কবিতাটি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি‘-র নাম কবিতা। রচনাটিতে বিষয় ও আঙ্গিকগত অভিনবত্ব রয়েছে। আলোচ্য কবিতাটিতে উচ্চারিত হয়েছে ঐতিহ্যসচেতন শিকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির দৃপ্ত ঘোষণা। প্রকৃতপক্ষে, রচনার প্রেক্ষাপটে আছে বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস; এই জাতির সংগ্রাম, বিজয় ও মানবিক উদ্ভাসনের অনিন্দ্য অনুষঙ্গসমূহ। তিনি এই কবিতায় পৌনঃপুনিকভাবে মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষায় সোচ্চার হন। কবির একান্ত প্রত্যাশিত মুক্তির প্রতীক হয়ে উপস্থাপিত হয় একটি বিশেষ শব্দবন্ধ ‘কবিতা’। কবি তাঁর পূর্বপুরুষের সাহসী ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে তাঁর বক্তব্যকে এগিয়ে নিয়ে চলেন। কবির বর্ণিত এই ইতিহাস মাটির কাছাকাছি মানুষের ইতিহাস; বাংলার ভূমিজীবী অনার্য ক্রীতদাসের লড়াই করে টিকে থাকার ইতিহাস। ‘কবিতা’ ও সত্যের অভেদকল্পনার মধ্য দিয়ে কবি নিয়ে আসেন মায়ের কথা, বোনের কথা, ভাইয়ের কথা, পরিবারের কথা। কবি এ-ও জানেন মুক্তির পূর্বশর্ত যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে পরিবার থেকে দূরে সরে যেতে হয়। ভালোবাসার জন্য, তাদেরকে মুক্ত করবার জন্যই তাদের ছেড়ে যেতে হয়। এই অমোঘ সত্য কবি জেনেছেন আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস থেকে।
কবিতাটির রসোপলব্ধির অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এর আঙ্গিক বিবেচনা। এক্ষেত্রে, প্রথমেই যে বিষয়টি পাঠককে নাড়া দেয় তা হলো, একই ধাঁচের বাক্যের বারংবার ব্যবহার। কবি একদিকে “আমি কিংবদন্তির কথা বলছি” পঙক্তিটি বারংবার প্রয়োগ করেছেন, অপরদিকে “যে কবিতা শুনতে জানে না/ সে…” কাঠামোর পঙক্তিমালার ধারাবাহিক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কবিতা আর মুক্তির আবেগকে একত্রে শিল্পরূপ প্রদান করেছেন। এখানে ‘কিংবদন্তি’ শব্দবন্ধটি হয়ে উঠেছে ঐতিহ্যের প্রতীক। কবি এই নান্দনিক কৌশলের সঙ্গে সমন্বিত করেছেন গভীরতাসঞ্চারী চিত্রকল্প। একটি কবিতার শিল্পসার্থক হয়ে ওঠার পূর্বশর্ত হলো হৃদয়স্পর্শী চিত্রকল্পের যথোপযুক্ত ব্যবহার। চিত্রকল্প হলো এমন শব্দছবি যা কবি গড়ে তোলেন এক ইন্দ্রিয়ের কাজ অন্য ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে করিয়ে কিংবা একাধিক ইন্দ্রিয়ের সম্মিলিত আশ্রয়ে; আর তা পাঠক-হৃদয়ে সংবেদনা জাগায় ইন্দ্রিয়াতীত বোধের প্রকাশসূত্রে। চিত্রকল্প নির্মাণের আরেকটি শর্ত হলো অভিনবত্ব। এ সকল মৌল শর্ত পূরণ করেই আলোচ্য কবিতায় চিত্রকল্পসমূহ নির্মিত হয়েছে। কবি যখন বলেন : “কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা”; তখন এই ইন্দ্রিয় থেকে ইন্দ্রিয়াতীতের দ্যোতনাই সঞ্চারিত হয়। নিবিড় পরিশ্রমে কৃষকের ফলানো শস্য একান্তই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য একটি অনুষঙ্গ। কিন্তু এর সঙ্গে যখন কবিতাকে অভেদ কল্পনা করা হয় তখন কেবল ইন্দ্রিয় দিয়ে একে অনুধাবন করা সম্ভব হয় না। সার্বিক বিবেচনায় কবিতাটি বিষয় ও আঙ্গিকের সৌকর্যে বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন।
কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত। প্রচলিত ছন্দের বাইরে গিয়ে এটি প্রাকৃতিক তথা স্বাভাবিক ছন্দ।
১. কবির পূর্বপুরুষের করতলে কীসের সৌরভ ছিল?
ক) রক্তজবার
খ) পলিমাটির
গ) শস্যদানার
ঘ) শ্বাপদের
উত্তর: খ) পলিমাটির
২. ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ কোন কবির কবিতায় বিষয় হিসেবে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
গ) জীবনানন্দ দাশ
ঘ) সুফিয়া কামাল
উত্তর: খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
৩. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কবির পূর্বপুরুষের করতলে কীসের সৌরভ ছিল?
ক) রক্তজবার
খ) পলিমাটির
গ) শস্যদানার
ঘ) ভালোবাসার
উত্তর: খ) পলিমাটির
৪. ‘তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল’— ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার চরণটিতে বোঝানো হয়েছে পূর্বপুরুষদের—
ক) দাসত্ব
খ) শ্রমনিষ্ঠা
গ) ভূমিনির্ভরতা
ঘ) মুক্তিকামনশীলতা
উত্তর: খ) শ্রমনিষ্ঠা
৫. কোন পঙক্তিটি ‘চিত্রকল্প’ বা ‘ইমেজ’—এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ?
ক) তাহারই পড়ে মনে, ভুলিতে পারিনা কোনো মতে
খ) মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে
গ) কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা
ঘ) আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে
উত্তর: ঘ) আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে
৬. চাষি খেতে চালাইছে হাল,
তাঁতি বসে তাঁত বোনে, জেলে ফেলে জাল—
উদ্দীপকটিতে ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার যে চরণের মিল রয়েছে—
ক) তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল
খ) পতিত জমি আবাদের কথা বলতেন
গ) অরণ্য ও শ্বাপদের কথা বলতেন
ঘ) কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা
উত্তর: ঘ) কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা
৭. জিহ্বায় উচ্চারিত কেমন শব্দ কবিতা?
ক) তীক্ষ্ণ
খ) কঠিন
গ) সহজ
ঘ) সত্য
উত্তর: ঘ) সত্য
৮. ‘তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল’— এ চরণটিতে কার পিঠের ক্ষতকে নির্দেশ করা হয়েছে?
ক) কবির পূর্বপুরুষের
খ) বাংলার কৃষকদের
গ) মুক্তিযোদ্ধাদের
ঘ) কবির পিতার
উত্তর: ক) কবির পূর্বপুরুষের
৯. ‘কবিতা’কে কবি কী বলে অভিহিত করেছেন?
ক) অতিক্রান্ত পাহাড়
খ) উনুনের আগুন
গ) কর্ষিত জমির শস্যদানা
ঘ) পলিমাটির সৌরভ
উত্তর: গ) কর্ষিত জমির শস্যদানা
১০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় যে কবিতা শুনতে জানে না সে কী শুনবে?
ক) সমুদ্রের গর্জন
খ) ঝড়ের আর্তনাদ
গ) শ্বাপদের ভয়াবহতা
ঘ) অস্ত্রের ঝনঝনানি
উত্তর: খ) ঝড়ের আর্তনাদ
১১. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবির মা কীসের কথা বলতেন?
ক) সাগরের
খ) নদীর
গ) পাহাড়ের
ঘ) গাছপালার
উত্তর: খ) নদীর
১২. ‘একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলছি’— এখানে ‘উজ্জ্বল জানালা’ কীসের প্রতীক?
ক) স্বাধীনতার সূর্য
খ) জ্ঞানের পূর্ণ বিকাশ
গ) চেতনার স্বাধীনতা
ঘ) মুক্ত জীবনের প্রত্যাশা
উত্তর: ঘ) মুক্ত জীবনের প্রত্যাশা
১৩. যে কবিতা শুনতে জানে না সে মায়ের কোলে শুয়ে কী শুনতে পারে না?
ক) গান
খ) কবিতা
গ) ছড়া
ঘ) গল্প
উত্তর: ঘ) গল্প
১৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ভালোবাসা দিলে কে মরে যায়?
ক) মা
খ) গর্ভবতী বোন
গ) সন্তান
ঘ) মায়ের ছেলেরা
উত্তর: ঘ) মায়ের ছেলেরা
১৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়’— চরণটির তাৎপর্য কী?
ক) মায়ের ছেলেদের চলে যাওয়া
খ) মায়ের গল্প শুনতে না পারা
গ) ছেলের জন্য মায়ের উৎকণ্ঠা
ঘ) দেশের জন্য সন্তানের মায়াত্যাগ
উত্তর: ঘ) দেশের জন্য সন্তানের মায়াত্যাগ
১৬. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতা অনুসারে কীভাবে যুদ্ধ আসে?
ক) মায়ের মৃত্যুতে
খ) গর্ভবতী বোনের মৃত্যুতে
গ) রাগে
ঘ) ভালোবেসে
উত্তর: ঘ) ভালোবেসে
১৭. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবির পূর্ব পুরুষের পিঠে কীসের মতো ক্ষত ছিল?
ক) কৃষ্ণচূড়া
খ) রক্তজবা
গ) পশুর থাবা
ঘ) শ্বাপদের
উত্তর: খ) রক্তজবা
১৮. পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল। কারণ তিনি—
ক) ক্রীতদাস ছিলেন
খ) শিকারি ছিলেন
গ) পশুর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন
ঘ) অস্ত্রের আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন
উত্তর: ক) ক্রীতদাস ছিলেন
১৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায়— যে গাভীর পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
ক) দীর্ঘায়ু
খ) দীর্ঘদেহী
গ) বলিষ্ঠ
ঘ) সমৃদ্ধ
উত্তর: ক) দীর্ঘায়ু
২০. কার ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কবিতা?
ক) মায়ের
খ) বোনের
গ) সুপুরুষের
ঘ) শিল্পীর
উত্তর: গ) সুপুরুষের
২১. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় রক্তজবার প্রসঙ্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে—
ক) অনুমিত রক্তিম সূর্য
খ) জাতীয় চেতনা
গ) রক্তের প্রয়োজনীয়তা
ঘ) অত্যাচারের তাজা আঘাত
উত্তর: ঘ) অত্যাচারের তাজা আঘাত
২২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন শব্দটি ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে?
ক) পূর্বপুরুষ
খ) ক্রীতদাস
গ) কিংবদন্তি
ঘ) কবিতা
উত্তর: গ) কিংবদন্তি
২৩. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কার যুদ্ধের কথা বলেছেন?
ক) ভাইয়ের
খ) বোনের
গ) মায়ের
ঘ) পূর্বপুরুষের
উত্তর: ঘ) পূর্বপুরুষের
২৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘জননীর আশীর্বাদ’ কাকে দীর্ঘায়ু করবে?
ক) যে গাভীর পরিচর্যা করে
খ) যে মৎস্য লালন করে
গ) যে লৌহখণ্ডকে প্রজ্বলিত করে
ঘ) যে কর্ষণ করে
উত্তর: ঘ) যে কর্ষণ করে
২৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’— কবিতায় জননীর আশীর্বাদে কে দীর্ঘায়ু হবে?
ক) যে কর্ষণ করে
খ) গাভীর পরিচর্যাকারী
গ) মৎস্য লালনকারী
ঘ) লৌহখণ্ড প্রজ্বলনকারী
উত্তর: খ) গাভীর পরিচর্যাকারী
২৬. ‘আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো?’— এ অংশে কবির কোন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছে?
ক) প্রতিবাদী চেতনার
খ) সৌন্দর্যবোধ প্রকাশের
গ) ভাষার প্রগাঢ়তার
ঘ) স্বদেশপ্রীতির
উত্তর: ক) প্রতিবাদী চেতনার
২৭. ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ কী?
ক) ঐতিহ্য
খ) ইতিহাস
গ) সুনাম
ঘ) জনশ্রুতি
উত্তর: ঘ) জনশ্রুতি
২৮. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
ক) কপ্ট মায়া
খ) লোকদেখানো আদর
গ) আপনজনের উৎকণ্ঠা
ঘ) সশঙ্ক ভালোবাসা
উত্তর: গ) আপনজনের উৎকণ্ঠা
২৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় সূর্যকে হৃদপিণ্ডে ধরে রাখার মাধ্যমে কোন চেতনা প্রকাশ পায়?
ক) সখ্য ভাবনার চেতনা
খ) স্বাধীনতার চেতনা
গ) প্রতিশোধ নেওয়ার চেতনা
ঘ) আত্মরক্ষার চেতনা
উত্তর: খ) স্বাধীনতার চেতনা
৩০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় সূর্যকে হৃদপিণ্ডে ধরে রাখা বলতে হৃদয়ে সূর্যের কী ধারণ করা বোঝানো হয়েছে?
ক) আলো
খ) উত্তাপ
গ) শক্তি
ঘ) সামর্থ্য
উত্তর: গ) শক্তি
৩১. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কেন তাঁর পূর্বপুরুষের কথা বলেছেন?
ক) সাহসী ছিল বলে
খ) নিপীড়িত হয়েছে বলে
গ) গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে বলে
ঘ) জমিদার ছিল বলে
উত্তর: গ) গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে বলে
৩২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটিতে যে দিকটি উচ্চারিত হয়েছে—
ক) সর্বাঙ্গীণ মুক্তির দীপ্ত শপথ
খ) বাঙালির দাসত্বের মাত্রা
গ) দেশমাতৃকার প্রতি ভালোবাসা
ঘ) বেদনার অস্থিরতা
উত্তর: ক) সর্বাঙ্গীণ মুক্তির দীপ্ত শপথ
৩৩. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন শব্দবন্ধ মুক্তির প্রতীক হয়ে উপস্থাপিত হয়েছে?
ক) কিংবদন্তি
খ) সংস্কৃতি
গ) কবিতা
ঘ) পূর্বপুরুষ
উত্তর: গ) কবিতা
৩৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবির অনুরাগ ছুঁয়ে গেছে—
ক) মুক্তিযুদ্ধ
খ) সাহিত্য
গ) শিল্প
ঘ) সংস্কৃতি
উত্তর: ক) মুক্তিযুদ্ধ
৩৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় মুক্তির পূর্বশর্ত কী?
ক) শান্তি
খ) সাহস
গ) যুদ্ধ
ঘ) স্বাধীনতা
উত্তর: গ) যুদ্ধ
৩৬. ‘আমি যেখানেই থাকি, যেমনি থাকি, সর্বদা মনে বাংলাদেশকেই লালন করি’— উল্লেখিত অংশ ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কোন মনোভাবকে উপস্থাপন করে?
ক) শিকড়সন্ধানী
খ) দেশপ্রীতি
গ) প্রকৃতি চেতনা
ঘ) স্বাধীনতার
উত্তর: ক) শিকড়সন্ধানী
৩৭. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
ক) স্বরবৃত্ত
খ) অক্ষরবৃত্ত
গ) মাত্রাবৃত্ত
ঘ) গদ্যছন্দ
উত্তর: ঘ) গদ্যছন্দ
৩৮. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কী হিসেবে যুক্তরাজ্যে যান?
ক) লেখক
খ) বৈজ্ঞানিক
গ) চিকিৎসক
ঘ) রাষ্ট্রদূত
উত্তর: ঘ) রাষ্ট্রদূত
৩৯. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
ক) বহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি
খ) বহেরচর-বড়কাঠি
গ) পিলজংগ-ক্ষুদ্রকাঠি
ঘ) পিলজংগ-বড়কাঠি
উত্তর: ক) বহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি
৪০. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কবিতায় কোনটি প্রাধান্য পেয়েছে?
ক) বাংলাদেশের প্রকৃতি
খ) ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ
গ) যুদ্ধচেতনা
ঘ) বিয়োগচেতনা
উত্তর: খ) ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ
৪১. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন এবং সে বিষয়ে সাহিত্য রচনায় বিশেষ অবদান রাখায় আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কী লাভ করেন?
ক) একুশে পদক
খ) স্বাধীনতা পুরস্কার
গ) বাংলা একাডেমি পুরস্কার
ঘ) আদমজী পুরস্কার
উত্তর: ক) একুশে পদক
৪২. নিচের কোন কাব্যগ্রন্থটি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর রচিত?
ক) কুত্তু ও কেকা
খ) কমলের চোখ
গ) রক্তগোলাপ
ঘ) কালের কলস
উত্তর: খ) কমলের চোখ
৪৩. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
ক) ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মার্চ
খ) ২০০০ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মার্চ
গ) ২০০১ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মার্চ
ঘ) ২০০২ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মার্চ
উত্তর: গ) ২০০১ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মার্চ
৪৪. কবির পূর্বপুরুষের পলিমাটির সৌরভ ছিল কোথায়?
ক) লৌহখণ্ডে
খ) করতলে
গ) শস্যদানায়
ঘ) রক্তজবায়
উত্তর: খ) করতলে
৪৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার শুরুতে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
ক) বাঙালির দাসত্বের মাত্রা
খ) জন্মভূমির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
গ) দেশের প্রতি ভালোবাসা
ঘ) বাংলার হাজার বছরের ইতিহাস
উত্তর: ঘ) বাংলার হাজার বছরের ইতিহাস
৪৬. ‘তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল’— চরণটিতে কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
ক) কৃষিনির্ভর সমাজ
খ) পরাধীন সমাজ
গ) শোষিত পূর্বপুরুষ
ঘ) অতীত ঐতিহ্য
উত্তর: ক) কৃষিনির্ভর সমাজ
৪৭. মানুষের উপর অত্যাচারের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে কোন পঙক্তিতে?
ক) সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখতে পারে না
খ) তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
গ) সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে
ঘ) সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে
উত্তর: খ) তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
৪৮. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি রক্তজবার মতো ক্ষত বলতে কীসের ক্ষত বুঝিয়েছেন?
ক) পূর্বপুরুষদের অত্যাচারিত হওয়ার
খ) পূর্বপুরুষদের আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার
গ) পূর্বপুরুষদের নির্যাতিত হওয়ার
ঘ) পূর্বপুরুষদের নিপীড়িত হওয়ার
উত্তর: ক) পূর্বপুরুষদের অত্যাচারিত হওয়ার
৪৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘অতিক্রান্ত পাহাড়’ অনুবন্ধটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক) সংগ্রামের প্রতীক
খ) বিজয়ের প্রতীক
গ) বিপদের প্রতীক
ঘ) বাধা-বিপত্তির প্রতীক
উত্তর: ঘ) বাধা-বিপত্তির প্রতীক
৫০. ‘তিনি কবি ও কবিতার কথা বলতেন’— উক্তিটি দ্বারা কবির পূর্বপুরুষদের কোন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়?
ক) সৃজনশীল
খ) সংগ্রামী
গ) বিদ্রোহী
ঘ) উদার
উত্তর: ক) সৃজনশীল
৫১. কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কেন কবিতা হয়ে ওঠে?
ক) স্বপ্ন ও বাস্তবতার মিলনে
খ) ঐতিহ্যগতকরণের কারণে
গ) কৃষকের শ্রমের জন্য
ঘ) স্বপ্ন ও কল্পনার মিলনে
উত্তর: ক) স্বপ্ন ও বাস্তবতার মিলনে
৫২. কবির মতে, কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কী?
ক) গান
খ) স্লোগান
গ) কবিতা
ঘ) ছড়া
উত্তর: গ) কবিতা
৫৩. যে কবিতা শুনতে জানে না সে কীসের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে?
ক) মানবিকতার
খ) দিগন্তের
গ) স্বাধীনতার
ঘ) শৃঙ্খলার
উত্তর: খ) দিগন্তের
৫৪. নিচের কোনটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার চরণ নয়?
ক) যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে
খ) আমি উচ্চারিত সত্যের মতো ঘরের কথা বলছি
গ) আমি আমার উত্তরসূরিদের কথা বলছি
ঘ) আমি কবি ও কবিতার কথা বলছি
উত্তর: গ) আমি আমার উত্তরসূরিদের কথা বলছি
৫৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন পঙক্তিটি বারংবার প্রয়োগ করেছেন কবি?
ক) আমি কবি ও কবিতার কথা বলছি
খ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
গ) ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়
ঘ) আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি
উত্তর: খ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
৫৬. কবির পূর্বপুরুষেরা কবিতার অনুরাগী ছিলেন কেন?
ক) বিপ্লবী ছিলেন বলে
খ) সৃষ্টিশীল ছিলেন বলে
গ) কবিতাপ্রেমী ছিলেন বলে
ঘ) পরিশ্রমী ছিলেন বলে
উত্তর: খ) সৃষ্টিশীল ছিলেন বলে
৫৭. ‘উনুনের আগুনে আলোকিত’ চরণটি দ্বারা কী বোঝায়?
ক) সংগ্রামী জীবন
খ) পরিশুদ্ধ জীবন
গ) আত্মপ্রকাশ
ঘ) চলার আগুনে আলোকিত
উত্তর: খ) পরিশুদ্ধ জীবন
৫৮. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় উজ্জ্বল জানালার অনুকল্প ব্যবহৃত হয়েছে কেন?
ক) মুক্তজীবনের প্রত্যাশা জানাতে
খ) আনন্দের উচ্ছ্বাস বোঝাতে
গ) সকল গ্লানি মুছে ফেলতে
ঘ) শুচিশুদ্ধ হওয়ার জন্য
উত্তর: ক) মুক্তজীবনের প্রত্যাশা জানাতে
৫৯. ‘প্রবহমান নদী যে সাঁতার জানে না তাকেও ভাসিয়ে রাখে’ কথাটি কে বলতেন?
ক) মা
খ) ভাই
গ) পূর্বপুরুষ
ঘ) ক্রীতদাস
উত্তর: ক) মা
৬০. ‘আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি’ এখানে ‘বিচলিত’ অর্থ কী?
ক) চঞ্চলতাহীনতা
খ) নিত্যতা
গ) উদ্বেগ
ঘ) উচ্চারণযোগ্য
উত্তর: গ) উদ্বেগ
৬১. ‘গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি’— এর পরের লাইন কোনটি?
ক) ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়
খ) যুদ্ধ আসে ভালোবেসে
গ) মায়ের ছেলেরা চলে যায়
ঘ) আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি
উত্তর: ঘ) আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি
৬২. ‘যুদ্ধ আসে ভালোবেসে’— এর তাৎপর্য ধারণ করে কোনটি?
ক) পরাধীনতার অধিকার অর্জিত হয় যুদ্ধেই
খ) যুদ্ধ আসে বলেই দেশের প্রতি মমত্ব জাগে
গ) মানবীয় প্রেম অপ্রধান থাকে যুদ্ধ না এলে
ঘ) ‘যুদ্ধ’ ও ‘ভালোবাসা’ বিপরীত ধর্মী হলেও সমার্থক
উত্তর: খ) যুদ্ধ আসে বলেই দেশের প্রতি মমত্ব জাগে
৬৩. যে কবিতা শুনতে জানে না সে—
ক) সে নদীতে ভাসতে পারে
খ) সে ভালোবেসে যুগে যেতে পারে
গ) সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না
ঘ) সে সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখতে পারে
উত্তর: গ) সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না
৬৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ভালোবাসা দিলে মা মরে যায় কেন?
ক) ব্যাধি মা হওয়ায়
খ) সকলের মা হয়ে ওঠায়
গ) যুদ্ধের কারণে
ঘ) দেশমাতৃকার প্রয়োজনে
উত্তর: ঘ) দেশমাতৃকার প্রয়োজনে
৬৫. কেন মানুষ ভালোবেসে যুদ্ধে যেতে পারে না?
ক) কবিতার ব্যঞ্জনা জানা নেই বলে
খ) কবিতার আকৃতি জানে না বলে
গ) কবিতার মর্মার্থ জানে না বলে
ঘ) কবিতার বিপ্লবী ভাব বোঝে না বলে
উত্তর: ক) কবিতার ব্যঞ্জনা জানা নেই বলে
৬৬. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির প্রেক্ষিতে ‘অধীন দেশের বাঁধন বেদন’ কে ছিন্ন করতে পারে—
ক) যে ছবি আঁকতে জানে
খ) যে কবিতা শুনতে জানে
গ) যে গান গাইতে জানে
ঘ) যে নৌকা চালাতে জানে
উত্তর: খ) যে কবিতা শুনতে জানে
৬৭. যে কবিতা শুনতে পারে না সে ভালোবেসে কোথায় যেতে পারে না?
ক) যুদ্ধে
খ) গ্রামে
গ) আন্দোলনে
ঘ) বিদেশে
উত্তর: ক) যুদ্ধে
৬৮. যে কবিতা শুনতে জানে না সে সূর্যকে কোথায় ধরে রাখতে পারে না?
ক) হাতে
খ) হৃৎপিণ্ডে
গ) মাথায়
ঘ) অন্তরে
উত্তর: খ) হৃৎপিণ্ডে
৬৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখার উপায় কী বলে মনে করেন?
ক) আত্মাকে মুক্ত করা
খ) কবিতাকে আত্মস্থ করা
গ) কবিতা চর্চা করা
ঘ) আত্মাকে দৃঢ় করা
উত্তর: খ) কবিতাকে আত্মস্থ করা
৭০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় আমাদের পূর্বপুরুষদের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল কেন?
ক) তারা যোদ্ধা ছিলেন বলে
খ) তারা ক্রীতদাস ছিলেন বলে
গ) তারা নিপীড়িত ছিলেন বলে
ঘ) তারা অভিশপ্ত ছিলেন বলে
উত্তর: খ) তারা ক্রীতদাস ছিলেন বলে
৭১. যে গাভীর পরিচর্যা করে তার পরের চরণ কোনটি?
ক) প্রবহমান নদী তাকে পুরস্কৃত করবে
খ) ইস্পাতের তরবারি তাকে সশস্ত্র করবে
গ) জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে
ঘ) শস্যের ভাণ্ডার তাকে সমৃদ্ধ করবে
উত্তর: গ) জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে
৭২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’— কবিতায় ইস্পাতের তরবারি যাকে সশস্ত্র করবে, সে হলো—
ক) লৌহখণ্ড প্রজ্বলনকারী
খ) গাভীর পরিচর্যাকারী
গ) মৎস্য লালনকারী
ঘ) কর্ষণকারী
উত্তর: ক) লৌহখণ্ড প্রজ্বলনকারী
৭৩. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কার যুদ্ধের কথা বলেছেন?
ক) বাবার
খ) নিজের
গ) পূর্বপুরুষের
ঘ) ভাইয়ের
উত্তর: ঘ) ভাইয়ের
৭৪. ‘রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা’ চরণটিতে কী প্রকাশিত হয়েছে?
ক) অতীতের কষ্ট
খ) দৃঢ় শপথ
গ) স্বপ্নপূরণ
ঘ) নতুন অঙ্গীকার
উত্তর: খ) দৃঢ় শপথ
৭৫. ‘আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো’ চরণটিতে কবিমনের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
ক) ভীতি
খ) সংশয়
গ) শঙ্কা
ঘ) হতাশা
উত্তর: খ) সংশয়
৭৬. কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন পুরুষের কথা বলেছেন?
ক) পূর্বপুরুষ
খ) উত্তরপুরুষ
গ) মহাপুরুষ
ঘ) পীতপুরুষ
উত্তর: ক) পূর্বপুরুষ
৭৭. আমাদের পূর্বপুরুষের পিঠে কীসের মতো ক্ষত ছিল?
ক) কৃষ্ণচূড়া
খ) শিমুল
গ) রক্তজবা
ঘ) পলাশ
উত্তর: গ) রক্তজবা
৭৮. ‘তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল’— বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) অসুস্থতা
খ) নিপীড়ন
গ) অজ্ঞতা
ঘ) অবহেলা
উত্তর: খ) নিপীড়ন
৭৯. ‘আমার বৃদ্ধ পিতার শরীরে এখন পশুদের প্রহারের চিহ্ন।’ এ কথাটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্য নির্দেশ করে?
ক) আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি
খ) তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল
গ) তিনি অতিক্রান্ত পাহাড়ের কথা বলতেন
ঘ) তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
উত্তর: ঘ) তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
৮০. রফিক তার বাসায় কাজের মানুষটির ওপর অমানবিক নির্যাতন করে। ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় অনুরূপ নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে কোন চরণে?
ক) তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল
খ) তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
গ) সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা
ঘ) রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা
উত্তর: খ) তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
৮১. যে কবিতা শুনতে জানে না সে কার আর্তনাদ শুনবে?
ক) ঝড়ের
খ) মৃতের
গ) সমুদ্রের
ঘ) ক্রীতদাসের
উত্তর: ক) ঝড়ের
৮২. কে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে?
ক) যে কবিতা পড়তে জানে না
খ) যে কবিতা শুনতে জানে না
গ) যে কবিতা লিখতে জানে না
ঘ) যে কবিতা বুঝতে জানে না
উত্তর: খ) যে কবিতা শুনতে জানে না
৮৩. ‘যে কবিতা শুনতে জানে না, সে আজন্ম কী থেকে যাবে?’
ক) অত্যাচারিত
খ) নিপীড়িত
গ) অবহেলিত
ঘ) ক্রীতদাস
উত্তর: ঘ) ক্রীতদাস
৮৪. কবি উচ্চারিত সত্যের মতো কীসের কথা বলতেন?
ক) প্রত্যাশার
খ) আশার
গ) স্বপ্নের
ঘ) ইচ্ছার
উত্তর: গ) স্বপ্নের
৮৫. উনুনের আগুনে কী আলোকিত হয়ে উঠেছে?
ক) জানালা
খ) দরজা
গ) উঠোন
ঘ) বারান্দা
উত্তর: ক) জানালা
৮৬. যে সাঁতার জানে না তাকে কে ভাসিয়ে রাখে?
ক) সাগর
খ) নৌকা
গ) প্রবহমান নদী
ঘ) ডুবুরি
উত্তর: গ) প্রবহমান নদী
৮৭. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘যে কবিতা শুনতে জানে না সে নদীতে ভাসতে পারে না’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক) জীবনের আরেক নাম নদী
খ) নদী কবিতার মতো সৃষ্টিশীল
গ) গতিময়তাই জীবনের ধর্ম
ঘ) কবিতার ছন্দ আর নদীর গতি সমান্তরাল
উত্তর: গ) গতিময়তাই জীবনের ধর্ম
৮৮. যে কবিতা শুনতে জানে না সে কার সঙ্গে খেলা করতে পারে না?
ক) সন্তানের
খ) বন্ধুর
গ) পাখির
ঘ) মাছের
উত্তর: ঘ) মাছের
৮৯. “মায়ের চেয়ে দেশ বড়”— ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় বক্তব্যটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ কোনটি?
ক) আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি
খ) আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি
গ) ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়
ঘ) আমি কবি এবং কবিতার কথা বলছি
উত্তর: গ) ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়
৯০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কীভাবে যুদ্ধ আসার কথা বলা হয়েছে?
ক) ভালোবেসে
খ) অভিমানে
গ) অত্যাচারে
ঘ) ঘৃণায়
উত্তর: ক) ভালোবেসে
৯১. সন্তানের জন্য কে মরতে পারে না?
ক) যে কবিতা শুনতে জানে না
খ) যে দেশকে ভালোবাসে না
গ) যে সন্তানকে ভালোবাসে না
ঘ) যে সাহসী হতে পারে না
উত্তর: ক) যে কবিতা শুনতে জানে না
৯১. কবির পূর্বপুরুষেরা কী ছিলেন?
ক) জেলে
খ) কৃষক
গ) ক্রীতদাস
ঘ) জমিদার
উত্তর: গ) ক্রীতদাস
৯২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় শস্যের সম্ভার কাকে সমৃদ্ধ করবে?
ক) যে মৎস্য পালন করে
খ) যে কর্ষণ করে
গ) যে গাভীর পরিচর্যা করে
ঘ) যে উপকার করে
উত্তর: খ) যে কর্ষণ করে
৯৩. শস্যসম্ভার কখন মানুষকে সমৃদ্ধ করবে?
ক) প্রতিনিয়ত ফসলের পরিচর্যা করলে
খ) করজোড় করে বৃষ্টি প্রার্থনা করলে
গ) কর্ষণ করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করলে
ঘ) আলস্য ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রম করলে
উত্তর: গ) কর্ষণ করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করলে
৯৪. ‘মৎস্য লালনকারীকে প্রবহমান নদী পুরস্কৃত করবে’ এ উক্তির অন্তর্নিহিত চিরন্তন সত্য কোনটি?
ক) নদী বাঁচলে আমরা বাঁচব
খ) নিয়মচেষ্টা মানলে সুফল পাওয়া যায়
গ) ত্যাগেই ভোগের সামগ্রী সুলভ হয়
ঘ) দানে প্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়
উত্তর: ঘ) দানে প্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়
৯৫. জননীর আশীর্বাদ কাকে দীর্ঘায়ু করবে?
ক) যে নৌকা চালায়
খ) যে কর্ষণ করে
গ) যে গাভীর পরিচর্যা করে
ঘ) যে মৎস্য লালন করে
উত্তর: গ) যে গাভীর পরিচর্যা করে
৯৬. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কোন পুরুষদের কথা বলেছেন?
ক) দীর্ঘদেহী
খ) খর্বদেহী
গ) স্থূলদেহী
ঘ) সুপুরুষধী
উত্তর: ক) দীর্ঘদেহী
৯৭. কীসের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা?
ক) সশস্ত্র সাহসীর
খ) অস্ত্রহীন সাহসীর
গ) অস্ত্রহীন সুন্দরের
ঘ) সশস্ত্র সুন্দরের
উত্তর: ঘ) সশস্ত্র সুন্দরের
৯৮. ‘কলমের সাথে আজ কবির দুর্জয় হাতে নির্ভুল স্টেনগান কথা বলে।’ ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কোন চরণটি উদ্দীপকের কথাটিকে সমর্থন করে?
ক) ইস্পাতের তরবারি তাকে সশস্ত্র করবে
খ) সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা
গ) রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা
ঘ) জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি মুক্ত শব্দ কবিতা
উত্তর: খ) সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা
৯৯. ‘আমরা কি তাঁর মতো স্বাধীনতার কথা বলতে পারব’— এ পঙক্তিতে তাঁর বলতে কবি কাকে বুঝিয়েছেন?
ক) নিজেকে
খ) পূর্বপুরুষকে
গ) ভাইকে
ঘ) বাবাকে
উত্তর: খ) পূর্বপুরুষকে
১০০. ‘নাফিসার পূর্বপুরুষ ছিল ইতিহাস ও ঐতিহ্য সচেতন।’ এই বক্তব্যের সঙ্গে তোমার পঠিত কোন কবিতার মিল রয়েছে?
ক) রক্তে আমার অনাদি অস্থি
খ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
গ) এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে
ঘ) নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
উত্তর: খ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
১০১. ‘বন্য শ্বাপদ-সংকুল-জরা-মৃত্যু ভীষণা ধরা, / যাদের শাসনে হল সুন্দর কুসুমিতা মনোহরা।’ উদ্দীপকের ‘যাদের’ সর্বনামটি দ্বারা ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার আলোকে কাদের প্রতি মনোযোগ নিপতিত হয়?
ক) কৃষিপ্রমিক শ্রেণি
খ) আমাদের মুক্তিসংগ্রাম
গ) আমাদের পূর্বপুরুষ
ঘ) মৎস্যজীবী সম্প্রদায়
উত্তর: গ) আমাদের পূর্বপুরুষ
১০২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির বিশেষ দিক হলো, এটি—
ক) চিত্রধর্মী
খ) প্রতীকধর্মী
গ) বর্ণনাধর্মী
ঘ) রূপকাশ্রয়ী
উত্তর: গ) বর্ণনাধর্মী
১০৩. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘কিংবদন্তি’ শব্দটি কীসের প্রতীক হয়ে উঠেছে?
ক) সভ্যতার
খ) সংস্কৃতির
গ) ঐতিহ্যের
ঘ) ইতিহাসের
উত্তর: গ) ঐতিহ্যের
১০৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় শুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়েছে?
ক) পানি
খ) আগুন
গ) গাছ
ঘ) বাতাস
উত্তর: খ) আগুন
১০৫. লোকপরম্পরায় শ্রুত ও কথিত বিষয় যা একটি জাতির ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে তাকে এককথায় কী বলে?
ক) লোককাহিনি
খ) কাহিনিকাব্য
গ) কিংবদন্তি
ঘ) কথিকা
উত্তর: গ) কিংবদন্তি
১০৬. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কারা ভীরু কাপুরুষের মতো পেছন থেকে আক্রমণ করেছে?
ক) ডাকাতরা
খ) সন্ত্রাসীরা
গ) শত্রুরা
ঘ) বর্গিরা
উত্তর: গ) শত্রুরা
১০৭. বন্দি ক্রীতদাসের পিঠে আঘাত কী নির্দেশ করে?
ক) পলায়নপর বন্দির আক্রমণ
খ) ভীরু শত্রুর কাপুরুষোচিত আক্রমণ
গ) অত্যাচারিতের পাল্টা আক্রমণ
ঘ) সাহসী শত্রুর বীরত্বপূর্ণ আক্রমণ
উত্তর: খ) ভীরু শত্রুর কাপুরুষোচিত আক্রমণ
১০৮. শত্রুরা মুক্ত মানুষের সঙ্গে সম্মুখ লড়াই করেনি কেন?
ক) ভয়ে
খ) ঘৃণায়
গ) লজ্জায়
ঘ) ক্ষোভে
উত্তর: ক) ভয়ে
১০৯. হিংস্র মাংসাশী শিকারি জন্তুকে এককথায় কী বলে?
ক) শ্বাপদ
খ) রাক্ষস
গ) অসুর
ঘ) দৈত্য
উত্তর: ক) শ্বাপদ
১১০. মুক্ত জীবনের প্রত্যাশা বোঝাতে কোন অনুষঙ্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?
ক) উজ্জ্বল আকাশ
খ) খোলা জানালা
গ) উজ্জ্বল জানালা
ঘ) খোলা দরজা
উত্তর: গ) উজ্জ্বল জানালা
১১১. মুক্তিপ্রত্যাশী মানুষের স্বজনরা উদ্বিগ্ন হন কেন?
ক) বন্দিত্বের আশঙ্কায়
খ) বিপদের আশঙ্কায়
গ) নাগরিকত্ব হরণের আশঙ্কায়
ঘ) উচ্ছেদের আশঙ্কায়
উত্তর: খ) বিপদের আশঙ্কায়
১১২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কবির মতে, কোন শক্তির আধারকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে মুক্তি অনিবার্য?
ক) সূর্যশক্তি
খ) ব্রহ্মশক্তি
গ) নক্ষত্রশক্তি
ঘ) পেশিশক্তি
উত্তর: ক) সূর্যশক্তি
১১৩. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতা মতে, মুক্তির সামর্থ্য অর্জনের একমাত্র উপায় কোনটি?
ক) গল্প শোনা
খ) গান শোনা
গ) কবিতা শোনা
ঘ) পুঁথি পাঠ
উত্তর: গ) কবিতা শোনা
১১৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন শ্রেণির মানুষ প্রাধান্য পেয়েছে?
ক) নিম্নবিত্ত
খ) মধ্যবিত্ত
গ) উচ্চবিত্ত
ঘ) নিম্নমধ্যবিত্ত
উত্তর: ক) নিম্নবিত্ত
১১৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘কবিতা’ শব্দটি কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক) জাগরণ
খ) প্রতীক
গ) সংগ্রাম
ঘ) প্রত্যাশা
উত্তর: খ) প্রতীক
১১৬. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার মূলবক্তব্য কী?
ক) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
খ) দেশমাতৃকার অতীত সংকট
গ) বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য
ঘ) দেশমাতৃকার জয়গান
উত্তর: গ) বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য
১১৭. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কবিতা ও সত্যের অভেদ কল্পনার মধ্য দিয়ে কোন বিষয়টি তুলে ধরেছেন?
ক) জনজীবনের কথা
খ) প্রকৃতির কথা
গ) পরিবারের কথা
ঘ) ঐতিহ্যের কথা
উত্তর: গ) পরিবারের কথা
১১৮. গঠনরীতির দিক থেকে আলাদা কোনটি?
ক) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
খ) সেই অস্ত্র
গ) তাহারেই পড়ে মনে
ঘ) আঠারো বছর বয়স
উত্তর: ক) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
১১৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
গ) সৈয়দ শামসুল হক
ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর: খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
১২০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’— কবিতার প্রেক্ষাপটে কোনটি উঠে এসেছে?
ক) বাঙালি সংস্কৃতির শত বছরের ইতিহাস
খ) বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস
গ) বাঙালি সংস্কৃতির লক্ষ বছরের ইতিহাস
ঘ) বাঙালি সংস্কৃতির কোটি বছরের ইতিহাস
উত্তর: খ) বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস
১২১. ‘যেখানেই থাকি, হৃদয়ে বাংলাদেশ’ উক্তিটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কবির কোন মনোভাবকে উপস্থাপন করে?
ক) মুক্তিযুদ্ধের মনোভাব
খ) দেশ দরদি মনোভাব
গ) প্রকৃতি চেতনার মনোভাব
ঘ) শিকড়সন্ধানী মনোভাব
উত্তর: ঘ) শিকড়সন্ধানী মনোভাব
১২২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’— কবিতাটিতে কবি কীসের আকাঙ্ক্ষায় সোচ্চার হয়েছেন?
ক) মনুয্যাত্ব
খ) মুক্তিযুদ্ধ
গ) মানবমুক্তি
ঘ) ইতিহাস
উত্তর: গ) মানবমুক্তি
১২৩. পাঠ্যবইয়ের কোন কবিতায় কবিতা ও সত্যের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে?
ক) রক্তে আমার অনাদি অস্থি
খ) নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
গ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
ঘ) এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে
উত্তর: গ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
১২৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির রসোপলব্ধির অবিচ্ছেদ্য অংশ কী?
ক) ইতিহাস বিবেচনা
খ) ঐতিহ্যের সন্ধান
গ) আঙ্গিক বিবেচনা
ঘ) ভাববিশ্লেষণ
উত্তর: গ) আঙ্গিক বিবেচনা
১২৫. ‘কিংবদন্তি’ শব্দটি কীসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক) মুক্তি
খ) ঐতিহ্য
গ) লোককাহিনি
ঘ) শান্তি
উত্তর: খ) ঐতিহ্য
১২৬. একটি কবিতার শিল্পসার্থক হয়ে ওঠার পূর্ণশর্ত কী?
ক) অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক ব্যবহার
খ) হৃদয়স্পর্শী চিত্রকল্পের যথোপযুক্ত ব্যবহার
গ) উপমা ও চিত্রকল্পের ব্যবহার
ঘ) শব্দালংকার ও অর্থালংকারের সার্থক ব্যবহার
উত্তর: খ) হৃদয়স্পর্শী চিত্রকল্পের যথোপযুক্ত ব্যবহার
১২৭. চিত্রকল্প নির্মাণের শর্ত কোনটি?
ক) চিত্রাঙ্কন করা
খ) প্লট নির্বাচন করা
গ) অভিনবত্ব সৃষ্টি করা
ঘ) চরিত্র নির্বাচন করা
উত্তর: গ) অভিনবত্ব সৃষ্টি করা
১২৮. নিবিড় পরিশ্রমে কৃষকের ফলানো শস্য একান্তই কীসের অনুষঙ্গ?
ক) ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য
খ) ইন্দ্রিয়াতীত
গ) কৃষিজাত
ঘ) অপ্রয়োজনীয়
উত্তর: ক) ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য
১২৯. ‘খোদার কসম আমি ভিনদেশি পথিক নই / আমি কোনো আগন্তুক নই’— এ উক্তির সমর্থনে সাক্ষী হিসেবে কোন কবিতার নাম করা যায়?
ক) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
খ) সাম্যবাদী
গ) ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ঘ) ঐকতান
উত্তর: ক) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
