ডেল কার্নেগী উক্তি

ডেল কার্নেগী উক্তি : ডেল কার্নেগীর ৩০ টি বিখ্যাত উক্তি

ডেল কার্নেগি ছিলেন একজন মার্কিন লেখক, অধ্যাপক ও একাধারে বিখ্যাত আত্মোন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণমালা যেমন: সেফ-ইম্প্রুভমেন্ট, সেল্‌সম্যানশিপ, করপরেট ট্রেনিং, পাবলিক স্পিকিং, ও আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা-এর উদ্ভাবক। তিনি দরিদ্র মিজুরি কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপলস (১৯৩৬ সালে প্রকাশিত) বইয়ের লেখক, যা আজও জনপ্রিয় কাটতি-সেরার মর্যাদা পায়, বইটি ১৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছিল। তিনি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হাউ টু স্টপ অওরিং অ্যান্ড স্টার্ট লিভিং, লিঙ্কন দ্য আননোন এবং আরো অনেক বইয়েরও লেখক।

১

আমরা যখন আমাদের কর্তব্য – কর্মে অবহেলা দেখাই,
কোন দায়িত্বকে নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহন করিনা, তখনই অকৃতকার্যতা আসে।

২

যার কথার চেয়ে কাজের পরিমান বেশী,
সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা দেয়,
কারন যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততো কম।

৩

নিজের ইচ্ছাকে রোজ কাজে লাগান। যতবার পারেন চেষ্টা করুন। কঠিন কোন কাজের চেষ্টা করুন। যে কাজ করতে আপনার আদৌ কোন ইচ্ছে নেই। ‘সুখকে’ একবার ফিরিয়ে দিন। সুখকে অন্তত একবারের মতো ত্যাগ করুন। এটাই হলো ইচ্ছা সমন্বিত কাজের পথ, নিয়মিত কাজের পথ, সৎ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত কাজের পথ।

৪

যে অবস্হায়ই পড়ুন না কেন- অবস্থার ভালো মন্দ না দেখে বিচার করা উচিত নয়।

৫

মনে রাখা প্রয়োজন যে, একজন হতাশা গ্রস্থ মানুষের চেয়ে একজন সুখী মানুষ হাজার গুন বেশী কর্মক্ষম।

৬

যে স্ত্রীরা স্বামীকে সুখী করতে পারেন, তারা নিজেরাও তারি সঙ্গে সুখী হন। তারা অতি সহজেই বলতে পারেন যে স্বামীর সহযোগিতায় আমাদের জীবন কানায় কানায় পূর্ণ।

৭

দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাও? তাহলে-পরস্পরকে অবিশ্বাস করবেনা আর ঘ্যানর ঘ্যানর করবে না।

৮

মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা অনেক ক্ষেত্রেই আড়াল করা প্রশংসাই: মনে রাখবেন মরা কুকুরকে কেউ লাথি মারেনা।

৯

অস্পষ্টতায় ভরা দুরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার।

১০

জীবনে পাওয়ার হিসাব করুন, তাহলে না পাওয়ার দুঃখ থাকবে না।

১১

একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার চেয়ে, একটি কুৎসিত মুখের মধুর কথা অধিকতর শ্রেয়।

১২

দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল- ব্যস্ত থাকা।

১৩

পৃথিবীতে ভালোবাসার একটি মাত্র উপায় আছে, সেটা হল প্রতিদান পাওয়ার আশা না করে শুধু ভালোবেসে যাওয়া।

১৪

মানুষ যখন রাগান্বিত থাকে, তখন তাকে কোনোভাবে বিরক্ত করা উচিত নয়। কেননা তা থেকে চরম ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।

১৫

মন্দ সাহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক ভালো।

১৬

কী কাজ করতে চলেছেন সে সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকার অর্থ, আপনি অন্ধের মতো অন্ধকারের যাত্রী।

১৭

অস্পষ্টতায় ভরা দূরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার।

১৮

আপনি ভালোমানুষ হলেই পুরো জগৎবাসী আপনার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়।

১৯

মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা করুন, দোষ নিয়ে নয়।

২০

যা আপনাকে পীড়া দেয়, এমন বিষয় নিয়ে এক মিনিটের বেশি ভাববেন না।

২১

আপনি কে বা আপনার কী আছে তার ওপর আপনার সুখ নির্ভর করে না, সুখ নির্ভর করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার ওপর।

২২

সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা। আনন্দ হল আপনি যা চান তা পাওয়া।

২৩

আমরা যখন আমাদের কর্তব্য – কর্মে অবহেলা দেখাই, কোন দায়িত্বকে নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহন করিনা, তখনই অকৃতকার্যতা আসে।

২৪

যদি ভালোভাবে বাঁচতে চান তা হলে মনে রাখবেন-সমস্যাকে তুচ্ছজ্ঞান করতে হবে, আর্শীবাদকে গণ্য করতে হবে।

২৫

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন

২৬

কর্মহীন জীবন হতাশার কাফনে জড়ানো একটি জীবন্ত লাশ।

২৭

অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন।

Author

  • শৈশব থেকেই ইতিহাস, মিথলজি আর শিল্পের অলিগলি আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হতো। ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা সেই বিস্ময়কে পরিণত করেছে ভালোবাসায়। আমি মনে করি, জগতকে বোঝার সেরা উপায় হলো পাঠ করা আর নিজের উপলব্ধিকে প্রকাশ করার সেরা মাধ্যম হলো লেখা। তাই কেবল জানানোর জন্য নয়, বরং লিখতে ভালোবাসি বলেই আমার এই শব্দযাত্রা। নতুনের সন্ধানে বিরামহীন ছুটে চলা আর সেই অভিজ্ঞতার নির্যাসটুকুই আমি এখানে ভাগ করে নিই।

    লেখক ও সম্পাদক, মুখোশ.নেট

    View all posts

Leave a Reply