অবাক সূর্যোদয় কবিতা — হাসান হাফিজুর রহমান
কিশোর তোমার দুই হাতের তালুতে আকুল সূর্যোদয় রক্ত ভীষণ মুখমণ্ডলে চমকায় বরাভয়। বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধার শহিদের খুন লেগে কিশোর তোমার দুই হাতে দুই সূর্য উঠেছে জেগে।
কিশোর তোমার দুই হাতের তালুতে আকুল সূর্যোদয় রক্ত ভীষণ মুখমণ্ডলে চমকায় বরাভয়। বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধার শহিদের খুন লেগে কিশোর তোমার দুই হাতে দুই সূর্য উঠেছে জেগে।
২৬: কপিলদাসের মতে, সংসারের অনেক ভিতরে শান্ত ধীর এবং নিরবচ্ছিন্ন একটা কী আছে? ক: স্রোত খ: টান গ: স্থিতি ঘ: গতি উত্তর: ক: স্রোত ২৭: কপিলদাস রোদে পিঠ দিয়ে আরামে ঝিমুতে পারে কেন? ক: গা-ছড়া পরিতৃপ্ত ভাবের জন্য খ: বিষয়আশয়ের জন্য গ: স্মৃতিচারণের জন্য ঘ: স্থবিরতার জন্য উত্তর: ক: গা-ছড়া পরিতৃপ্ত ভাবের জন্য
তুমি যদি তোমার নিজের খ্যাতির ব্যাপারে উচ্চ ধারণা পোষণ করতে চাও তাহলে সংযুক্ত হওয়া ভালো গুণসম্পন্ন মানুষের সাথে; মন্দ সঙ্গের মধ্যে থাকার চেয়ে একাকী থাকা অধিকতর ভালো।
সকলেই বলিয়া থাকেন যে, তাঁহাদের আপন আপন ধর্মই একমাত্র সত্যধর্ম, অন্য কোন ধর্মই সত্য নহে। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্বর্গপ্রাপ্তি, পরিত্রাণ, নির্বাণ বা মোক্ষলাভ ঘটিবে না। এ যেন বাজারের গোয়ালাদের ন্যায় সকলেই আপন আপন দধি মিষ্ট বলে।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা তোমাকে পাওয়ার জন্যে আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়? আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?
অসময়ে মেহমান ঘরে ঢুকে বসে যান বোঝালাম ঝামেলার যতগুলো দিক আছে তিনি হেসে বললেন ঠিক আছে ঠিক আছে।
ছিপখান তিন-দাঁড় – তিনজন মাল্লা চৌপর দিন-ভোর দ্যায় দূর-পাল্লা! পাড়ময় ঝোপঝাড় জঙ্গল-জঞ্জাল, জলময় শৈবাল পান্নার টাঁকশাল।
নাস্তিকতা মানুষের মাঝে যুক্তি, দর্শন, মানবতা, আইন এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনিবার্য সকল গুনের সন্নিবেশ ঘটায়, যেক্ষেত্রে ধর্ম নামক কুসংস্কারটি এর প্রায় সব-ই হরণ করে নেয় এবং একনায়কতন্ত্রের মতোন বিরাজ করতে চায় মানুষ-এর চিন্তাশীল মনটির উপর। এ কারণে দেখা যায়, নাস্তিকতা বা নাস্তিকেরা দেশ ও সমাজের হিতের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে আর ধর্ম বা ধার্মিকেরা স্বস্বার্থে ঘটায় বিদ্রোহ। ~ লর্ড ফ্রান্সিস বেকন
যদি তুমি কারো সাথে তোমার ভাষায় কথা বল, তার কাছে যেতে পারবে; যদি তার ভাষায় কথা বল, তার হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারবে।
স্ত্রীলোকের পরিচয়ই বা কী? যাহারা কুলোপাধি ধারণ করিতে পারে না, তাহারা কী বলিয়া পরিচয় দিবে? গোপনে বাস করা যাহাদিগের ধর্ম, তাহারা কী বলিয়া আত্মপ্রকাশ করিবে? যেদিন বিধাতা স্ত্রীলোককে স্বামীর নাম মুখে আনিতে নিষেধ করিয়াছেন, সেইদিন আত্মপরিচয়ের পথও বন্ধ করিয়াছেন।
রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতে রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে, রানার চলেছে, রানার! দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার - রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার। কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার।
ভয় পেয়ো না, ভয় পেয়ো না, তোমায় আমি মারব না সত্যি বলছি কুস্তি ক'রে তোমার সঙ্গে পারব না। মনটা আমার বড্ড নরম, হাড়ে আমার রাগটি নেই, তোমায় আমি চিবিয়ে খাব এমন আমার সাধ্যি নেই! মাথায় আমার শিং দেখে ভাই ভয় পেয়েছ কতই না--- জানো না মোর মাথার ব্যারাম, কাউকে আমি গুঁতোই না?
২৬. 'রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার শরীর কাঁপতে থাকে কেন? ক. আঘাতের ভয়ে খ. আঘাতের যন্ত্রণায় গ. দেশপ্রেমের উত্তেজনায় ঘ. পারিবারিক চিন্তায় উত্তর: গ. দেশপ্রেমের উত্তেজনায় ২৭. চাবুকের বাড়ির দিকে নুরুল হুদার আর মনোযোগ দেওয়া হয়ে ওঠে না— ক. আঘাত সয়ে যাওয়ায় খ. মৃত্যু নিশ্চিত জানায় গ. মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে গভীর ভাবনায় ঘ. শরীর অবশ হওয়ায় উত্তর: গ. মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে গভীর ভাবনায় ২৮. 'রেইনকোট' গল্পের কথক কে? ক. নুরুল হুদা খ. আখতার গ. আবদুস সাত্তার ঘ. মিন্টু মিয়া উত্তর: ক. নুরুল হুদা
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে, হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে হৃদয়ে রয়েছ গোপনে।
জেনেছি সত্য বহু দিন মনে মনে মুক্তির পথ মিশে গেছে জনগণে, যেখানে লক্ষ লোকের রুক্ষ হাত সৃষ্টির মাঝে নিয়োজিত দিনরাত,