আঁধারের পায়ে পায়ে বন্দুক
মৃত্যুর ডানাকাটা উৎসব
দোজখের দরজাটা বন্ধ
ছায়ার শরীরে রাত অন্ধ
মেঘনার ঘোলা জল লালে লাল
পাতি তোলা মানুষের রক্তে
মগজের ভেতরে চলে রেল
ছুটে আসে ঘাতক এলিয়েন
আঁধারের পায়ে পায়ে
আঁধারের পায়ে পায়ে
আঁধারের পায়ে পায়ে
আঁধারের পায়ে পায়ে
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায় রে
মা রবই মই তো ধেনু কো চড়াই রে
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায় রে
মা রবই মই তো ধেনু কো চড়াই রে
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায়
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায়
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায়
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায়
কেন সে মুলুক
কোন সে ঘরের চাবি
কোথায় বিহার উড়িষ্যা
বলনা কোথায় যাবি?
কবির ভজন, সাধন, মগন
বন-বাদাড়ে আতি পাতি
সাহেব বাবুর বৈঠকখানায়
সবুজ চায়ের গন্ধে মাতি
জেনে রেখো এখানেও ফোটে ফুল
চাবুকের আঘাতে পাতারা
চোখ যেন বিষাদের সিন্ধু
খোঁজে ঘর কেথায় তা কে জানে।
আঁধারের গায়ে গায়ে পোড়া মেঘ
যদি উড়ে যাওয়া যায় মুল্লুক
আঁধারের গায়ে গায়ে পোড়া মেঘ
যদি উড়ে যাওয়া যায় মুল্লুক
ধীরে ধীরে লাজোর গাই রে
মা রবই মই তো ধেনু কো চড়াই রে
ধীরে ধীরে লাজোর গাই রে
মা রবই মই তো ধেনু কো চড়াই রে
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায়
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায়
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায়
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায়
আঁধারের পায়ে পায়ে বন্দুক
যদি উড়ে যাওয়া যায় মুল্লুক
আঁধারের পায়ে পায়ে বন্দুক
যদি উড়ে যাওয়া যায় মুল্লুক
আঁধারের পায়ে পায়ে
আঁধারের পায়ে পায়ে
আঁধারের পায়ে পায়ে
আঁধারের পায়ে পায়ে
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায় রে
মা রবই মই তো ধেনু কো চড়াই রে
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায়
মা রবই মই তো ধেনু কো চড়াই রে
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
উড়ি উড়ি যায়
ঘর কে পুষল সুগা
দূর দেশে যায়
পিঞ্জরাকে পুষল মইনা
