মানুষ জাতি কবিতা — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে সে জাতির নাম মানুষ জাতি; এক পৃথিবীর স্তন্যে লালিত একই রবি শশী মোদের সাথি। শীতাতপ ক্ষুধা তৃষ্ণার জ্বালা সবাই আমরা সমান বুঝি, কচি কাঁচাগুলি ডাঁটো করে তুলি বাঁচিবার তরে সমান যুঝি।
জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে সে জাতির নাম মানুষ জাতি; এক পৃথিবীর স্তন্যে লালিত একই রবি শশী মোদের সাথি। শীতাতপ ক্ষুধা তৃষ্ণার জ্বালা সবাই আমরা সমান বুঝি, কচি কাঁচাগুলি ডাঁটো করে তুলি বাঁচিবার তরে সমান যুঝি।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় চব্বিশ পরগনা জেলার কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন? (ক) গোলবাড়িয়া (খ) কাঁঠালপাড়া (গ) গৌরীপুর (ঘ) সাতবাড়িয়া উত্তর: (খ) কাঁঠালপাড়া বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন? (ক) ১৮৫৪ সালে (খ) ১৮৫২ সালে (গ) ১৮৫৮ সালে (ঘ) ১৮৬৮ সালে উত্তর: (গ) ১৮৫৮ সালে
নাই কিরে সুখ? নাই কিরে সুখ?— এ ধরা কি শুধু বিষাদময়? যাতনে জ্বলিয়া কাঁদিয়া মরিতে কেবলি কি নর জনম লয়?— বল ছিন্ন বীণে, বল উচ্চৈঃস্বরে— না, না, না, মানবের তরে আছে উচ্চ লক্ষ্য, সুখ উচ্চতর না সৃজিলা বিধি কাঁদাতে নরে।
১. ‘নিকা’ শব্দটি বিলাসী গল্পে কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? (ক) বাগদান অর্থে (খ) বিয়ে অর্থে (গ) হিল্লা অর্থের (ঘ) সম্পর্কীয় অর্থ উঃ খ ২. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতার নাম কী? (ক) শ্যামাকান্ত চট্টোপাধ্যায় (খ) উপেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় (গ) মতিলাল চট্টোপাধ্যায় (ঘ) নীহাররঞ্জন চট্টোপাধ্যায় উঃ গ ৩. ন্যাড়া পরীক্ষার উত্তরপত্রে হুমায়ুনের পিতার নাম কি লেখে? (ক) বাবর খাঁ (খ) হালাকু খাঁ (গ) চেঙ্গিস খাঁ (ঘ) তোগলক খাঁ উঃ ঘ ৪. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি? (ক) দুর্গেশনন্দিনী (খ) মন্দির (গ) গৃহদাহ (ঘ) গোরা উঃ গ
ছায়াবাজি পুতুল রূপে বানাইয়া মানুষ যেমনি নাচাও তেমনি নাচি পুতুলের কি দোষ ছায়াবাজি পুতুল রূপে বানাইয়া মানুষ যেমনি নাচাও তেমনি নাচি পুতুলের কি দোষ যেমনি নাচাও তেমনি নাচি যেমনি নাচাও তেমনি নাচি তুমি খাওয়াইলে আমি খাই আল্লাহ তুমি খাওয়াইলে আমি খাই এই যে দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া এত যত্নে গড়াইয়াছেন সাঁই
To be or not to be that is the question. হওয়া বা না হওয়া, এটাই প্রশ্ন। (এটা হ্যামলেট নাটকের সবচেয়ে বিখ্যাত উক্তি। হ্যামলেট তার বাবার হত্যাকারীকে হত্যা করবে কি করবে না এই সিদ্বান্তহীনতাকে বোঝানো হয়েছে। শুধু তাই নয় এর দ্বারা সকল মানব মনের সিদ্ধান্তহীনতাকেও বুঝানো হয়েছে। এ কারনেই বলা হয়ে থাকে Every modern man is a Hamlet)
মা-মরা মেয়ে মিনু। বাবা জন্মের আগেই মারা গেছে। সে মানুষ হচ্ছে এক দূরসম্পর্কের পিসিমার বাড়িতে। বয়স মাত্র দশ, কিন্তু এই বয়সেই সবরকম কাজ করতে পারে সে। সবরকম কাজই করতে হয়। লোকে অবশ্য বলে যোগেন বসাক মহৎ লোক বলেই অনাথ বোবা মেয়েটাকে আশ্রয় দিয়েছেন। মহৎ হয়ে সুবিধাই হয়েছে যোগেন বসাকের। পেটভাতায় এমন সর্বগুণান্বিতা চব্বিশ ঘণ্টার চাকরানী পাওয়া শক্ত হতো তাঁর পক্ষে। বোবা হওয়াতে আরো সুবিধা হয়েছে, নীরবে কাজ করে। মিনু শুধু বোবা নয়, ঈষৎ কালাও। অনেক চেঁচিয়ে বললে, তবে শুনতে পায়। সব কথা শোনার দরকারও হয় না তার। ঠোঁটনাড়া আর মুখের ভাব দেখেই সব বুঝতে পারে। এছাড়া তার আর একটা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় আছে যার সাহায্যে সে এমন সব জিনিস বুঝতে পারে, এমন সব জিনিস মনে মনে সৃষ্টি করে, সাধারণ বুদ্ধিতে যার মানে হয় না। মিনুর জগৎ চোখের জগৎ, দৃষ্টির ভিতর দিয়েই সৃষ্টিকে গ্রহণ করেছে সে। শুধু গ্রহণ করে নি, নতুন রূপে নতুন রং আরোপ করেছে তাতে।
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে। আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মতো ডাকতে।
সেকালে আরব দেশে তিনটি লোক ছিল- একজনের সর্বাঙ্গে ধবল, একজনের মাথায় টাক, আরেকজনের দুই চোখ অন্ধ। আল্লাহ তাহাদের পরীক্ষার জন্য এক ফেরেশতা পাঠাইলেন। ফেরেশতা হইলেন আল্লাহর দূত। তাহারা নূরের তৈয়ারী। এমনি কেহ তাহাদিগকে দেখিতে পায় না। আল্লাহর হুকুমে তাহারা সকল কাজ করিয়া থাকেন।
স্পর্শকাতরতাময় এই নাম উচ্চারণমাত্র যেন ভেঙে যাবে, অন্তর্হিত হবে তার প্রকৃত মহিমা, চুনিয়া একটি গ্রাম, ছোট্ট কিন্তু ভেতরে-ভেতরে খুব শক্তিশালী মারণাস্ত্রময় সভ্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।
বুদ্ধিজীবীরা আবার আমাকে বুদ্ধিজীবী মনে করে না, কারণ আমি হাসি। বিদ্যাবুদ্ধি তো আর কারো চেয়ে কম ছিল না, শুধু ওই একটা জায়গাতে মার খেয়ে গেলাম, আমার হাসি। হাসলে পরে তুমি আর বুদ্ধিজীবী থাকতে পারবে না। আপনি হাসেন? তার মানে তো আপনি লাইট!
“রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! বারেক ফিরে চাও, বাঁকা গাঁয়ের পথটি বেয়ে কোথায় চলে যাও?” ওই যে দেখ নীল-নোয়ান সবুজ ঘেরা গাঁ, কলার পাতা দোলায় চামর শিশির ধোয়ায় পা, সেথায় আছে ছোট কুটির সোনার পাতায় ছাওয়া, সাঁঝ-আকাশের ছড়িয়ে-পড়া আবীর রঙে নাওয়া, সেই ঘরেতে একলা বসে ডাকছে আমার মা- সেথায় যাব, ও ভাই এবার আমায় ছাড় না।”
যে বাতাসে বুনোহাঁসের ঝাঁক ভেঙে যায় জেটের পাখা দুমড়ে শেষে আছাড় মারে নদীর পানি শূন্যে তুলে দেয় ছড়িয়ে নুইয়ে দেয় টেলিগ্রাফের থামগুলোকে।
চাল উড়ছে, ডাল উড়ছে উড়ছে গরু, উড়ছে মোষ। খই উড়ছে, বই উড়ছে উড়ছে পাঁজি, বিশ্বকোষ। ময়লা চাদর, ফরসা জামা, উড়ছে খেতের শর্ষে, যব। লক্ষ্মীপ্যাঁচা, পক্ষীছানা ঘুরছে, যেন চরকি সব।
কিশোর তোমার দুই হাতের তালুতে আকুল সূর্যোদয় রক্ত ভীষণ মুখমণ্ডলে চমকায় বরাভয়। বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধার শহিদের খুন লেগে কিশোর তোমার দুই হাতে দুই সূর্য উঠেছে জেগে।