“ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” শীর্ষক কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে। “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” দেশপ্রেম, গণজাগরণ ও সংগ্রামী চেতনার কবিতা।
১৯৬৯-এ পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, কবিতাটি সেই গণজাগরণের পটভূমিতে রচিত। জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ১৯৬৯-এ। প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য মানুষ জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। শামসুর রাহমান বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য রচনা করেছেন এই কবিতায়।
কবিতাটিতে দেশমাতৃকার প্রতি জনতার বিপুল ভালোবাসা সংবর্ধিত হয়েছে। দেশকে ভালোবেসে মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতির প্রেরণাকে কবি গভীর মমতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মূর্ত করে তুলেছেন। কবিতাটি একুশের রক্তঝরা দিনগুলোতে স্বৈরাশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মাহুতির মাহাত্ম্যে প্রগাঢ়তা লাভ করেছে। গদ্যছন্দ ও প্রবহমান ভাষার সুষ্ঠু বিকাশে কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন।
১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
ক) নক্ষত্র
খ) রক্ত
গ) ফুল
ঘ) রৌদ্র
উত্তর: ক) নক্ষত্র
২. ‘আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে’ — চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোন দিকটি তুলে ধরে?
ক) গণ আন্দোলন
খ) ভাষা আন্দোলন
গ) স্বাধীনতা আন্দোলন
ঘ) স্বদেশি আন্দোলন
উত্তর: খ) ভাষা আন্দোলন
৩. কবি শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস কোন গ্রামে?
ক) ভুতলকাটি
খ) পাড়াতলি
গ) গটিয়া
ঘ) তালপুকুরিয়া
উত্তর: খ) পাড়াতলি
৪. শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়—
ক) সাপ্তাহিক সোনার বাংলা
খ) সোনার বাংলা
গ) দৈনিক পাকিস্তান
ঘ) দৈনিক বাংলা
উত্তর: ক) সাপ্তাহিক সোনার বাংলা
৫. ‘আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে’— চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোন দিকটি তুলে ধরে?
ক) গণ-আন্দোলন
খ) ভাষা-আন্দোলন
গ) স্বাধীনতা আন্দোলন
ঘ) স্বদেশি আন্দোলন
উত্তর: খ) ভাষা-আন্দোলন
৬. ‘আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া’— এই কৃষ্ণচূড়া ফুল কোথায় ফুটেছে?
ক) পথঘাটে
খ) শহরের পথে
গ) হরিণ উপত্যকায়
ঘ) সারা দেশে
উত্তর: খ) শহরের পথে
৭. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবির কাছে কেমন মনে হয়?
ক) রক্তে রঞ্জিত বর্ণমালা
খ) রক্তে রঞ্জিত জামা
গ) পতাকার লাল রং
ঘ) শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ
উত্তর: ঘ) শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ
৮. ভাষা শহীদের ‘রক্তের বুদবুদ’ কোনটি?
ক) পলাশ ফুল
খ) কমলবন
গ) বর্ণমালা
ঘ) কৃষ্ণচূড়া
উত্তর: ঘ) কৃষ্ণচূড়া
৯. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়াকে আমাদের কীসের রং বলা হয়েছে?
ক) স্মৃতিময়তার
খ) অনাবিলতার
গ) চেতনার
ঘ) ঘাতকের
উত্তর: গ) চেতনার
১০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় আমাদের চেতনার রং—
ক) রক্ত
খ) কৃষ্ণচূড়া
গ) ফুল
ঘ) বুদবুদ
উত্তর: খ) কৃষ্ণচূড়া
১১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়ার রঙকে কবি কীসের রং হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
ক) মাটি ও মানুষের
খ) বাঙালির চেতনা
গ) বাঙালির ঐতিহ্য
ঘ) জাতীয় পতাকা
উত্তর: খ) বাঙালির চেতনা
১২. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?
ক) জবা
খ) গোলাপ
গ) কৃষ্ণচূড়া
ঘ) পলাশ
উত্তর: গ) কৃষ্ণচূড়া
১৩. শহরের পথে থরে থরে কোন ফুল ফুটেছে?
ক) শিমুল
খ) পলাশ
গ) কৃষ্ণচূড়া
ঘ) রক্তজবা
উত্তর: গ) কৃষ্ণচূড়া
১৪. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।’ পঙ্ক্তিটিতে উল্লিখিত চেতনার প্রকৃতি—
ক) প্রতিবাদী
খ) সংগ্রামী
গ) বিদ্রোহী
ঘ) জাগ্রত
উত্তর: খ) সংগ্রামী
১৫. ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।’— এই চরণটির আগের চরণ হলো—
ক) এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং,
খ) মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ।
গ) শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।
ঘ) দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো
উত্তর: গ) শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।
১৬. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘চতুর্দিকে মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে—।’
ক) তছনছ
খ) ধ্বংস
গ) লুণ্ঠিত
ঘ) বিপর্যস্ত
উত্তর: ক) তছনছ
১৭. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’— কবিতায় কার মুখকে ‘তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা’র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
ক) সালাম
খ) রফিক
গ) বরকত
ঘ) আসাদ
উত্তর: ক) সালাম
১৮. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘আবার সালাম নামে রাজপথে’— কেন?
ক) ঘাতকের আস্তানা ধ্বংস করতে
খ) ভাষাসংগ্রামে যোগ দিতে
গ) গণজাগরণে যোগ দিতে
ঘ) কমলবন তছনছ করতে
উত্তর: গ) গণজাগরণে যোগ দিতে
১৯. ‘সে ফুল আমাদেরই প্রাণ,’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কৃষ্ণচূড়া
খ) চেতনার রং
গ) একুশে ফেব্রুয়ারি
ঘ) বাংলা ভাষা
উত্তর: ঘ) বাংলা ভাষা
২০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কে শূন্যে ফ্ল্যাগ তোলে?
ক) জব্বার
খ) রফিক
গ) বরকত
ঘ) সালাম
উত্তর: ঘ) সালাম
২১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কার চোখে আজ আলোকিত ঢাকা?
ক) সালাম
খ) রফিক
গ) বরকত
ঘ) জব্বার
উত্তর: ক) সালাম
২২. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে কে?
ক) সালাম
খ) বরকত
গ) সফিউর
ঘ) মতিউর
উত্তর: খ) বরকত
২৩. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের হাত থেকে কী ঝরে?
ক) বর্ণমালা
খ) স্মৃতিগন্ধ
গ) রক্তের বুদবুদ
ঘ) মাতার অশ্রুজল
উত্তর: ক) বর্ণমালা
২৪. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের হাতে কীসের মতো বর্ণমালা ঝরে?
ক) বৃষ্টি
খ) ফুল
গ) আলো
ঘ) নক্ষত্র
উত্তর: ঘ) নক্ষত্র
২৫. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় নক্ষত্রের মতো কী ঝরে?
ক) বীরের রক্ত
খ) মাতার অশ্রুজল
গ) অবিনাশী বর্ণমালা
ঘ) আনন্দের রৌদ্র
উত্তর: গ) অবিনাশী বর্ণমালা
২৬. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘অবিনাশী বর্ণমালা’ কীসের প্রতীক?
ক) ধৈর্য
খ) শক্তি
গ) ভালোবাসা
ঘ) প্রতিবাদ
উত্তর: ঘ) প্রতিবাদ
২৭. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ভাষা শহিদ সালামের নাম কতবার উল্লেখ করা হয়েছে?
ক) তিন
খ) চার
গ) পাঁচ
ঘ) ছয়
উত্তর: খ) চার
২৮. কবির দৃষ্টিতে আমাদের চেতনার রং কী?
ক) রক্তাক্ত রাজপথ
খ) শহীদের রক্তের বুদবুদ
গ) একুশের কৃষ্ণচূড়া
ঘ) রক্তাক্ত মিছিল
উত্তর: গ) একুশের কৃষ্ণচূড়া
২৯. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়াকে আমাদের কীসের রং বলা হয়েছে?
ক) স্মৃতিময়তার
খ) চেতনার
গ) বিজয়ের
ঘ) বেদনার
উত্তর: খ) চেতনার
৩০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া কীসের ইঙ্গিত?
ক) চেতনার
খ) প্রেমের
গ) বিদ্রোহের
ঘ) রূপের
উত্তর: ক) চেতনার
৩১. কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং, কারণ এতে রয়েছে—
ক) অত্যাচারের পটভূমি
খ) অতীত ঐতিহ্য
গ) রঙের সমতা
ঘ) ইতিহাসের উদ্দীপনা
উত্তর: ঘ) ইতিহাসের উদ্দীপনা
৩২. ‘মানবিক বাগান’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) পদ্মবন
খ) বাস্তবতার বিশালতা
গ) মানবীয় জগৎ
ঘ) হরিণ উপত্যকা
উত্তর: গ) মানবীয় জগৎ
৩৩. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘মানবিক বাগান’ বলতে কবি বুঝিয়েছেন—
ক) মানবের সদ্ভাবস্থান
খ) গোছানো বাংলাদেশ
গ) সুন্দর জনবসতি
ঘ) মনুষ্যত্ব, ন্যায় ও মঙ্গলের জগৎ
উত্তর: ঘ) মনুষ্যত্ব, ন্যায় ও মঙ্গলের জগৎ
৩৪. ‘কমলবন’ শব্দটি কবি ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কী হিসেবে ব্যবহার করেছেন?
ক) ভাবার্থে
খ) মূল অর্থে
গ) প্রতীকী অর্থে
ঘ) ব্যঞ্জনা অর্থে
উত্তর: গ) প্রতীকী অর্থে
৩৫. ‘সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ’— এখানে ‘ফুল’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
ক) বাংলা ভাষা
খ) বাংলাদেশ
গ) একুশের কৃষ্ণচূড়া
ঘ) শহীদের রক্তের বুদবুদ
উত্তর: ক) বাংলা ভাষা
৩৬. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?
ক) নিজ বাসভূমে
খ) বন্দী শিবির থেকে
গ) বিধ্বস্ত নীলিমা
ঘ) বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়
উত্তর: ক) নিজ বাসভূমে
৩৭. ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে কাজ করেছে— চেতনা।
ক) লাহোর প্রস্তাবের
খ) স্বাধীনতার
গ) স্বৈরাচার বিরোধী
ঘ) একুশের
উত্তর: গ) স্বৈরাচার বিরোধী
৩৮. কবি শামসুর রাহমানের জন্মতারিখ কোনটি?
ক) ২০ অক্টোবর ১৯২৯
খ) ২০ নভেম্বর ১৯২৯
গ) ২৩ অক্টোবর ১৯২৯
ঘ) ২৪ নভেম্বর ১৯২৯
উত্তর: ক) ২৩ অক্টোবর ১৯২৯
৩৯. নাগরিক কবি কে?
ক) সুকান্ত ভট্টাচার্য
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) জীবনানন্দ দাশ
ঘ) শামসুর রাহমান
উত্তর: ঘ) শামসুর রাহমান
৪০. ‘রৌদ্র করোটিতে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
ক) সুকান্ত ভট্টাচার্য
খ) শামসুর রাহমান
গ) হাসান হাফিজুর রহমান
ঘ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর: খ) শামসুর রাহমান
৪১. নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ?
ক) রৌদ্র করোটিতে
খ) সাতনরী হার
গ) মায়া পৃথিবী
ঘ) সর্বহারা
উত্তর: ক) রৌদ্র করোটিতে
৪২. ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
ক) জীবনানন্দ দাশ
খ) সুফিয়া কামাল
গ) আহসান হাবীব
ঘ) শামসুর রাহমান
উত্তর: ঘ) শামসুর রাহমান
৪৩. ‘উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ’— এটি কোন ধরনের রচনা?
ক) কিশোর উপন্যাস
খ) নাটক
গ) কাব্যগ্রন্থ
ঘ) অনুবাদ
উত্তর: গ) কাব্যগ্রন্থ
৪৪. পাড়াতলি গ্রামটি কোন জেলায় অবস্থিত?
ক) কুমিল্লা
খ) নরসিংদী
গ) ঢাকা
ঘ) শরীয়তপুর
উত্তর: খ) নরসিংদী
৪৫. শামসুর রাহমানের মাতার নাম কী?
ক) আসমা খাতুন
খ) আমেনা খাতুন
গ) আমেনা খাতুন
ঘ) আছিয়া খাতুন
উত্তর: গ) আমেনা খাতুন
৪৬. শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে প্রবেশিকা পাস করেন?
ক) ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
খ) ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে
গ) ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে
ঘ) ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: ঘ) ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে
৪৭. শামসুর রাহমান কত সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন?
ক) ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
খ) ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে
গ) ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে
ঘ) ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: ক) ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
৪৮. শামসুর রাহমান কোন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন?
ক) মটকা জেম কলেজ
খ) ঢাকা কলেজ
গ) আইডিয়াল কলেজ
ঘ) জগন্নাথ কলেজ
উত্তর: খ) ঢাকা কলেজ
৪৯. শামসুর রাহমান কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেন?
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
খ) জগন্নাথনগর বিশ্ববিদ্যালয়
গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ঘ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫০. কোন পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে শামসুর রাহমান কর্মজীবন শুরু করেন?
ক) দৈনিক ইত্তেফাক
খ) দৈনিক মনিং নিউজ
গ) দৈনিক বাংলা
ঘ) ডেইলি স্টার
উত্তর: খ) দৈনিক মনিং নিউজ
৫১. শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকায় যোগ দেন?
ক) ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে
খ) ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে
গ) ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে
ঘ) ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: খ) ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে
৫২. ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকাটি পরবর্তীতে কী নামে পরিচিতি লাভ করে?
ক) দৈনিক বাংলা
খ) দৈনিক মনিং এজ
গ) দৈনিক ইত্তেফাক
ঘ) দৈনিক সংবাদ
উত্তর: ক) দৈনিক বাংলা
৫৩. কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
ক) দৈনিক মনিং নিউজ
খ) দৈনিক বাংলা
গ) সাপ্তাহিক সোনার বাংলা
ঘ) লাঙল
উত্তর: গ) সাপ্তাহিক সোনার বাংলা
৫৪. নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য?
ক) গ্রাম জীবনের অনাবিল সৌন্দর্য ও রূপকথা
খ) গ্রাম জীবনের নাগরিক কর্মচাঞ্চল্য ও স্থবিরতা
গ) নগর জীবনের যন্ত্রণা ও একাকিত্ব
ঘ) নগর জীবনের বিলাসিতা ও আভিজাত্য
উত্তর: গ) নগর জীবনের যন্ত্রণা ও একাকিত্ব
৫৫. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ— ভরপুর।
ক) স্মৃতিগন্ধে
খ) স্মৃতিবহে
গ) স্মৃতিপদ্মে
ঘ) স্মৃতিচেতনায়
উত্তর: ক) স্মৃতিগন্ধে
৫৬. কবি শামসুর রাহমান ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের চোখে কী দেখেছেন?
ক) ঘাতকের থাবা
খ) আলোকিত ঢাকা
গ) অবিনাশী বর্ণমালা
ঘ) তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা
উত্তর: খ) আলোকিত ঢাকা
৫৭. ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া’— আমাদের কীসের প্রতীক?
ক) সংগ্রামের
খ) আত্মত্যাগের
গ) চেতনার
ঘ) বিজয়ের
উত্তর: গ) চেতনার
৫৮. ‘করার ওই লৌহকপাট ভেঙে ফেল কর রে লোপাট’— উদ্দীপকের সাথে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো—
ক) বিপ্লব
খ) সংগ্রামী চেতনা
গ) আত্মত্যাগ
ঘ) স্বাধীন জীবন
উত্তর: খ) সংগ্রামী চেতনা
৫৯. শহরের পথে আবারও কৃষ্ণচূড়া ফোটার মাধ্যমে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক) সংগ্রামী চেতনা
খ) ভাষা আন্দোলন
গ) স্বাধীনতা আন্দোলন
ঘ) গণ আন্দোলন
উত্তর: ক) সংগ্রামী চেতনা
৬০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কয়টি মাসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
ক) ১টি
খ) ২টি
গ) ৩টি
ঘ) ৫টি
উত্তর: ক) ১টি
৬১. একুশের কৃষ্ণচূড়া মূলত—
ক) শহিদদের চেতনার রং
খ) বাঙালির আত্মত্যাগের স্মৃতি
গ) ভাষা শহিদদের রক্তের প্রতীক
ঘ) বাঙালির সুখাদ্যের স্মারক
উত্তর: গ) ভাষা শহিদদের রক্তের প্রতীক
৬২. ‘কমলবন হচ্ছে তছনছ’ দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন—
ক) মানবিকতা, সুন্দর ও কল্যাণের জগৎ ধ্বংস করা হচ্ছে
খ) পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের উপর অত্যাচার চলছে
গ) নিরীহ মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে
ঘ) মানুষের মাঝে ভেদাভেদ সৃষ্টির তৎপরতা চলছে
উত্তর: ক) মানবিকতা, সুন্দর ও কল্যাণের জগৎ ধ্বংস করা হচ্ছে
৬৩. ‘ঘাতকের অশুভ আস্তানা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) সামাজিক দূরবস্থা
খ) রাষ্ট্রীয় দূরবস্থা
গ) ইতিহাসের দূরবস্থা
ঘ) মূল্যবোধের দূরবস্থা
উত্তর: খ) রাষ্ট্রীয় দূরবস্থা
৬৪. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি ‘মানবিক বাগান’ কথাটি কী অর্থে ব্যবহার করেছেন?
ক) মানুষের মন বাগানের মতো বৈচিত্র্যমণ্ডিত
খ) মানুষের আত্মা ফুলের চেয়ে পবিত্র
গ) মানুষের নান্দনিক ভাবনাকে ফুল জ্ঞান করেছেন
ঘ) মানুষের হৃদয় আর ফুল উভয়ই সুরভিত
উত্তর: গ) মানুষের নান্দনিক ভাবনাকে ফুল জ্ঞান করেছেন
৬৫. হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় কেন ফুল ফোটে?
ক) দুঃখিনী মায়ের অশ্রুজলের কারণে
খ) বীরের আত্মত্যাগের কারণে
গ) ঘাতকের বুলেটের থাবার কারণে
ঘ) দালালের অশুভ আস্তানার সন্ধানে
উত্তর: খ) বীরের আত্মত্যাগের কারণে
৬৬. কখন সালাম আবার ফিরে আসে?
ক) বায়ান্নতে
খ) ঊনসত্তরে
গ) ছেচল্লিশে
ঘ) একাত্তরে
উত্তর: খ) ঊনসত্তরে
৬৭. অবিনাশী বর্ণমালা কার হাত থেকে ঝরে?
ক) সালাম
খ) বরকত
গ) রফিক
ঘ) জব্বার
উত্তর: ক) সালাম
৬৮. কবি শামসুর রাহমান ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের চোখে আজ কী দেখেছেন?
ক) ঘাতকের থাবা
খ) আলোচিত ঢাকা
গ) অবিনাশী বর্ণমালা
ঘ) তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা
উত্তর: খ) আলোচিত ঢাকা
৬৯. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) রাজপথ
খ) বাংলাদেশ
গ) ধান্যভূমি
ঘ) হৃদয়ের শ্যামল উপত্যকা
উত্তর: খ) বাংলাদেশ
৭০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটির শেষ চরণ কোনটি?
ক) এখানে এসেছি কেন? এখানে কী কাজ আমাদের
খ) বাহিরকে আমরা করেছি ঘর, ঘরকে বাহির,
গ) শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায়
ঘ) আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে
উত্তর: গ) শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায়
৭১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কী সংবর্ধিত হয়েছে?
ক) একুশের ভাষা-আন্দোলন
খ) ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন
গ) ভাষা শহীদদের প্রতি ভালোবাসা
ঘ) দেশমাতৃকার প্রতি জনতার ভালোবাসা
উত্তর: ঘ) দেশমাতৃকার প্রতি জনতার ভালোবাসা
৭২. ‘একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়— ফুল নয়, ওরা’ — এখানে কোন ফুলের কথা বোঝানো হয়েছে?
ক) পলাশ
খ) রক্তজবা
গ) কৃষ্ণচূড়া
ঘ) শিমুল
উত্তর: গ) কৃষ্ণচূড়া
৭৩. ‘বুঝি তাই উনিশশো ঊনসত্তরেও আবার সালাম নামে রাজপথে’— সালাম রাজপথে নেমে কী করে?
ক) স্লোগান দেয়
খ) পতাকা ওড়ায়
গ) শহীদ হয়
ঘ) ভাষণ দেয়
উত্তর: খ) পতাকা ওড়ায়
৭৪. কৃষ্ণচূড়ার ফুল হয়ে ফুটেছে—
ক) পাকিস্তানি হানাদারদের রক্ত
খ) ভাষা শহীদদের রক্ত
গ) মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ত
ঘ) আন্দোলনকারীদের রক্ত
উত্তর: খ) ভাষা শহীদদের রক্ত
৭৫. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘অবিনাশী বর্ণমালা’ বলতে কোন বর্ণমালা বোঝানো হয়েছে?
ক) বাংলা বর্ণমালা
খ) আধুনিক বর্ণমালা
গ) প্রাচীন বর্ণমালা
ঘ) উর্দু বর্ণমালা
উত্তর: ক) বাংলা বর্ণমালা
৭৬. কার মুখে আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা?
ক) সালামের
খ) রফিকের
গ) জব্বারের
ঘ) বরকতের
উত্তর: ক) সালামের
৭৭. একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং কেন?
ক) আমাদের রক্তের রং লাল বলে
খ) মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব প্রকাশ করে বলে
গ) আমরা মুক্তিযুদ্ধের রক্ত দিয়েছি বলে
ঘ) শহীদদের রক্তের বুদবুদ মনে হয় বলে
উত্তর: ঘ) শহীদদের রক্তের বুদবুদ মনে হয় বলে
৭৮. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
ক) প্রকাণ্ড গাছে
খ) গ্রামের বাঁকে
গ) নদীর ধারে
ঘ) শহরের পথে
উত্তর: ঘ) শহরের পথে
৭৯. চতুর্দিকে কী তছনছ হচ্ছে?
ক) মানবিক বাগান
খ) গ্রাম
গ) পূর্ব বাংলা
ঘ) ধানখেত
উত্তর: ক) মানবিক বাগান
৮০. অবিনাশী বর্ণমালা কীসের মতো করে পড়ে?
ক) ফুলের মতো
খ) নক্ষত্রের মতো
গ) জলের মতো
ঘ) শুকনো পাতার মতো
উত্তর: খ) নক্ষত্রের মতো
৮১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘আবার সালাম নামে রাজপথে’— এ কথার অন্তর্নিহিত অর্থ কী?
ক) অধিকার সচেতন জনতার উত্থান
খ) শহীদ সালামের আত্মার প্রভাব
গ) সালামের উত্তরসূরিরা জেগে উঠেছে
ঘ) জীবনবাজি লড়াকুরা মাঠে নেমেছে
উত্তর: ক) অধিকার সচেতন জনতার উত্থান
৮২. ‘এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং’ — এখানে ‘অন্য রং’ দ্বারা কোন বিষয়টিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে?
ক) বিদেশি শক্তি
খ) পুঁজিবাদি শক্তি
গ) অশুভ শক্তি
ঘ) সাম্প্রদায়িক শক্তি
উত্তর: গ) অশুভ শক্তি
৮৩. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের মুখকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
ক) পতাকার সাথে
খ) শ্যামল বাংলার সাথে
গ) সুউচ্চ লাঠির সাথে
ঘ) বন্দুকের নলের সাথে
উত্তর: খ) শ্যামল বাংলার সাথে
৮৪. ‘আবার সালাম নামে রাজপথে’— উক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক) যেখানে অত্যাচার সেখানেই সালামদের আগমন
খ) সমান ত্যাগী মানুষ ও আন্দোলনের পুনরাবৃত্তি
গ) ধারাবাহিক আন্দোলনের চরম পরিণত রূপ
ঘ) বায়ান্ন আর ঊনসত্তরের অভিন্ন সূত্রে গাঁথা
উত্তর: ঘ) বায়ান্ন আর ঊনসত্তরের অভিন্ন সূত্রে গাঁথা
৮৫. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন রঙে পথ-ঘাট ছেয়ে গেছে?
ক) কৃষ্ণচূড়ার রঙে
খ) কৃষ্ণচূড়ার বিপরীত রঙে
গ) পলাশ ফুলের রঙে
ঘ) পলাশের বিপরীত রঙে
উত্তর: খ) কৃষ্ণচূড়ার বিপরীত রঙে
৮৬. কবির চোখে কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কেমন মনে হয়?
ক) শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ
খ) শহিদের যন্ত্রণাকাতর মুখচ্ছবি
গ) শহিদের হাতের রক্ত পতাকা
ঘ) শহিদের ক্রোধান্বিত রক্তচক্ষু
উত্তর: ক) শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ
৮৭. ‘চিনতে না কি সোনার ছেলে ক্ষুদিরামকে চিনতে?’ — বাক্যটি তোমার কোন কবিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
ক) ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
খ) ঐকতান
গ) সেই অস্ত্র
ঘ) সাম্যবাদী
উত্তর: ক) ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
৮৮. ‘কৃষ্ণচূড়ার গাছে গাছে/ সালাম, বরকত, শফিক নাচে।’ ভাবগত দিক থেকে চরণটি ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন চরণটির কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
ক) একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং
খ) আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ
গ) শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর
ঘ) ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে
উত্তর: খ) আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ
৮৯. শামসুর রাহমান ‘মানবিক বাগান’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?
ক) মানুষের তৈরি বাগান
খ) মাটি দিয়ে তৈরি বাগান
গ) ন্যায় ও মঙ্গলের জগৎ
ঘ) বাবা-মায়ের তৈরি বাগান
উত্তর: গ) ন্যায় ও মঙ্গলের জগৎ
৯০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি ‘কমলবন’ শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহার করেছেন?
ক) পদ্মবন
খ) কল্যাণ
গ) জীবন
ঘ) মহিমা
উত্তর: খ) কল্যাণ
৯১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘সে ফুল আমাদেরই প্রাণ’— বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কৃষ্ণচূড়া
খ) বাংলা ভাষা
গ) কমলবন
ঘ) বর্ণমালা
উত্তর: খ) বাংলা ভাষা
৯২. কবি ‘মানবিক বাগান’ কথাটি কী অর্থে ব্যবহার করেছেন?
ক) মানুষের মন বাগানের মতো বৈচিত্র্যমণ্ডিত
খ) মানুষের নান্দনিক ভাবনাকে ফুল জ্ঞান করেছেন
গ) মানুষের আত্মা ফুলের চেয়ে পবিত্র
ঘ) মানুষের হৃদয় আর ফুল উভয়ই সুরভিত
উত্তর: খ) মানুষের নান্দনিক ভাবনাকে ফুল জ্ঞান করেছেন
৯৩. ভাষা শহিদদের রক্তের বুদবুদ কী হয়ে ফুটেছে?
ক) কৃষ্ণচূড়া
খ) গোলাপ
গ) রক্তজবা
ঘ) সূর্যমুখী
উত্তর: ক) কৃষ্ণচূড়া
৯৪. মনুষ্যত্ব, ন্যায় ও কল্যাণের জগৎ বোঝাতে কবি কোনটি ব্যবহার করেছেন?
ক) মানবিক বিকাশ
খ) মানবিক বাগান
গ) আমাদের চেতনা
ঘ) সুন্দর পৃথিবী
উত্তর: খ) মানবিক বাগান
৯৫. গণ অভ্যুত্থানে কারা অংশ গ্রহণ করেছিলেন?
ক) কৃষক
খ) ছাত্র
গ) সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ
ঘ) শ্রমিক
উত্তর: গ) সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ
৯৬. ছয় দফা দাবির উত্থাপক কে?
ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
খ) তাজউদ্দীন আহমদ
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
ঘ) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
উত্তর: গ) শেখ মুজিবুর রহমান
৯৭. কোথায় ভাষা শহিদের ত্যাগ ও মহিমা মূর্ত হয়ে ওঠে?
ক) কৃষ্ণচূড়ার পাতায়
খ) কৃষ্ণচূড়ার ডালে
গ) মানুষের হৃদয়ে
ঘ) কৃষ্ণচূড়ার স্তবকে স্তবকে
উত্তর: ঘ) কৃষ্ণচূড়ার স্তবকে স্তবকে
৯৮. ‘কমলবন’ শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে—
ক) সুন্দর ও পবিত্র জগৎ
খ) মানবধিকারের জগৎ
গ) মানবিকতা, সুন্দর ও কল্যাণের জগৎ
ঘ) শুধু কল্যাণের জগৎ
উত্তর: গ) মানবিকতা, সুন্দর ও কল্যাণের জগৎ
৯৯. গণ অভ্যুত্থান গড়ে ওঠে—
ক) ভাষা আন্দোলন কেন্দ্র করে
খ) ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্র করে
গ) ছাত্র অসন্তোষ কেন্দ্র করে
ঘ) ছাত্র অধিকার কেন্দ্র করে
উত্তর: গ) ছাত্র অসন্তোষ কেন্দ্র করে
১০০. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় যে শিল্পভাষ্য ফুটে উঠেছে—
ক) প্রতিবাদী চেতনা
খ) সংগ্রামী চেতনা
গ) আত্মাহুতি
ঘ) শাসকগোষ্ঠীর শোষণ
উত্তর: খ) সংগ্রামী চেতনা
১০১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা?
ক) গণজাগরণের
খ) রোমাঞ্চধর্মী
গ) ইতিহাসনির্ভর
ঘ) কাহিনিনির্ভর
উত্তর: ক) গণজাগরণের
১০২. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন বিষয়টি প্রস্ফুটিত হয়েছে?
ক) বাঙালির ভ্রাতৃত্ববোধ
খ) বাঙালির স্বদেশপ্রেম
গ) সংঘবদ্ধ প্রতিবাদী আন্দোলন
ঘ) জীবনের তাৎপর্য
উত্তর: গ) সংঘবদ্ধ প্রতিবাদী আন্দোলন
১০৩. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি কোন বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন?
ক) ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী চেতনা
খ) ঘাতকের শৃঙ্খল
গ) গতিহীন জীবন
ঘ) কৃষ্ণচূড়া ফুলের সৌন্দর্য
উত্তর: ক) ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী চেতনা
১০৪. কোন সালের ছাত্র অসন্তোষ ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে রূপ নেয়?
ক) ১৯৫২ সালের
খ) ১৯৫৪ সালের
গ) ১৯৬৬ সালের
ঘ) ১৯৬৮ সালের
উত্তর: ক) ১৯৫২ সালের
১০৫. ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে কীসের চেতনা কাজ করেছে?
ক) লাহোর প্রস্তাবের চেতনা
খ) একুশের চেতনা
গ) স্বাধীনতার চেতনা
ঘ) স্বৈরাচারবিরোধী চেতনা
উত্তর: খ) একুশের চেতনা
১০৬. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন কারণে সার্থক?
ক) ভাষার জন্য
খ) রসের জন্য
গ) বর্ণমালার জন্য
ঘ) চেতনার জন্য
উত্তর: ঘ) চেতনার জন্য
১০৭. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কবির কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
ক) নিজ বাসভূমে
খ) বন্দী শিবির থেকে
গ) বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়
ঘ) নিরালোকে দিব্যরথ
উত্তর: ক) নিজ বাসভূমে
১০৮. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার পটভূমি কোনটি?
ক) গণ অভ্যুত্থান
খ) ভাষা আন্দোলন
г) মুক্তিযুদ্ধ
ঘ) শিক্ষা আন্দোলন
উত্তর: ক) গণ অভ্যুত্থান
১১০. ১৯৬৬-এ কারা জাতিগত শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?
ক) পূর্ব বাংলার মানুষ
খ) পশ্চিমবঙ্গের মানুষ
গ) ভারতের মানুষ
ঘ) আসামের মানুষ
উত্তর: ক) পূর্ব বাংলার মানুষ
১১১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
ক) গদ্যছন্দ
খ) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
গ) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
ঘ) অমিত্রাক্ষর ছন্দ
উত্তর: ক) গদ্যছন্দ
