো প্রকার গোপন ডিভাইস লাগানো আছে কিনা রুমে।

ডগ’স সুইসাইড ব্রিজ: যে ব্রিজ থেকে কুকুর’রা আত্মহত্যা করে

ব্রিজটি স্কটল্যান্ডের ডাম্বারটনে অবস্থিত। ব্রিজটির নাম ওভারটাউন, যা ১৯ শতকে নির্মিত হয়েছিল। কুকুরদের আত্মহত্যার কারনে এই ব্রিজ নিজের নাম হারিয়ে রূপ নিয়েছে ‘ডগ’স সুইসাইড ব্রিজ। গথিক শৈলীতে নির্মিত এই সেতুটির কাঠামো অসামান্য। সেতুর থেকে ৫০ ফুট নিচেই রয়েছে একটি পাথুরে গিরিখাত।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা, ইংরেজ ও এক আর্মেনিয় গুপ্তচর

১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের নবনির্মিত শহর কলকাতা আক্রমণ করলেন। সিরাজের আক্রমণে ইংরেজদের নবনগরী ভেঙে গেলো খান খান হয়ে। খড়ের মতো এক ঝটকায় উড়ে গেলো  দূলুর্গ।  ইংরেজ কেপ্টেন ড্রেকের  নেতৃত্বে প্রাণ রক্ষার জন্য ইংরেজ নর-নারীরা আশ্রয় নিলো  ফলতায়।

৫৩৬ খ্রিস্টাব্দ: মানব ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ বছর

বিজ্ঞানীদের গবেষণা তথ্যমতে ৫৩৬ সাল ছিল গত ২৩০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শীতল বছর। এই শীতলতা কেবলমাত্র একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো না, পুরো পৃথিবী জুড়েই এই শীতের প্রভাব পড়েছিল।

ক্লিওপেট্রা: জুলিয়াস সিজার ও মার্ক অ্যান্টনির সাথে ত্রিভুজ প্রেম

রাণী ক্লিওপেট্রা ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তিত্ব। তাকে নিয়ে লেখা হয়েছে অসংখ্য কালজয়ী নাটক ও উপন্যাস। সেই তালিকায় আছেন উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, জর্জ বার্নার্ড শ’, হেনরি হ্যাগার্ড, ড্রাইডেন প্লুটার্ক, ড্যানিয়েের মতো জগৎবিখ্যাত সাহিত্যিকরা।আশ্চর্য দক্ষতার সাথে তারা বর্ণনা করেছেন ক্লিওপেট্রার রূপ, ব্যক্তিত্ব, উচ্চাভিলাস আর কিছুটা নারীসুলভ অসহায়তা। ক্লিওপেট্রার জন্ম যীশু খ্রিষ্টের জন্মের বহু আগে। কয়েক হাজার … Read more

মানব ইতিহাসের প্রথম ‘কনজয়েন্ড টুইন’ চ্যাং ও ইং বেঁচে ছিলেন ৬৩ বছর: জন্ম দিয়েছেন ২১ জন সন্তান!

চ্যাং বাঙ্কার এবং ইং বাঙ্কার জন্মেছিলেন ১৮১১ সালে মেকলং, সিয়াম (জায়গাটির বর্তমানে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহরের অংশ)। তাদের বাবা ছিলেন জাতিগতভাবে একজন চীনা এবং পেশায় তিনি ছিলেন একজন জেলে। তাদের দুজন ছাড়াও তাদের পরিবারে আরো ৭ জন ভাইবোন ছিলো। তবে তারা সবাই ছিলো স্বাভাবিক। তাদের জন্মের সময় সেদেশের রাজা তখন তো বেজায় অখুশি- সঙ্গে সঙ্গে মেরে … Read more

মানব ইতিহাসের ৪ টি উদ্ভট চাকরি

বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষকে কতো রকমের কাজই না করতে হয়। এই কাজ/ চাকরির মধ্যেও রয়েছে উঁচু নিচু ভেদাভেদ। অনেক চাকরি আঋে যাতে জীবনের ঝুঁকি রয়েছে, তবুও বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষ সেই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। আজকের এই আর্টিকেলে মানব ইতিহাসের তেমনই কিছু অদ্ভুত, উদ্ভট চাকরি সম্পর্কে জানাবো। ১. প্রেইগাস্টেটর: স্বাদ গ্রহণকারী প্রেইগাস্টেটার অর্থ হচ্ছে যে … Read more

এলিস কাইটেলার: ১৪ শতকের এক আইরিশ ডাইনী

এলিস কিটেলার ১৩ শতাব্দীর শেষ দিক ও ১৪ শতকের শুরুর দিকের একজন কুখ্যাত নারী। তার জন্মসাল সম্ভবত ১২৮০ সালে। এলিস কিটেলার ছিলেন তার সময়ে সবচেয়ে সুন্দরী, ধনী ও প্রভাবশালী নারীদের মধ্যে একজন। বিভিন্ন পুরোনো দিনের নথির তথ্যমতে এলিস কিটেলার আয়ারল্যান্ডের কিলকেনি শহরে বসবাস করতেন। সেখানেই তিনি ৪ জন পুরুষকে বিয়ে করেছিলেন, তার মধ্যে ৩ জন … Read more

ইতিহাসের ৫ টি অদ্ভুত প্রথা

যুগে যুগে সংস্কৃতির বিকাশ বা পরিবর্তন হয়;  এটি একটি অনস্বীকার্য সত্য। প্রাচীন ও মধ্যযুগে এমনই কিছু প্রথা বা সংস্কৃতি প্রচলিত ছিলো যা ছিল উদ্ভট, বেদনাদায়ক ও বিপজ্জনক। তেমনই ইতিহাসের ৫ টি অদ্ভুত প্রথা নিয়ে আজকের এই নিবন্ধন স্ত্রী কে কুস্তি লড়াইয়ে হারাতে পারলে তবেই বিয়ে করতে পারবেন চেঙ্গিস খানের বংশধরদের মধ্যে একটি প্রথা প্রচলিত ছিলো। … Read more

নরখাদক ইউরোপ: কয়েক শতাব্দী আগেও ইউরোপীয়রা ছিলো নরখাদক

নরখাদক শব্দটা শুনলে আমার মস্তিষ্ক হয়তো চিন্তা করতে থাকে আফ্রিকা মহাদেশের কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের কথা। কিংবা কাপালিক বা অঘোরপন্থীদের কথাও,পিশাচ সাধকদেরও অপঘাতে নিহত ব্যক্তির লাশ লাগে বলে শোনা যায়। কিন্তু নরখাদকের কথা উঠলে আমাদের কেউই ইউরোপের কথা মাথাতেই আনে না। অবশ্য নরখাদকের সাথে ইউরোপ মহাদেশের সম্পর্ক কেউ কল্পনাও করতে পারেন না। কিন্তু ঐতিহাসিক সত্য হলো, … Read more

প্রাচীন রোমের ক্রীতদাসদের জীবন

দাসপ্রথার অস্তিত্ব মেসোপটেমিয়াতে প্রায় ৩৫০০ খৃস্টপূর্বে প্রথম দেখতে পাওয়া যায়। অন্ধকার যুগ থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত ইউরোপে অধিকাংশ এলাকাতেই দাসপ্রথার প্রচলন ছিল। ১৯ শতাব্দীতে এসে দাসপ্রথার আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে। প্রাচীন যুগে প্রায় সব সাম্রাজ্যের মধ্যেই দাসপ্রথার প্রচলন ছিলো। তেমনই প্রচলন ছিলো প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যেও। রোমান যুগে দাসপ্রথা ছিল একটি জটিল অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা। প্রাচীন … Read more

আলুর দুর্ভিক্ষ: ৭ বছরে অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে ১ মিলিয়ন মানুষ

আলুর জন্য ঘটে যাওয়া এই দুর্ভিক্ষ পরিচিত বৃহৎ এক ক্ষুধা নামে যা সংঘটিত হয়েছিল ১৮৪৫ সালে। সেসময় Phytophthora Infestense নামের এক ধরনের ফাঙ্গাস দাবানলের চেয়েও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিলো পুরো আয়ারল্যান্ডের জমি জুড়ে। এই ছত্রাকটির উপদ্রবে ধ্বংস হয়ে যায় আইরিশদের প্রধান খাদ্য আলুর প্রায় ৮০ শতাংশ জমি।

ক্রিস্টোফার মার্লো: পাদরি হওয়ার স্বপ্ন দেখে হয়েছিলেন ঘোরতর নাস্তিক

২৯ মে ১৫৯৩ সালে রিচার্ড বেইন্স একটি রিপোর্ট জমা দেন ক্রিস্টোফার মার্লো সম্পর্কে। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ক্রিস্টোফার মার্লো শুধু নাস্তিকই নন! তিনি যেখানে যান সেখানেই মানুষকে নাস্তিক হতে প্ররোচিত করেন।

গিলেস ডি রাইস: ৮০০ জন নিষ্পাপ শিশুর হত্যাকারী ও একজন সাহসী ফরাসি সৈনিক

তিনি ১৪২৯ সালে ১০০ বছরের যুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে ব্রিটেনের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন, তাও আবার জগদ্বিখ্যাত জোয়ান অফ আর্কের সহযোদ্ধা হয়ে! এতো সম্মানী একজন মানুষ যখন শিশু হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত হলেন তখন সমগ্র ফান্স ধাক্কা খেয়েছিল।

ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাওয়া ৬ টি ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড

এই ধর্মের প্রচার শতাব্দী থেকে শতাব্দী পর্যন্ত চলছিল। সেসময় রেমান সম্রাট থেওডোসিয়াস প্রথম ঘোষণা করেন, যে বা যারা এই ধর্ম পালন করবে তাকে হত্যা করা হবে। এই আদেশ জারি করার ফলে এই ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা কমতে থাকে।

হারেম: নিষিদ্ধ যৌন জীবনের উপাখ্যান

হারেম শব্দটি তুর্কি শব্দ। কেউ কেউ বলেন হারেম শব্দটি আরবি শব্দ হারাম থেকে এসেছে। যার অর্থ নিষিদ্ধ। সহজ ভাষায় হারেম অর্থ মহিলাদের জন্য নির্ধারিত স্থান, যেখানে সাধারণ পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
নিষিদ্ধ ছিলো বলেই ডেই সময়কার পুরুষদের কাছে হারেম ছিলো অতি আগ্রহের জায়গা।

রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ: রাণী এলিজাবেথের সম্পর্কে ১০ টি অজানা তথ্য

দ্বিতীয় এলিজাবেথের রানী হওয়ার কথাই ছিলো না। সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে তার অবস্থান ছিলো পিতৃব্য অষ্টম এডওয়ার্ড এবং পিতা ষষ্ঠ জর্জের পরে। কিন্তু রাজপরিবারের একটি ঘটনা সকল সমীকরণ পাল্টে দেয়।

মাথা ছাড়া ১.৫ বছর বেঁচে থাকা মুরগি!

১০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ফ্লুইটা শহরের একজন মুরগির খামারি ‘মাইক’ নামের এই মুরগী টির মাথা কেটে ফেলার পরেও মুরগী টি ১ বছর ৬ মাস বেঁচে ছিল।

ডক্টর ফস্টাস: তিনি শয়তানের কাছে নিজের আত্মা বিক্রি করেছিলেন

খুব অল্প বয়সেই ফস্টাস ধর্মশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা, চিকিৎসা ও আইনশাস্ত্র সকল ক্ষেত্রেই বিচরণ করেছেন।ধর্মশাস্ত্র ও ঈশ্বর সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে তী্ক বিতর্ক করতে বিশেষ ভালোবাসতেন ফস্টাস। এতো বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করার পরেও ফস্টাসের মনে তৃপ্তি আসে নি। সে চাচ্ছিল এমন জ্ঞান অর্জন করতে যার মাধ্যমে সে এতোটাই প্রভাবশালী ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে যে দুই মেরুর সবকিছুই তার আয়ত্বে থাকবে।