ভগৎ সিং উক্তি : ২০ টি বিখ্যাত উক্তি
ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারবে কিন্তু ওরা আমার ভাবনাকে মারতে পারবেনা। ওরা আমার শরীরকে দুমড়ে মুচড়ে দিতে পারবে, কিন্তু ওরা আমার আত্মাকে শেষ করতে পারবে না।
ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারবে কিন্তু ওরা আমার ভাবনাকে মারতে পারবেনা। ওরা আমার শরীরকে দুমড়ে মুচড়ে দিতে পারবে, কিন্তু ওরা আমার আত্মাকে শেষ করতে পারবে না।
কোনো চালাকি করলে চারটা পিস্তল আছে, আমার কাছে যাওয়ার আগেই এগুলো দিয়ে আমি সুইসাইড করব। দিস ইজ মাই প্রমিজ।
সব লোকে কয় লালন কি জাত এ সংসারে লালন বলে জাতের কি রূপ দেখলাম না এই নজরে।
সাহিত্য বিশাল পরিধির একটি বিষয়। আমরা সামগ্রিকভাবে 'সাহিত্য' বলি বটে, কিন্তু বিচারের সময় গদ্য, পদ্য কিংবা গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নাটক ইত্যাদি স্বতন্ত্রভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে হৃদয়ঙ্গম করি। সার্বিকভাবে সাহিত্যের রূপ বলতে আমরা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা বুঝে থাকি, যেমন- কবিতা, মহাকাব্য, নাটক, কাব্যনাট্য, ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা ইত্যাদি। আর 'রীতি' হলো ঐ শাখাগুলো কীভাবে নির্মিত হয়েছে সে বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা।
ট্যাঁশ গরু গরু নয়, আসলেতে পাখি সে; যার খুশি দেখে এস হারুদের আফিসে। রুচি নাই আমিষেতে, রুচি নাই পায়সে সাবানের সুপ আর মোমবাতি খায় সে।
ভালোবাসা হল সুস্থ থাকার উপায়। ভালোবাসা হলো শক্তি। ভালোবাসা হল সবকিছু বদলে দেওয়ার জাদু। ভালোবাসা হল স্বর্গীয় সুখ দেখার আয়না।।। এস আবারো ভালোবাসায় নিমগ্ন হই। এসো। ভালোবাসায় এই পৃথিবীর সমস্ত ধূলিকণা। চকচকে সোনায় রূপান্তর করি।
বছরের শরতের একটি নিস্তেজ, অন্ধকার এবং শব্দহীন দিনে, যখন আকাশে মেঘগুলি নিপীড়িতভাবে নিচু ছিল, আমি একা একা, ঘোড়ার পিঠে, দেশের একক নিরানন্দ অঞ্চল দিয়ে যাচ্ছিলাম, এবং দীর্ঘ সময় ধরে উশারের অপরিষ্কার বাড়ির দৃশ্যের মধ্যে সন্ধ্যার ছায়া আঁকতে থাকলাম।
আমি টের পাইয়াছি মানুষ শেষ পর্যন্ত কিছুতেই নিজের সমস্ত পরিচয় পায় না। সে যা নয়, তাই বলিয়া নিজেকে জানিয়া রাখে এবং বাহিরে প্রচার করিয়া শুধু বিড়ম্বনার সৃষ্টি করে; এবং যে দণ্ড ইহাতে দিতে হয়, তা নিতান্ত লঘুও নয়।
যাহাকে ভালোবাসি সে যদি ভালো না বাসে, এমনকি ঘৃণাও করে তাও বোধ করি সহ্য হয়! কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি বলিয়া বিশ্বাস করেছি, সেইখানে ভুল ভাঙ্গিয়া যাওয়াটাই সবচেয়ে নিদারুন। পূর্বের টা ব্যাথা দেয়। কিন্তু শেষের টা ব্যাথাও দেয়, অপমান ও করে।
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের জন্য পৃথিবী যথেষ্ট বড় ছিল না, তবে একটি কফিন যথেষ্ট ছিল।
চাকরি করা উত্তম, যখন তা হয় জাতির সেবা- যখন তাতে মর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব নষ্ট হয় না। যখন জীবন ধারণের সম্বল হয়ে পড়ে চাকরি-যখন সেটাকে দেশ-সেবা বলে মনে হয় না, তখন তা কোরো না। সত্য ও আইন অপেক্ষা উপরিস্থ কর্মচারীকে যদি বেশি মানতে হয়, তা হলে সরে পড়। প্রভুর সামনে যদি মনের বল না থাকে, কঠিনভাবে সত্য বলতে না পার, প্রয়োজন হলেই চাকরি ছেড়ে দেবার সঙ্গতি না থাকে- তাহলে বুঝব চাকরি করে তুমি পাপ করেছ।
Agg lavan majboori nu Aan jaan di pasoori nu Zehar bane haan teri Pee jaavan main poori nu
বাঙালির মধ্যে তোমার মত লোক যত বাড়বে ঘুমন্ত জাতটা ততই জাগবে। এরা পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে গলায় তুলসীর মালা পরে পরকালের জন্য তৈরি হয়– দেখছ না আমাদের গায়ের দশা? ইহকালই দেখলি নে তোদের পরকালে কি হবে বাপু? সেখানেও সেই ভূতের ভয়। পরকালে নরকে যাবে। তুমি কি ভাবো অকর্মা, অলস, ভীরু লোকদের স্বর্গে জায়গা দেন নাকি ভগবান?
ডাকাত যেমন গরীবের বাড়িতে ডাকাতি করতে যায়না তেমনি শয়তানও ভালো মানুষ ছারা খারাপ মানুষকে ধোঁকা দেয় না।
দুঃখ বাইরে থেকে আসে আর মন খারাপ টা নিজের মধ্যে জন্মায়। মন খারাপেরও সুখ আছে, ওটা যেন সুখেরই ছড়িয়ে পড়া চেহারা। সুখ জ্বলজ্বলে রঙ, সূর্যাস্তের আকাশের মত, এখানে লাল ওখানে সোনালী, আরো দূরে হলদে। কিন্তু মাঝে ফাঁকা অনেকটাই ফাঁকা। তারপর ওসব যখন মুছে যায় আর সমস্তটা আকাশ জুড়ে কেবল একটা ছায়া রঙ ছাই রঙ না রঙ থাকে, মনখারাপ ও সমস্ত মন ভরে সেইরকম। আর দুঃখ? যাতে গলা শুকোয়, কথা ফোটেনা ভয় করে।