নতুন দেশ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নদীর ঘাটের কাছে নৌকো বাঁধা আছে, নাইতে যখন যাই, দেখি সে জলের ঢেউয়ে নাচে। আজ গিয়ে সেইখানে দেখি দূরের পানে মাঝনদীতে নৌকো, কোথায় চলে ভাঁটার টানে।
নদীর ঘাটের কাছে নৌকো বাঁধা আছে, নাইতে যখন যাই, দেখি সে জলের ঢেউয়ে নাচে। আজ গিয়ে সেইখানে দেখি দূরের পানে মাঝনদীতে নৌকো, কোথায় চলে ভাঁটার টানে।
মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে পল্লীসাহিত্যের এখনও সমাদর করে কারা? (ক) শহুরে লোকেরা (খ) অশিক্ষিত ব্যক্তিরা (গ) পাড়াগাঁয়ের লোকেরা (ঘ) পণ্ডিত ব্যক্তিরা উত্তর: (গ) পাড়াগাঁয়ের লোকেরা . পল্লীসাহিত্যের কোন ধারাকে অমূল্য রত্নবিশেষ বলা হয়? (ক) পল্লিগীতি (খ) মৈমনসিংহ গীতিকা (গ) প্রবাদ-প্রবচন (ঘ) খনার বচন উত্তর: (ক) পল্লিগীতি . লেখক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ পল্লীগীতিকে কী বিশেষণে বিশেষিত করেছেন? (ক) অমূল্য রত্নবিশেষ (খ) নৃতত্ত্বের মূল্যবান উপকরণ (গ) সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস (ঘ) মারফতি তত্ত্বকথা উত্তর: (ক) অমূল্য রত্নবিশেষ
ফাগুনটা খুব ভীষণ দস্যি মাস পাথর ঠেলে মাথা উঁচোয় ঘাস। হাড়ের মতো শক্ত ডাল ফেঁড়ে সবুজ পাতা আবার ওঠে বেড়ে। সকল দিকে বনের বিশাল গাল ঝিলিক দিয়ে প্রত্যহ হয় লাল। বাংলাদেশের মাঠে বনের তলে ফাগুন মাসে সবুজ আগুন জ্বলে।
শরীর ভালো রাখার চেয়ে বড়ো কাজ মানুষের নেই। শরীর ভালো না থাকলে মানুষ ভাবুক হয়, দুঃখ বেদনা কল্পনা করে, ভাবে জীবনটা শুধু ফাঁকি। বদহজম আর ভালোবাসার লক্ষণগুলি যে একরকম তা বোধ হয় তুই জানিস নে?
নারকেলের ঐ লম্বা মাথায় হঠাৎ দেখি কাল ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে ঠান্ডা ও গোলগাল। ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে গেলাম ঘর ঝিমধরা এই মস্ত শহর কাঁপছিলো থরথর। মিনারটাকে দেখছি যেন দাঁড়িয়ে আছেন কেউ, পাথরঘাটার গির্জেটা কি লাল পাথরের ঢেউ? দরগাতলা পার হয়ে যেই মোড় ফিরেছি বাঁয় কোত্থেকে এক উটকো পাহাড় ডাক দিলো আয় আয়।
‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পে কে স্থানীয় লোক নয়? (ক) রসিক দুলে (খ) ঠাকুরদাস মুখুয্যে (গ) বিন্দির মা (ঘ) জমিদার উত্তর: (ঘ) জমিদার কাঙালী কিছু ছুঁয়ে ফেলেছে কি না এজন্য অধর রায় কী ছড়িয়ে দিতে বললেন? (ক) গোবরজল (খ) পুকুরের জল (গ) গোলাপজল (ঘ) নলকূপের জল উত্তর: (ক) গোবরজল ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পে কাঙালীর ঘণ্টা দুয়েকের অভিজ্ঞতা কেমন? (ক) বিরহের (খ) আনন্দের (গ) বিরক্তির (ঘ) অত্যাচারের উত্তর: (ঘ) অত্যাচারের
জগৎ-বিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁ, যিনি নিতান্ত জড় প্রস্তরের দেহ থেকে অসংখ্য জীবিতপ্রায় দেব-দানব কেটে বার করেছেন তিনিও, শুনতে পাই, যখন-তখন হাতে কাদা নিয়ে, আঙুলের টিপে মাটির পুতুল ত’য়ের করে থাকেন। এই পুতুল গড়া হচ্ছে তাঁর খেলা। শুধু রোদ্যা কেন, পৃথিবীর শিল্পীমাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন। যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন বাঁদরও গড়তে পারেন। আমাদের সঙ্গে বড়ো বড়ো শিল্পীদের তফাত এইটুকু যে, তাঁদের হাতে এক করতে আর হয় না। সম্ভবত এই কারণে কলারাজ্যের মহাপুরুষদের যা-খুশি-তাই করবার যে অধিকার আছে, ইতর শিল্পীদের সে অধিকার নেই।
বেশিরভাগ মানুষের স্বভাব হচ্ছে বিড়ালের মতো। তারা সুখের সময় পাশে থাকে। দুঃখ-কষ্ট যখন আসে তখন দুঃখ কষ্টের ভাগ নিতে হবে এই ভয়ে চুপি চুপি সরে পড়ে। তাদের কোনো দোষ নেই– আল্লাহ মানুষকে এমন করেই তৈরি করেছেন।
এই তো দ্যাখো ফুলবাগানে গোলাপ ফোটে, ফুটতে দাও। রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে, ছুটতে দাও। নীল আকাশের সোনালি চিল মেলছে পাখা, মেলতে দাও। জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে রোজই, খেলতে দাও।
. ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে উল্লিখিত মা চরিত্রটি কার বা কীসের প্রতিনিধিত্ব করে? ক) অভিভাবকের খ) শিক্ষা পদ্ধতির গ) শিক্ষকের ঘ) শিক্ষা প্রণেতার উত্তর: খ) শিক্ষা পদ্ধতির . প্রমথ চৌধুরীর মতে কোনটি সাক্ষাৎভাবে উদরপূর্তির কাজে লাগে না? ক) সাহিত্য খ) লাইব্রেরি গ) শিক্ষা ঘ) জীবনীশক্তি উত্তর: ক) সাহিত্য . প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম কোনটি? ক) বনফুল খ) বীরবল গ) নীল লোহিত ঘ) পরশুরাম উত্তর: খ) বীরবল ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি করার জন্য লেখকের পরামর্শ কী ছিল? ক) নিয়মিত বই কেনা খ) বেশি বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা গ) বেশি করে বই প্রকাশ করা ঘ) বই বেচা-কেনার জন্য সেমিনার করা উত্তর: খ) বেশি বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা
এখন তুমিই বলো নারী তোমার উদ্যান ছাড়া আমি আর কোথায় দাঁড়াবো। আমাকে দাঁড়াতে দাও বিশুদ্ধ পরিপূর্ণতায়, ব্যাকুল শুশ্রুষা দিয়ে আমাকে উদ্ধার করো নারী তুমি শৈল্পিক তাবিজ, এতোদিন নারী ও রমনীহীন ছিলাম বলেই ছিলো দুঃখের আরেক নাম হেলাল হাফিজ।
স্বেচ্ছাচারী সম্রাট কীভাবে লাইব্রেরি সাজান? (ক) অন্যদের পরামর্শে (খ) নিজের ইচ্ছামত (গ) সাধারণের দানে (ঘ) পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী উত্তর: (খ) নিজের ইচ্ছামত শ্রেণিবদ্ধ শব্দের অর্থ কী? (ক) গুছানো (খ) সাজানো (গ) বিস্তার করা (ঘ) সম্পর্কিত করা উত্তর: (খ) সাজানো লাইব্রেরি সৃজনের ফলে কি হতে পারে? (ক) শুধুমাত্র ব্যক্তির উপকার (খ) জাতির উন্নতি (গ) শুধু শিল্পীর বিকাশ (ঘ) বিশেষ কোনো জাতির উন্নতি উত্তর: (খ) জাতির উন্নতি
একদিন সকাল বেলা পরাশর ডাক্তার নিজের প্রকান্ড লাইব্রেরিতে বসে চিঠি লিখছিলেন। চোরের মতো নিঃশব্দে ঘরে ঢুকে নগেন ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে তার টেবিল ঘেঁষে দাঁড়াল। পরাশর ডাক্তার মুখ না তুলেই বললেন, বোসো, নগেন।' চিঠিখানা শেষ করে খামে ভরে ঠিকানা লিখে চাকরকে ডেকে সেটি ডাকে পাঠিয়ে দিয়ে তবে আবার নগেনের দিকে তাকালেন।
ছাতা মাথায় ব্যাঙ চলেছে চিঠি বিলি করতে, টাপুস টুপুস ঝরছে দেয়া ছুটছে খেয়া ধরতে। খেয়ানায়ের মাঝি হলো চিংড়ি মাছের বাচ্চা, দু চোখ বুজে হাল ধরে সে জবর মাঝি সাচ্চা।
আধার কেটে গেলে মানুষ চাঁদকেও ভুলে যায়। মানুষকে সাহায্য করে ভাবো ওরা তোমাকে মনে রাখবে? তুমি এ পৃথিবীর, সবচেয়ে বোকা গালিব।