জর্জ বার্নার্ড শ এর উক্তি : আইরিশ সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ এর ২৫ টি উক্তি
পরিবর্তন ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয় এবং যারা নিজেদের মনকে পালটাতে পারে না, তারা কোনও কিছুই বদলাতে পারে না।
পরিবর্তন ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয় এবং যারা নিজেদের মনকে পালটাতে পারে না, তারা কোনও কিছুই বদলাতে পারে না।
অপরের দোষত্রুটি দেখিয়া বেড়ান তো আমাদের কাজ নয়। উহাতে কোন উপকার হয় না। এমন কি, ঐগুলির সম্বন্ধে আমরা চিন্তাও যেন না করি। সৎ চিন্তা করাই আমাদের উচিত। দোষের বিচার করিবার জন্য আমরা পৃথিবীতে আসি নাই। সৎ হওয়াই আমাদের কর্তব্য। —স্বামী বিবেকানন্দ
আশ্চর্য মানুষের মন। সে যে কখন কি চায় তা নিজেও বলতে পারে না। কিসে তার সুখ আর কিসে তার অসুখ এর সত্যিকার জবাব সে নিজেও দিতে পারে না কোনদিন।
এখনতো চারিদিকে রুচির দুর্ভিক্ষ! একটা স্বাধীন দেশে সুচিন্তা আর সুরুচির দুর্ভিক্ষ! এই দুর্ভিক্ষের কোন ছবি হয়না।
মৃত্যুর চেয়ে কঠিন হচ্ছে জীবন। কেননা দুঃখ-কষ্ট বিপদ আপদ কেবল জীবনেই ভোগ করতে হয় মৃত্যু তা থেকে মুক্তি দেয়। -সক্রেটিস।
একবার যে জন্মিয়াছে সে একদিন মরিবেই। কাজেই যে ঘরে মানুষ আছে মৃত্যু সে ঘরে ঘটিবেই। কিন্তু ঘরে মানুষ আছে বলিয়াই এবং সে ঘরে মৃত্যু একদিন ঘটিবে বলিয়াই জন্ম এবং বিবাহও সে ঘরে ঘটিবেই এ কথার অর্থ হয় না। তবে এমন ঘর চোখে পড়ে খুব কম এই যা।
বুদ্ধিমান ব্যক্তির কাছে বলার জন্য সব সময়ই কিছু না কিছু থাকে। যেখানে একজন বোকা ব্যক্তির কিছু বলার জন্য প্রয়োজন অনুভব হয়।
জীবন যেমন সত্য মৃত্যু ও তেমনই সত্য। জন্ম নিলের মৃত্যুর স্বাদ ও গ্রহণ করতে হবে। মৃত্যু বরাবরই একটি ভীতিকর ব্যাপার।…
যার মুখে সারাক্ষন হাসি লেগে থাকে, সে নিজের ভিতর এমন এক কঠোর মনোভাবকে লুকিয়ে রেখেছে যা ভীষন ভয়ঙ্কর হয়ে থাকে। -গ্রেটা গার্বো
ভালোবাসা হল, কাচা সবজীর মত আর হৃদয় হল ফ্রীজের মত। কাচা-সবজী ফ্রীজের ঠান্ডায় রাখতে হয় না হলে নষ্ট হয়ে যায়। যার ফ্রীজ যত ঠানডা তার ভালোবাসা তত দিন টিকে।
অতীতে লোকে মিথ্যা বলতো, মিডিয়া সত্য খুঁজে বের করতো আর এখন মিডিয়া মিথ্যা বলে, লোকেরা সত্য খুঁজে বের করে - ড. সলিমুল্লাহ খান
যার একটা গ্রন্থাগার আর অনেকগুলো বই আছে তাকে ভয় পেওনা। ভয় পাও তাকে যার একটাই বই আছে, যেটাকে সে পবিত্র মানে কিন্তু পড়েনা।
আমি চিরদিনই চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দী। আমার পৃথিবী জানলা দিয়ে দেখা। একেই তো খুব রক্ষণশীল বাড়ীর মেয়ে আবার প্রায় তেমন রক্ষণশীল বাড়ীর বৌও। চল্লিশ বছর বয়স পর্যন্ত কেউ জানতো না আসলে ‘আশাপূর্ণা দেবী’ কে? ওটা কোনো পুরুষ লেখকের ছদ্মনাম নয়তো? পরে যখন বাইরের জগতে বেরিয়ে পড়ে সকলের সঙ্গে দেখা-টেখা হয়েছে, অনেকে বলেছেন, এই যেমন সজনীকান্ত দাস, প্রেমেন্দ্র মিত্র, ‘আমরা তো ভাবতাম ওটা বোধহয় একটা ছদ্মনাম। আসলে পুরুষের লেখা। এমন বলিষ্ঠ লেখা।
দীর্ঘ সময় ধরে যখন কোনো বন্ধু অবহেলা করে, তখন বুঝতে হবে যে সে আসলে বন্ধুই ছিল না,শুধু অভিনয় করে গিয়েছে। — ভলতেয়ার
প্রথম বয়সের প্রথম প্রেম অনেকগুলি ছোটোখাটো বাধার দ্বারা মধুর। লজ্জার বাধা, ঘরের লোকের বাধা, অনভিজ্ঞতার বাধা, এইগুলির অন্তরাল হইতে প্রথম পরিচয়ের যে আভাস দিতে থাকে তাহা ভোরের আলোর মতো রঙিন ; তাহা মধ্যাহ্নের মতো সুস্পষ্ট, অনাবৃত এবং বর্ণচ্ছটাবিহীন নহে।