You are currently viewing বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন mcq : ৯০+ নির্বাচিত বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন mcq : ৯০+ নির্বাচিত বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি লেখক হিসেবে পরিচিত। ‘বাঙ্গালার নব লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘প্রচার’ পত্রিকায়, ১৮৮৫ সালে। পরে এটি তাঁর ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ নামক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়। সাধু রীতিতে লেখা এই প্রবন্ধটি আকারে ছোটো হলেও চিন্তার মৌলিকতায় অসাধারণ। বক্তব্যের তাৎপর্য বিচার করলে প্রবন্ধটির রয়েছে সর্বকালীন বৈশ্বিক আবেদন। নতুন লেখকদের প্রতি তিনি কিছু পরামর্শ এখানে উপস্থাপন করেছেন, তার প্রতিটি বাক্য পালনযোগ্য। তিনি বলেন, খ্যাতি বা অর্থের উদ্দেশ্যে নয়; লিখতে হবে মানুষের কল্যাণ সাধন কিংবা সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে।

বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, অসত্য, নীতি-নৈতিকতা বিরোধী কিংবা পরনিন্দার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা অশ্লীল লেখা পরিহার করা বাঞ্ছনীয়। তিনি বলতে চান, নতুন লেখকরা কিছু লিখে তা হঠাৎ করে না ছাপিয়ে কিছুদিন অপেক্ষা করে বারবার পাঠ ও সংশোধন করলে লেখাটি সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। যার যে বিষয়ে অধিকার নেই সে বিষয়ে লেখার চেষ্টা করা যেমন অনুচিত, তেমনি লেখায় বিদ্যা জাহির করার প্রবণতাকেও তিনি নিন্দনীয় বলে মনে করেছেন। পাশাপাশি তিনি অনুকরণবৃত্তিকে নিন্দা করেছেন। অনাবশ্যকভাবে লেখার সৌষ্ঠব বৃদ্ধি বা পরিহাস করার চেষ্টাও তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সারল্যকেই তিনি সকল অলংকারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অলংকার বলে মনে করেছেন। সর্বোপরি তিনি বস্তুনিষ্ঠতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এভাবে এই ছোটো লেখাটিতে তিনি লেখকের আদর্শ কী হওয়া উচিত তা অত্যাবশ্যকীয়ভাবে উপস্থাপন করেছেন।

নবীন লেখকরা বঙ্কিমচন্দ্রের পরামর্শ অনুসরণ করলে লেখক ও পাঠক উভয়েই নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন; আমাদের মননশীল ও সৃজনশীল জগৎ হবে সমৃদ্ধ থেকে সমৃদ্ধতর।




১. ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭শে জুন কোন সাহিত্যিকের জন্ম তারিখ?

ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

খ) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তর: ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

২. বাংলা ভাষায় প্রথম শিল্পসম্মত উপন্যাস রচনার কৃতিত্ব কার?

ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উত্তর: ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৩. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পেশাগত জীবনে কী ছিলেন?

ক) অধ্যাপক

খ) ব্যবসায়ী

গ) প্রকৌশলী

ঘ) ম্যাজিস্ট্রেট

উত্তর: ঘ) ম্যাজিস্ট্রেট

৪. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কী হিসেবে খ্যাতি ছিল?

ক) জনদরদি শাসক

খ) যোগ্য বিচারক

গ) ডেপুটি কালেক্টর

ঘ) পরোপকারী জমিদার

উত্তর: খ) যোগ্য বিচারক

৫. বঙ্কিমচন্দ্রের গ্রন্থ সংখ্যা কতটি?

ক) ৩২

খ) ৩৪

গ) ৫৪

ঘ) ৬৪

উত্তর: খ) ৩৪

৬. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় চাকরি সূত্রে কোথায় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করে নীলকরদের অত্যাচার দমন করেছিলেন?

ক) যশোরে

খ) বরিশালে

গ) ঢাকায়

ঘ) খুলনায়

উত্তর: ঘ) খুলনায়

৭. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন?

ক) বঙ্গদর্শন

খ) সাধনা

গ) বেঙ্গল গেজেট

ঘ) সংবাদ প্রভাকর

উত্তর: ঘ) সংবাদ প্রভাকর

৮. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?

ক) সংবাদ প্রভাকর

খ) বঙ্গদর্শন

গ) দিগদর্শন

ঘ) সমাচার দর্পণ

উত্তর: খ) বঙ্গদর্শন

৯. ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?

ক) ১৮৭০

খ) ১৮৭১

গ) ১৮৭২

ঘ) ১৮৭৩

উত্তর: গ) ১৮৭২

১০. কত খ্রিস্টাব্দে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়?

ক) ১৮৫০

খ) ১৮৫১

গ) ১৮৫২

ঘ) ১৮৫৩

উত্তর: গ) ১৮৫২

১১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?

ক) কপালকুণ্ডলা

খ) মৃণালিনী

গ) কৃষ্ণকান্তের উইল

ঘ) দুর্গেশনন্দিনী

উত্তর: ঘ) দুর্গেশনন্দিনী

১২. ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসের লেখক কে?

ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

উত্তর: ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৩. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ইংরেজি উপন্যাসটির নাম কী?

ক) Rajmohan’s Wife

খ) Sultana’s Dream

গ) Civilization

ঘ) Conquest of Happiness

উত্তর: ক) Rajmohan’s Wife

১৪. ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ বঙ্কিমচন্দ্রের একটি—

ক) উপন্যাস

খ) পদ্য

গ) গল্প

ঘ) গদ্য গ্রন্থ

উত্তর: ঘ) গদ্য গ্রন্থ

১৫. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কবে মৃত্যুবরণ করেন?

ক) ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দের ৮ এপ্রিল

খ) ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দের ৮ এপ্রিল

গ) ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দের ৮ এপ্রিল

ঘ) ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ এপ্রিল

উত্তর: ঘ) ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ এপ্রিল

১৬. ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার শুরুতে লেখক কীসের জন্য লিখতে নিষেধ করেছেন?

ক) অর্থ

খ) যশ

গ) ধর্ম

ঘ) সৌন্দর্য

উত্তর: খ) যশ

১৭. যশের জন্য লিখলে কী হবে?

ক) যশ হবে

খ) লেখা ভালো হবে

গ) অর্থ হবে

ঘ) লেখা ভালো হবে না

উত্তর: ঘ) লেখা ভালো হবে না

১৮. কোন ক্ষেত্রে লেখক যশের অধিকারী হবেন?

ক) লেখা ভালো হলে

খ) লেখক সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হলে

গ) যশের জন্য লিখলে

ঘ) অর্থের জন্য লিখলে

উত্তর: ক) লেখা ভালো হলে

১৯. ‘যশ’ শব্দের অর্থ কী?

ক) সুনাম

খ) ক্ষমতা

গ) সুবিচার

ঘ) দক্ষতা

উত্তর: ক) সুনাম

২০. জনসাধারণের মনোরঞ্জন বা সন্তোষবিধানকে কী বলা হয়?
ক) লোকরঞ্জন

খ) লোকমর্দন

গ) লোকদমন

ঘ) লোকভর্তা

উত্তর: ক) লোকরঞ্জন

২১. ধর্মবিরুদ্ধ বলতে কী বোঝায়?
ক) ধর্মের বিরোধী

খ) নীতি-নৈতিকতার বিরোধী

গ) সরলতার বিরোধী

ঘ) অনুকরণের বিরোধী

উত্তর: খ) নীতি-নৈতিকতার বিরোধী

২২. ‘কোটেশন’ অর্থ কী?
ক) অলংকার

খ) ব্যাখ্যা

গ) উদ্ধৃতি

ঘ) সংশোধন

উত্তর: গ) উদ্ধৃতি


২৩. অন্যের লেখা থেকে বক্তব্য উদ্ধার করে অপর লেখায় ব্যবহারের নাম কী?

ক) ডিকটেশন

খ) কোটেশন

গ) কালেকশন

ঘ) ডিটেকশন

উত্তর: খ) কোটেশন


২৪. ‘অলংকার’ শব্দ দিয়ে কোনটি বোঝায়?

ক) শোভা

খ) আচ্ছাদন

গ) সৌষ্ঠব

ঘ) সৃজন

উত্তর: ক) শোভা

২৫. রচনার ভাষার মাধুর্য ও উৎকর্ষ বৃদ্ধি করে এমন গুণকে কী বলা হয়?
ক) বস্তুনিষ্ঠ

খ) অলংকার

গ) প্রাঞ্জলতা

ঘ) লোকরঞ্জন

উত্তর: খ) অলংকার


২৬. ‘ব্যঙ্গ’ অর্থ কী?

ক) বিদ্রূপ

খ) সমালোচনা

গ) অনুকরণ

ঘ) বিকৃত

উত্তর: ক) বিদ্রূপ


২৭. ‘কদাপি’ শব্দের অর্থ কী?

ক) আজ পর্যন্ত

খ) যখন

গ) কোনোকালে

ঘ) তখন

উত্তর: গ) কোনোকালে


২৮. ‘বাঙ্গালা’ শব্দ দ্বারা কোনটি বোঝানো হয়?

ক) বাংলাদেশ

খ) বাংলা ভাষা

গ) বাংলার মানুষ

ঘ) বাংলার প্রকৃতি

উত্তর: খ) বাংলা ভাষা


২৯. বঙ্কিমচন্দ্রের কালে ‘বাংলা’কে কীভাবে লেখা হতো?

ক) বাংল

খ) বাঙ্গালা

গ) বাঙলা

ঘ) ব্যাঙ্গালা

উত্তর: খ) বাঙ্গালা

৩০. ‘বাংলা’ শব্দের পরিবর্তনের সঠিক ধারা কোনটি?
ক) বাঙ্গালা-বাঙ্গালা-বাংলা

খ) বাঙ্গালা-বাঙলা-বাংলা

গ) বাঙালা-বাঙ্গালা-বাংলা

ঘ) বাঙ্গালা-বাঙ্গালা-বাঙ্গালা

উত্তর: খ) বাঙ্গালা-বাঙলা-বাংলা


৩১. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার লেখক কে?

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গ) প্রমথ চৌধুরী

ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তর: খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়


৩২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি লেখক?

ক) সতেরো

খ) আঠারো

গ) উনিশ

ঘ) বিশ

উত্তর: গ) উনিশ


৩৩. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধটি কত খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়?

ক) ১৮৮২

খ) ১৮৭৫

গ) ১৮৮৫

ঘ) ১৮৯২

উত্তর: গ) ১৮৮৫

৩৪. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

ক) সবুজপত্র

খ) বঙ্গদর্শন

গ) প্রচার

ঘ) সন্দেশ

উত্তর: গ) প্রচার

৩৫. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটি বঙ্কিমচন্দ্রের কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?

ক) লোকরহস্য

খ) কৃষ্ণচরিত্র

গ) কমলাকান্তের দপ্তর

ঘ) বিবিধ প্রবন্ধ

উত্তর: ঘ) বিবিধ প্রবন্ধ

৩৬. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধটি কোন রীতিতে রচিত?

ক) কাব্য রীতি

খ) সাধু রীতি

গ) চলিত রীতি

ঘ) সাধু ও চলিত উভয় রীতি

উত্তর: খ) সাধু রীতি

৩৭. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার লক্ষ্যণীয় বিষয় কোনটি?

ক) বিদেশি সাহিত্যের অনুকরণ

খ) দুর্বোধ্য শব্দের ব্যবহার

গ) চিন্তার মৌলিকত্ব

ঘ) লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি

উত্তর: গ) চিন্তার মৌলিকত্ব

৩৮. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?

ক) এর সর্বকালীন বৈশ্বিক আবেদন রয়েছে

খ) এটি সাময়িক সাহিত্য হিসেবে গণ্য

গ) এতে লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি প্রবল হয়ে উঠেছে

ঘ) এটি কথ্য ভাষায় রচিত

উত্তর: ক) এর সর্বকালীন বৈশ্বিক আবেদন রয়েছে

৩৯. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটি লেখক কাদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন?

ক) নবীন লেখক

খ) প্রাচীন লেখক

গ) অভিজ্ঞ লেখক

ঘ) আনাড়ি লেখক

উত্তর: ক) নবীন লেখক

৪০. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, কোন ধরনের লেখা পরিহার করা বাঞ্ছনীয়?

ক) সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে লেখা

খ) মানবকল্যাণের লক্ষ্যে লেখা

গ) নীতি-নৈতিকতা বিরোধী লেখা

ঘ) বিদেশি সাহিত্যের অনুবাদমূলক লেখা

উত্তর: গ) নীতি-নৈতিকতা বিরোধী লেখা

৪১. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, নতুন লেখকরা লেখার পর তাৎক্ষণিকভাবে না ছাপিয়ে পুনরায় পাঠ করা উচিত কেন?

ক) যশ লাভের জন্য সাধনা প্রয়োজন বলে

খ) লেখা ছাপানোর সঙ্গে অর্থের যোগ আছে বলে

গ) নবীন লেখকদের লেখা ভালো হয় না বলে

ঘ) লেখার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য

উত্তর: ঘ) লেখার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য

৪২. বঙ্কিমচন্দ্র রচনা লেখার ক্ষেত্রে কোনটিকে নিন্দনীয় বলেছেন?

ক) অনাবশ্যিকভাবে সৌষ্ঠব বৃদ্ধির চেষ্টা

খ) বস্তুনিষ্ঠার প্রতি অধিক গুরুত্বারোপ

গ) বিদ্যা জাহির করার প্রবণতা

ঘ) সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়

উত্তর: গ) বিদ্যা জাহির করার প্রবণতা

৪৩. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, লেখার ক্ষেত্রে কোনটি দূষণীয়?

ক) লেখায় সৌন্দর্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা

খ) লেখার সৌষ্ঠব বৃদ্ধি

গ) লেখা তাৎক্ষণিকভাবে না ছাপানো

ঘ) অনুকরণের প্রবণতা

উত্তর: ঘ) অনুকরণের প্রবণতা

৪৪. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনা পড়লে কী জানা যাবে?

ক) প্রাঞ্জল রচনা লেখার উপায়

খ) আদর্শ লেখক হওয়ার উপায়

গ) লেখায় সৌন্দর্য সৃষ্টির উপায়

ঘ) লিখে অর্থ উপার্জনের উপায়

উত্তর: খ) আদর্শ লেখক হওয়ার উপায়

৪৫. ‘বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনা কোন ক্ষেত্রে সহায়ক হবে?

ক) চলিত ভাষার চর্চায়

খ) মননশীলতা ও সৃজনশীলতার চর্চায়

গ) বিদেশি সাহিত্য চর্চায়

ঘ) অনুকরণবৃত্তি চর্চায়

উত্তর: খ) মননশীলতা ও সৃজনশীলতার চর্চায়

৪৬. লেখকের ‘লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি’ প্রবল হলে উঠে কি কারণে?

ক) পাঠকের রুচি বিবেচনায় আনলে

খ) অর্থা্লাভের আশায় লিখলে

গ) সৌন্দর্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য থাকলে

ঘ) বিদ্যা প্রকাশের প্রচেষ্টা থাকলে

উত্তর: খ) অর্থা্লাভের আশায় লিখলে

৪৭. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘লেখা’ ফেলে রাখতে বলেছেন কেন?

ক) উপযুক্ত প্রমাণ সংযোজনের সুবিধার্থে

খ) পাঠকের মনে চাহিদার উদ্রেক করতে

গ) লেখার ভুল-ত্রুটি সংশোধন করতে

ঘ) মনুষ্যজাতির মঙ্গল সাধন করতে

উত্তর: গ) লেখার ভুল-ত্রুটি সংশোধন করতে


৪৮. লেখকের মতে লেখা ভালো হলে কোনটি নিশ্চিত?

ক) অর্থ আপনিই আসবে

খ) অলঙ্কার আপনিই আসবে

গ) খ্যাতি আপনিই আসবে

ঘ) প্রকাশক আপনিই আসবে

উত্তর: গ) খ্যাতি আপনিই আসবে

৪৯. রচনার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে লেখক কীসের জন্য লিখতে বারণ করেছেন?

ক) যশের

খ) টাকার

গ) ক্ষমতার

ঘ) ব্যক্তিস্বার্থের

উত্তর: খ) টাকার

৫০. প্রবন্ধ অনুসারে কোথায় অনেকে টাকার জন্য লেখে এবং টাকাও পায়?

ক) এশিয়ায়

খ) ইউরোপে

গ) আফ্রিকায়

ঘ) অস্ট্রেলিয়ায়

উত্তর: খ) ইউরোপে

৫১. ‘আমাদের এখনও সে দিন হয় নাই’— কোন দিন?

ক) টাকার বিনিময়ে সুসাহিত্য রচনার দিন

খ) সম্মানি ছাড়াই সুসাহিত্য রচনার দিন

গ) সুশিক্ষার প্রভাবে সুসাহিত্য রচনার দিন

ঘ) শিক্ষা ছাড়াই সুসাহিত্য রচনার দিন

উত্তর: ক) টাকার বিনিময়ে সুসাহিত্য রচনার দিন

৫২. অর্থের উদ্দেশ্যে লিখতে গেলে আমাদের কোন প্রবৃত্তি প্রবল হয়ে ওঠে?

ক) চুরি করার প্রবৃত্তি

খ) স্বার্থসাধন প্রবৃত্তি

গ) হিংসাত্মক প্রবৃত্তি

ঘ) লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি

উত্তর: ঘ) লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি

৫৩. আমাদের সাধারণ পাঠকের রুচি ও শিক্ষা বিবেচনা করে লোকরঞ্জন করা হলে রচনা কেমন হয়ে ওঠে?

ক) সত্য ও সুন্দর

খ) জটিল ও দুর্বোধ্য

গ) বিকৃত ও অনিষ্টকর

ঘ) সরল ও সহজবোধ্য

উত্তর: গ) বিকৃত ও অনিষ্টকর

৫৪. আমাদের সাধারণ পাঠকের মনোরঞ্জন করে সাহিত্য রচনা করা হলে রচনা বিকৃত ও অনিষ্টকর হয়ে ওঠে কেন?

ক) তাতে অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা বেশি থাকে বলে

খ) লেখক যশ লাভের আশায় লেখেন বলে

গ) সাধারণ পাঠকগণ শিক্ষা ও রুচিতে পিছিয়ে বলে

ঘ) লেখা জটিল ও দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে বলে

উত্তর: গ) সাধারণ পাঠকগণ শিক্ষা ও রুচিতে পিছিয়ে বলে

৫৫. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য কোনটি?

ক) মানবকল্যাণ

খ) লোকরঞ্জন

গ) যশলাভ

ঘ) অর্থলাভ

উত্তর: ক) মানবকল্যাণ

৫৬. ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে কোনটি সাহিত্য রচনার অন্যতম উদ্দেশ্য বলা হয়েছে?

ক) প্রতিপত্তি অর্জন

খ) খ্যাতি লাভ

গ) সৌন্দর্য সৃষ্টি

ঘ) ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধার

উত্তর: গ) সৌন্দর্য সৃষ্টি

৫৭. ‘তবে অবশ্য লিখিবেন’— কোন ক্ষেত্রে?

ক) যদি ব্যক্তিস্বার্থ হুমকির মুখে পড়ে

খ) যদি লিখলে অর্থপ্রাপ্তি ঘটে

গ) যদি যশ লাভের সম্ভাবনা থাকে

ঘ) যদি সত্য ও সুন্দরের সৃষ্টি হয়

উত্তর: ঘ) যদি সত্য ও সুন্দরের সৃষ্টি হয়

৫৮. মানবকল্যাণ ও সৌন্দর্য সৃষ্টি ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচয়িতাদের লেখক কাদের সাথে তুলনা করেছেন?

ক) রিকশাওয়ালা

খ) যাত্রাওলা

গ) ফেরিওয়ালা

ঘ) কাবুলিওয়ালা

উত্তর: খ) যাত্রাওলা

৫৯. ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনায় কোন ব্যবসায়ীদের নীচ শ্রেণির বলা হয়েছে?

ক) সবজি ব্যবসায়ী

খ) চামড়া ব্যবসায়ী

গ) যাত্রা ব্যবসায়ী

ঘ) ধান ব্যবসায়ী

উত্তর: গ) যাত্রা ব্যবসায়ী

৬০. বাঁধন নিজের প্রতিপত্তি বাড়ানোর জন্য স্থানীয় দুর্নীতিবাজ নেতার গুণগান করে প্রবন্ধ লিখল। ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনা অনুসারে সে কোন শ্রেণির লেখকের সমতুল্য?

ক) বাড়িওয়ালা

খ) কাবুলিওয়ালা

গ) ফেরিওয়ালা

ঘ) যাত্রাওলা

উত্তর: ঘ) যাত্রাওলা

৬১. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে কোন প্রবন্ধ কখনো হিতকর হতে পারে না?

ক) যা অত্যন্ত দুর্বোধ্য

খ) যাতে বানান ভুলের আধিক্য আছে

গ) যা মানুষের অনিষ্ট সাধন করে

ঘ) যাতে লোকরঞ্জন করা যায়

উত্তর: গ) যা মানুষের অনিষ্ট সাধন করে

৬২. ‘সুতরাং তাহা একেবারে পরিহার্য’— কোনটি?

ক) লোকরঞ্জনের প্রবৃত্তি

খ) লেখাকে সরল করে তোলার চেষ্টা

গ) সব প্রমাণ লেখায় সংযুক্তকরণ

ঘ) মানবকল্যাণ ব্যতীত ভিন্ন উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা

উত্তর: ঘ) মানবকল্যাণ ব্যতীত ভিন্ন উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা

৬৩. সত্য ও ধর্ম ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণকে বঙ্কিমচন্দ্র কী বলেছেন?

ক) মহাপাপ

খ) ব্যক্তিস্বাধীনতা

গ) অপ্রয়োজনীয়

ঘ) অলৌকিক

উত্তর: ক) মহাপাপ

৬৪. লেখাকে কিছুকাল ফেলে রাখলে কী লাভ হয়?

ক) বাজারে লেখকের চাহিদা বাড়ে

খ) অধিক অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়

গ) ভুল-ত্রুটিগুলো নজরে আসে

ঘ) প্রকাশের সম্ভাবনা কমে যায়

উত্তর: গ) ভুল-ত্রুটিগুলো নজরে আসে

৬৫. রচনার উৎকর্ষ সাধনের জন্য বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরামর্শ কী?

ক) লেখার পর ত্রুটি সংশোধনে সময় নেওয়া

খ) লেখায় বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা

গ) লেখায় অলংকার প্রয়োগে সচেতন হওয়া

ঘ) উন্নত সাহিত্যের অনুকরণ করা

উত্তর: ক) লেখার পর ত্রুটি সংশোধনে সময় নেওয়া

৬৬. ঝুমকি লেখা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষার খাতা জমা দেয় না। যাতে অন্তত পাঁচ মিনিট সময় রেখে লেখা শেষ করে এবং পুরো খাতার একবার চোখ বুলিয়ে দেখে সব ঠিকঠাক আছে কি না। ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার কোন উক্তিটি অনুচ্ছেদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

ক) যশের জন্য লিখিবেন না

খ) যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না

গ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না

ঘ) কাহারও অনুকরণ করিও না

উত্তর: খ) যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না

৬৭. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কাব্য, নাটক ও উপন্যাস কত বছর ফেলে রেখে সংশোধন করতে বলেছেন?

ক) এক দুই

খ) দুই তিন

গ) দুই এক

ঘ) দুই চার

উত্তর: গ) দুই এক

৬৮. প্রিয়ন্তী উড়োজাহাজ তৈরির জন্য সরঞ্জাম প্রস্তুত করা শুরু করে। প্রায় তিন বছর পর সে গবেষণায় সফল হয় এবং একটি চালকবিহীন ছোটো উড়োজাহাজ ওড়াতে সক্ষম হয়। প্রিয়ন্তী ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার কোন চরিত্রের বিপরীত?

ক) সাময়িক লেখক

খ) নব্য লেখক

গ) অস্থির পাঠক

ঘ) সুচিন্তিত সুবোধ লেখক

উত্তর: ক) সাময়িক লেখক

৬৯. রচনার উৎকর্ষ সাধনে সময় নেওয়া হয়ে ওঠে না কাদের?

ক) যারা যশলাভে আগ্রহী

খ) যারা সাময়িক সাহিত্যে আগ্রহী

গ) যারা অলংকার পরিত্যাগে আগ্রহী

ঘ) যারা বিদ্যা প্রকাশে আগ্রহী

উত্তর: খ) যারা সাময়িক সাহিত্যে আগ্রহী

৭০. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, কোনটি লেখকের পক্ষে অবনতিকর?

ক) সাময়িক সাহিত্য রচনার চেষ্টা

খ) অতি সরল রচনা লেখার চেষ্টা

গ) লেখায় প্রমাণ দাখিলের চেষ্টা

ঘ) মানবকল্যাণে লেখার চেষ্টা

উত্তর: ক) সাময়িক সাহিত্য রচনার চেষ্টা

৭১. বিভিন্ন উপলক্ষে আকাশকে অল্প সময়ে প্রবন্ধ লিখে পত্রিকা অফিসে ছাপাতে হয়। সময় স্বল্পতার কারণে সে নিজের লেখাটি দু-একবারের বেশি পড়ে দেখতে পারে না। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, আকাশের লেখা প্রবন্ধগুলোকে কী বলা যায়?

ক) অপসাহিত্য

খ) সাময়িক সাহিত্য

গ) বিকৃত সাহিত্য

ঘ) চিরন্তন সাহিত্য

উত্তর: খ) সাময়িক সাহিত্য

৭২. ‘যে বিষয়ে যার অধিকার নাই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য’— এ বিষয়টি কোন সাহিত্যে রক্ষিত হয়?

ক) প্রবন্ধ সাহিত্য

খ) নাট্য সাহিত্য

গ) সাময়িক সাহিত্য

ঘ) কাব্য সাহিত্য

উত্তর: গ) সাময়িক সাহিত্য

৭৩. রচনায় জোরপূর্বক কোনটি প্রকাশের চেষ্টা থেকে বঙ্কিমচন্দ্র বিরত থাকতে বলেছেন?

ক) ভাব

খ) বিদ্যা

গ) প্রাঞ্জলতা

ঘ) সত্য

উত্তর: খ) বিদ্যা

৭৪. ‘বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না’ কারণ বিদ্যা—

ক) পাঠক অপমানিত বোধ করে

খ) রচনার সরলতা নষ্ট হয়

গ) স্বাভাবিকভাবেই প্রকাশ পায়

ঘ) সব পাঠকের রুচি এক নয়

উত্তর: গ) স্বাভাবিকভাবেই প্রকাশ পায়

৭৫. রচনায় লেখকের বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা পাঠকের জন্য কী হয়ে ওঠে?

ক) অবমাননাকর

খ) বিরক্তিকর

গ) হানিকর

ঘ) ভয়ংকর

উত্তর: খ) বিরক্তিকর

৭৬. ‘রচনার পারিপাট্যের বিশেষ হানিনজনক’— কোনটি?

ক) রচনা ফেলে রাখা

খ) অলংকার প্রয়োগ

গ) প্রমাণাদি সংযুক্ত করা

ঘ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা

উত্তর: ঘ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা

৭৭. এখনকার প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কোনটি বড়ো বেশি দেখতে পান?

ক) বিদেশি ভাষার উপস্থিতি

খ) মাতৃভাষার উপস্থিতি

গ) সাধু ভাষার উপস্থিতি

ঘ) চলিত ভাষার উপস্থিতি

উত্তর: ক) বিদেশি ভাষার উপস্থিতি

৭৮. প্রবন্ধে বিদেশি ভাষার উপস্থিতির আধিক্য কোনটি প্রমাণ করে?

ক) অনধিকার চর্চা

খ) সাময়িক আসক্তি

গ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা

ঘ) অলংকারের অপ্রয়োগ

উত্তর: গ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা

৭৯. বঙ্কিমচন্দ্র রচনায় লেখককে কোন ভাষার উপস্থিতি ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করেছেন?

ক) দেশি ভাষার

খ) সাধু ভাষার

গ) লেখকের অজানা ভাষার

ঘ) ইংরেজি ভাষার

উত্তর: ঘ) ইংরেজি ভাষার

৮০. রচনায় অলংকার প্রয়োগ বা রসিকতার ব্যাপারে বঙ্কিমচন্দ্রের মত কী?

ক) এটি নিতান্তই অপ্রয়োজনীয়

খ) জোরপূর্বক ব্যবহার বর্জনীয়

গ) যত বেশি সম্ভব করা উচিত

ঘ) লেখকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে

উত্তর: খ) জোরপূর্বক ব্যবহার বর্জনীয়

৮১. রচনায় অলংকার বা ব্যঙ্গ প্রয়োগের পরিমিতি নির্ভর করে কীসের উপর?

ক) লেখকের মুন্সিয়ানার উপর

খ) পাঠকের বোধগম্যতার উপর

গ) প্রকাশকের চাহিদার উপর

ঘ) বিদ্যা প্রকাশের দক্ষতার উপর

উত্তর: ক) লেখকের মুন্সিয়ানার উপর

৮২. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, কোনটির মতো কদর্য আর কিছুই নেই?

ক) রচনাকে অতি সরল করার চেষ্টা

খ) অর্থ লাভের আশায় সাহিত্য রচনা

গ) রচনায় ব্যঙ্গ বা অলঙ্কার অযাচিত প্রয়োগ

ঘ) রচনা লেখার পর দীর্ঘকাল ফেলে রাখা

উত্তর: গ) রচনায় ব্যঙ্গ বা অলঙ্কার অযাচিত প্রয়োগ

৮৩. পত্রিকায় একটি লেখা পড়ে সোবহান সাহেব খুব বিরক্ত হলেন। অপ্রয়োজনীয় নানা বিশেষণে তা ভরপুর। এছাড়াও তাঁর মনে হলো যেন কাতুকুতু দিয়ে জোর করে হাসানোর চেষ্টা করেছেন লেখক। ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনা অনুসারে লেখাটিতে কোনটি লক্ষণীয়?

ক) যশ লাভের জন্য লেখার চেষ্টা

খ) বিদেশি রচনার অনুকরণ

গ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা

ঘ) ব্যঙ্গ ও অলংকারের অপ্রয়োগ

উত্তর: ঘ) ব্যঙ্গ ও অলংকারের অপ্রয়োগ

৮৪. ‘যে স্থানে অলঙ্কার বা ব্যঙ্গ বড়ো সুন্দর বলিয়া বোধ হইবে, সেই স্থানটি কাটিয়া দিবে’— এটি কেমন বিধি?

ক) নতুন

খ) প্রাচীন

গ) চিরন্তন

ঘ) অত্যাবশ্যকীয়

উত্তর: খ) প্রাচীন

৮৫. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, কে শ্রেষ্ঠ লেখক?

ক) যিনি যশ লাভের আশায় লেখেন না

খ) যিনি অর্থ লাভের আশায় লেখেন না

গ) যাঁর লেখায় মনের ভাব সহজেই ফুটে ওঠে

ঘ) যাঁর লেখায় বিদ্যা ও অলংকারের আধিক্য থাকে

উত্তর: খ) যিনি অর্থ লাভের আশায় লেখেন না

৮৬. সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার কোনটি?

ক) রীতি

খ) জটিলতা

গ) সরলতা

ঘ) মাধুর্য

উত্তর: ক) রীতি

৮৭. বঙ্কিমচন্দ্র কারো লেখার অনুকরণ করতে নিষেধ করেছেন কেন?

ক) অনুকরণে গুণগুলো অনুকৃত হয়

খ) অনুকরণে দোষগুলো অনুকৃত হয়

গ) অনুকরণে বিদ্যা প্রকাশ পায়

ঘ) অনুকরণে অনধিকার চর্চা ঘটে

উত্তর: খ) অনুকরণে দোষগুলো অনুকৃত হয়

৮৮. ‘ব্যধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নহে’— ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার কোন কথাটির ক্ষেত্রে উক্তিটি প্রযোজ্য?

ক) সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা

খ) বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না

গ) অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না

ঘ) টাকার জন্য লিখিবেন না

উত্তর: গ) অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না

৮৯. ‘এ কথা কদাপি মনে স্থান দিও না’— কোন কথা?

ক) অনুকরণের বাসনা

খ) প্রাঞ্জলতার ধারণা

গ) রচনা কিছুকাল ফেলে রাখা

ঘ) মানবকল্যাণের উদ্দেশ্যে লেখা

উত্তর: ক) অনুকরণের বাসনা

৯০. কোনো বিষয়ে লেখার সময় যথেষ্ট প্রমাণ না থাকলে সে বিষয়ে—

ক) লিখিও না

খ) থামিও না

গ) প্রমাণ আবশ্যক নহে

ঘ) পরে সংগ্রহ করিও

উত্তর: ক) লিখিও না

৯১. কোনো বিষয়ে লেখার জন্য প্রমাণাদি সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়ে বঙ্কিমচন্দ্রের পরামর্শ কী?

ক) সব প্রমাণাদি লেখায় সংযুক্ত করতে হবে

খ) সব প্রমাণাদি হাতে থাকতে হবে

গ) প্রমাণ পরে সংগ্রহ করে নিতে হবে

ঘ) কিছু প্রমাণ সংগ্রহে রাখতে হবে

উত্তর: খ) সব প্রমাণাদি হাতে থাকতে হবে

৯২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোনটিকে ‘বাংলার ভরসা’ বলেছেন?

ক) বাংলার সাহিত্য

খ) বাংলার প্রকৃতি

গ) বাংলার কৃষি

ঘ) বাংলার মানুষ

উত্তর: ক) বাংলার সাহিত্য

৯৩. ‘বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কোন উদ্দেশ্যে পরামর্শ প্রদান করেছেন?

ক) বাংলার লেখকদের অর্থনৈতিক দৈন্য দূরীকরণে

খ) বাংলা ভাষার পত্রিকাগুলোর প্রসারে

গ) বাংলা সাহিত্যের উন্নতিকল্পে

ঘ) সাধু-চলিত ভাষারীতির দ্বন্দ্ব নিরসনে

উত্তর: গ) বাংলা সাহিত্যের উন্নতিকল্পে

৯৪. সৃজনশীল লিখনশৈলীর উৎকর্ষ সাধনে কোন রচনাটি সর্বাপেক্ষা সাহায্য করবে?

ক) আমার পথ

খ) বায়ুর দিনগুলো

গ) বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন

ঘ) একটি তুলসী গাছের কাহিনী

উত্তর: গ) বাংলার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন

Author

  • "শীতের চরম শিখরে আমি অবশেষে আবিষ্কার করলাম যে আমার ভেতরে এক অপরাজেয় গ্রীষ্ম বাস করে।"

    — আলবার্ট কামুস

    View all posts