জিম রনের উক্তি : জিম রনের ২৫ টি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি
যখন কোন মানুষ বলে যে, হয় আমি সাফল্য অর্জন করবো, নয় মৃত্যুবরণ করবো, তখন পুরো পৃথিবীর সব বাধা আশ্চর্য-জনকভাবে তার সামনে নত হয়ে যায়।
যখন কোন মানুষ বলে যে, হয় আমি সাফল্য অর্জন করবো, নয় মৃত্যুবরণ করবো, তখন পুরো পৃথিবীর সব বাধা আশ্চর্য-জনকভাবে তার সামনে নত হয়ে যায়।
যে কেও যিনি জ্ঞানার্জন করা বন্ধ করে দেন তিনি হলেন বৃদ্ধ, তা বিশ বছর বয়সেই হোক অথবা আশি বছর বয়সেই হোক। যিনি জ্ঞানার্জন করা অব্যাহত রাখেন তিনি থাকেন যুবক। জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো আপনার মনকে তরুণ রাখা।
এমনিতেই জীবন অনেক ছোট, হেলায় সময় নষ্ট করে আমরা সেটাকে আরও ছোট করে ফেলি।
আমি আমার ডর্ম রুমে ফেসবুকের কোড লিখেছি এবং সেখান থেকেই ফেসবুক চালু করেছি। প্রতি মাসে ৮৫ ডলারের বিনিময়ে আমি সার্ভার ভাড়া করেছিলাম, এই টাকা জোগাতে আমি সাইটে একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম। আর এখন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন দিয়েই আমরা আমাদের খরচ যোগাচ্ছি।
শিয়ালের মতো একশ বছর বেঁচে থাকার চেয়ে, একদিন সিংহের মতো বেঁচে থাকা অনেক ভালো।
আমি শাহাদাতের ইচ্ছা নিয়ে এত বেশি যুদ্ধে লড়াই করেছি যে আমার শরীরের কোনো অংশ ক্ষতচিহ্নবিহীন নেই যা বর্শা বা তলোয়ারের আঘাতের কারণে হয়নি। এর পরেও আমি এখানে, বিছানায় পড়ে একটি বৃদ্ধ উটের মতো মারা যাচ্ছি। কাপুরুষদের চোখ যাতে কখনো শান্তি না পায়।
পৃথিবীতে কোনো মেয়েই ছয়টা গাড়ীর মালিক ছেড়ে সিক্স প্যাক ওয়ালা ছেলেদের সাথে যাবে না, তাই জিমে যাওয়া বন্ধ করে কাজে যাও। ~ রবার্ট মুগাবে
যেকোনো স্বৈরতান্ত্রিক সমাজে, ক্ষমতার মালিকই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে, আর আপনি যদি তার নিয়মের বাইরে যেতে চান, তাহলে সে আপনার পিছনে আসবে। এটি সোভিয়েত শাসন, চীন বা ইরান সকলের ক্ষেত্রেই সত্য, আর আমাদের সময়ে ইসলামেও এরকম ঘটনা অনেক ঘটেছে। মূল কথা হলো, যখন স্বৈরতান্ত্রিকতার পেছনে কোনো অতিপ্রাকৃতিক বা ধর্মীয় সমর্থন থাকে, তখন তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে।
রামমোহন রায় (২২ মে ১৭৭২ – ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৩৩) বাংলা রেনেসাঁসের আদিম পুরুষ। তার হাত ধরেই বাংলা রেনেসাঁসের জন্ম হয়েছিলো।…
কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি তুমি বার বার হতাশ হয়ে যাও তাহলে সেই কাজের প্রতি তুমি অনুপ্রাণিত হবে কি করে? তুমি যত সেই কাজের সম্বন্ধে জানতে শুরু করবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হতে থাকবে। যতই তুমি সেই কাজের পজিটিভ দিকগুলোকে অনুসন্ধান করতে থাকবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হবে।
একটা চার দেয়ালের ঘরে যদি কয়েকজন ব্যর্থ মানুষ একসাথে সময় কাটায় তাহলে সেখান থেকে একটা বিপ্লব ঘটে যাবার আশংকা থাকে। সফল মানুষ কখনো বিপ্লবের ডাক দেয় না। ঘাড়টা সোজা করার তাগিদ থেকে ব্যর্থরাই এক একজন সমাগত হয় কাল মার্কসের পতাকার নিচে!
আজকাল আমার নিজের ডিকশনারি থেকে ‘মেধাবী’ শব্দটা তুলে দিয়ে সেখানে ‘উৎসাহী’ শব্দটা ঢুকিয়েছি। আমি দেখেছি, উৎসাহ থাকলে সবই সম্ভব। সত্যি কথা বলতে কী, আমি আমার পরিচিত জগতের সব মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলেছি। এক ভাগ হচ্ছে যারা উৎসাহী; অন্য ভাগ হচ্ছে যাদের কিছুতেই উৎসাহ নেই, যাদেরকে ঠেলাঠেলি করে নিয়ে যেতে হয়। উৎসাহীরা পৃথিবীটাকে চালায়, বাকিরা তার সমালোচনা করে!
আমরাই নিজেদেরকে বোকা বানাই , কেননা আমরা বিশ্বাস করি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং একজন নতুন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী এসে সেই পুরনো সিস্টেমে নেতৃত্ব দিলেই অবস্থা বদলে গিয়ে সুদিন আসবে।
তোমরা একে অপরকে ভালোবাসো কিন্তু ভালোবাসার বন্ধন করে তোল না বরং তোমাদের ভালোবাসা হোক দুটি হৃদয়ের বেলা ভূমির মাঝে এক উচ্চসিত সমুদ্র।
কখনোই সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না ৷ অর্থাৎ, একটি মাত্র ক্ষেত্রে বিনিয়োগ না করে ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো খাতে ইনভেষ্ট করুন,যাতে মূলধন হারানোর ঝুঁকি কম থাকে।