তাজউদ্দীন আহমদ এর উক্তি : ৩০ টি বিখ্যাত উক্তি
ভরা মৌসুমে বাংলার চাষির হাতে যখন পাট থাকে তখন ব্যবসায়ীরা চক্রান্ত করে পাটের মুল্য কমিয়ে রাখে অথচ চাষি ভাইদের হাত থেকে পাট চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাটের মুল্য বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মের অবসান করতে হবে।
ভরা মৌসুমে বাংলার চাষির হাতে যখন পাট থাকে তখন ব্যবসায়ীরা চক্রান্ত করে পাটের মুল্য কমিয়ে রাখে অথচ চাষি ভাইদের হাত থেকে পাট চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাটের মুল্য বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মের অবসান করতে হবে।
এক যে ছিল পাখি। সে ছিল মূর্খ। সে গান গাহিত, শাস্ত্র পড়িত না। লাফাইত, উড়িত, কিন্তু জানিত না কায়দা-কানুন কাকে বলে। রাজা বলিলেন, 'এমন পাখি তো কাজে লাগে না, অথচ বনের ফল খাইয়া রাজহাটে ফলের বাজারে লোকসান ঘটায়।' মন্ত্রীকে ডাকিয়া বলিলেন, 'পাখিটাকে শিক্ষা দাও।'
ভালোবাসা হল, কাচা সবজীর মত আর হৃদয় হল ফ্রীজের মত। কাচা-সবজী ফ্রীজের ঠান্ডায় রাখতে হয় না হলে নষ্ট হয়ে যায়। যার ফ্রীজ যত ঠানডা তার ভালোবাসা তত দিন টিকে।
পাঠান-বাদশা লোদি পানিপথে হত। দখল করিয়া দিল্লির শাহিগদি, দেখিল বাবুর এ-জয় তাঁহার ফাঁকি, ভারত যাদের তাদেরি জিনিতে এখনো রয়েছে বাকি। গর্জিয়া উঠিল সংগ্রাম সিং, 'জিনেছ মুসলমান, জয়ী বলিব না এ দেহে রহিতে প্রাণ।
করিতে পারি না কাজ, সদা ভয়, সদা লাজ, সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, পাছে লোকে কিছু বলে। আড়ালে আড়ালে থাকি, নীরবে আপনা ঢাকি, সম্মুখে চরণ নাহি চলে, পাছে লোকে কিছু বলে।
শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভূঁই, আর সবই গেছে ঋণে। বাবু বলিলেন, 'বুঝেছ উপেন, এ জমি লইব কিনে।' কহিলাম আমি, 'তুমি ভূস্বামী, ভূমির অন্ত নাই। চেয়ে দেখো মোর আছে বড়ো-জোর মরিবার মতো ঠাঁই।' শুনি রাজা কহে, 'বাপু, জানো তো হে, করেছি বাগানখানা, পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে সমান হইবে টানা- ওটা দিতে হবে।' কহিলাম তবে বক্ষে জুড়িয়া পাণি সজল চক্ষে, 'করুন রক্ষে গরিবের ভিটেখানি।
স্কুলে বরাবর বাংলা পড়ান সতুবাবু- সতীনাথ বোস। তিনি সেদিন গরহাজির। হেডমাস্টার মশাই তাই মৌলবি সাহেবকে ডেকে বললেন, 'সতুবাবু আজ আসেননি দেখছি! ফোর্থ ক্লাসে আজকে বাংলার পিরিয়ডটা আপনিই কোনো রকমে চালিয়ে দিনগে, কেমন?' 'জি, আচ্ছা।' বলে মৌলবি সাহেব রাজি হয়ে গেলেন। রাজি হলেন সত্যি কিন্তু মনে-মনে প্রমাদ গুনলেন। একে তো পড়াতে হবে বাংলা, তা-ও আবার ফোর্থ ক্লাসে অর্থাৎ দুষ্টের শিরোমণি লেবুদের ক্লাসে। মৌলবি সাহেব সরল গোবেচারি গোছের লোক। ধর্মপ্রাণ এই নিরীহ লোকটিকে স্কুলের শিক্ষক-ছাত্র প্রায় সবাই ভক্তিশ্রদ্ধার চোখে দেখত, তা ছাড়া একটু ভয়ও করত। ভয়ের কারণ, স্বয়ং হেডমাস্টার মশাইও মৌলবি সাহেবকে সমীহ করে চলতেন। অনেক কাজেই তিনি মৌলবি সাহেবের পরামর্শ নিতেন।
শিক্ষা একটি জাতীর মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো দেশ বা জাতীর উন্নতি লাভ করা সম্ভব নয়। শিক্ষার প্রয়োজন অনুভব করেই ফরাসি…
২২. সাহিত্যের কোন রূপের মূল লক্ষ্য গল্প বলা? (ক) উপন্যাস (খ) ছোটগল্প (গ) মহাকাব্য (ঘ) গীতিকাব্য উত্তর: (গ) মহাকাব্য ২৩. ‘সাহিত্য সন্দর্শন’ বইটির লেখক কে? (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খ) শ্রীশচন্দ্র দাশ (গ) বুদ্ধদেব বসু (ঘ) শহীদুল্লাহ কায়সার উত্তর: (খ) শ্রীশচন্দ্র দাশ ২৪. আধুনিক বাংলা উপন্যাসের স্রষ্টা কে? (ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (খ) প্যারীচাঁদ মিত্র (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উত্তর: (ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬. 'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের সহপাঠীরা কাকে ফিরে পেয়েছিল? ক) তপু খ) সানু গ) নাজিম ঘ) বুধী উত্তর: ক) তপু ১৭. 'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ঘটনা কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ক) রাহাতের মাধ্যমে খ) তপুর মাধ্যমে গ) রেণুর মাধ্যমে ঘ) নাজিমের মাধ্যমে উত্তর: খ) তপুর মাধ্যমে
অতীতে লোকে মিথ্যা বলতো, মিডিয়া সত্য খুঁজে বের করতো আর এখন মিডিয়া মিথ্যা বলে, লোকেরা সত্য খুঁজে বের করে - ড. সলিমুল্লাহ খান
বিভো, দেহ হৃদে বল! না জানি ভকতি, নাহি জানি স্তুতি, কী দিয়া করিব, তোমার আরতি আমি নিঃসম্বল! তোমার দুয়ারে আজি রিক্ত করে দাঁড়ায়েছি প্রভো, সঁপিতে তোমারে শুধু আঁখি জল, দেহ হৃদে বল!
এক যে ছিল আমগাছ। খুব ভালোবাসত সে একটি ছোট্ট ছেলেকে। হররোজ সেই ছেলেটি এসে গাছটার সব ঝরাপাতা কুড়িয়ে তাই দিয়ে মুকুট বানিয়ে বনের রাজা সাজত। কখনো-বা গাছটার কাণ্ড বেয়ে তরতর করে ওপরে উঠে ডাল ধরে দোল খেতো, আর আম খেতো। মাঝে মাঝে তারা লুকোচুরি খেলত। তারপর, এইসব করে ক্লান্ত হয়ে গেলে ছেলেটা পরম নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ত গাছটার ছায়ায়। ছেলেটাও গাছটাকে ভালোবাসত খু-উ-ব। এবং গাছটা এতে সুখী ছিল।
২৩. 'একাত্তরের দিনগুলি' স্মৃতিচারণমূলক রচনায় লেখিকার বাগান সম্পর্কিত বর্ণনা কত তারিখে বর্ণিত হয়েছে? (ক) ১০ই মে (খ) ১১ই মে (গ) ১২ই মে (ঘ) ১৩ই মে উত্তর: (ক) ১০ই মে ২৪. মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশবাসীর ওপর কাদের অত্যাচার চলছিল? (ক) ইংরেজদের (খ) ডাকাতদের (গ) জমিদারের (ঘ) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর উত্তর: (ঘ) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর
আমি জানি রূপা আমার কথা বিশ্বাস করে না, তবু যত্ন করে শাড়ি পরে। চুল বাঁধে। চোখে কাজলের ছোঁয়া লাগিয়ে কার্নিশ ধরে দাঁড়ায়। সে অপেক্ষা করে। আমি কখনো যাই না। আমাকে তো আর দশটা সাধারণ ছেলের মতো হলে চলবে না। আমাকে হতে হবে অসাধরণ। আমি সারাদিন হাঁটি। আমার পথ শেষ হয় না। গন্তব্যহীন যে যাত্রা তার কোনো শেষ থাকার তো কথাও নয়।