You are currently viewing সুচেতনা কবিতা mcq : নির্বাচিত ৬০+ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন  ও উত্তর

সুচেতনা কবিতা mcq : নির্বাচিত ৬০+ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

সুচেতনা” কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ (১৯৪২) কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। “সুচেতনা” জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। এ কবিতায় সুচেতনা সম্বোধনে কবি তাঁর প্রার্থিত, আরাধ্যা এক চেতনানিহিত বিশ্বাসকে শিল্পিত করেছেন। কবির বিশ্বাসমতে, সুচেতনা দূরতম দ্বীপসদৃশ একটি ধারণা, যা পৃথিবীর নির্জনতায়, যুদ্ধে, রক্তে নিঃশেষিত নয়। চেতনাগত এই সত্তা বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে সুস্থ ইহলৌকিক পৃথিবীর মানুষকে জীবন্ময় করে রাখে। জীবনমুক্তির এই চেতনাগত সত্যই পৃথিবীর ক্রমমুক্তির আলোকে প্রজ্বলিত রাখবে, মানবসমাজের অগ্রযাত্রাকে নিশ্চিত করবে। শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয়কে প্রকাশ করবে।

১. কবি জীবনানন্দ দাশের বিশ্বাস মতে সুচেতনা হলো—

ক) বিকেলের নক্ষত্র

খ) শাশ্বত রাত্রি

গ) দূরতর দ্বীপ

ঘ) দারুচিনি বন

উত্তর: গ) দূরতর দ্বীপ

২. ‘মানুষ তবু ঋণী পৃথিবীরই কাছে’ উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে—

ক) ইহলৌকিকতা

খ) ভাবালুতা

গ) সাম্যবাদী চেতনা

ঘ) পরাবাস্তববাদী চেতনা

উত্তর: ক) ইহলৌকিকতা


৩. ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন’— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে—

ক) ভাবালুতা

খ) মর্ত্যচেতনা

গ) ইহলৌকিকতা

ঘ) সমকাল নিয়ে হতাশা

উত্তর: ঘ) সমকাল নিয়ে হতাশা


৪. আধুনিক বাংলা কাব্যর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কে?

ক) জীবনানন্দ দাশ

খ) প্রমথ চৌধুরী

গ) শরৎচন্দ্র

ঘ) সুকান্ত ভট্টাচার্য

উত্তর: ক) জীবনানন্দ দাশ


৫. জীবনানন্দ দাশ কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

ক) ১৮৯৭

খ) ১৮৯৮

গ) ১৮৯৯

ঘ) ১৯০০

উত্তর: গ) ১৮৯৯


৬. জীবনানন্দ দাশ কার কাছে কবিতা লেখার অনুপ্রেরণা লাভ করেন?

ক) মায়ের কাছে

খ) বাবার কাছে

গ) ভাইয়ের কাছে

ঘ) দাদার কাছে

উত্তর: ক) মায়ের কাছে


৭. জীবনানন্দ দাশ কোন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন?

ক) উকিল

খ) অধ্যাপক

গ) ম্যাজিস্ট্রেট

ঘ) বিচারক

উত্তর: খ) অধ্যাপক


৮. নিসর্গের সঙ্গে কী যুক্ত হয়ে জীবনানন্দের হাতে অনন্যসাধারণ কবিতাশিল্প রচিত হয়েছে?

ক) অনুভব ও বোধ

খ) প্রজ্ঞা ও বিবেক

গ) বিচক্ষণতা ও জ্ঞান

ঘ) সুশিক্ষা ও মনন

উত্তর: ক) অনুভব ও বোধ


৯. কোন দিক দিয়ে জীবনানন্দ দাশের কবিতা তুলনারহিত?

ক) যত্নক্লিষ্ট নাগরিক জীবন অঙ্কনের দিক থেকে

খ) গ্রামবাংলার নিসর্গের ছবি অঙ্কনের দিক থেকে

গ) দ্রোহ ও জাগরণী চেতনার দিক থেকে

ঘ) সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি প্রকাশের দিক থেকে

উত্তর: খ) গ্রামবাংলার নিসর্গের ছবি অঙ্কনের দিক থেকে


১০. জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন কে?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ) বুদ্ধদেব বসু

গ) আবুল মনসুর আহমদ

ঘ) সঞ্জয় ভট্টাচার্য

উত্তর: ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১১. কে জীবনানন্দের কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ আখ্যায়িত করেন?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ) ফররুখ আহমদ

গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘ) প্রমথ চৌধুরী

উত্তর: ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১২. বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে কী বলে আখ্যা দিয়েছেন?

ক) শুদ্ধতম কবি

খ) তিমির হননের কবি

গ) রূপসী বাংলার কবি

ঘ) নির্জনতম কবি

উত্তর: ঘ) নির্জনতম কবি


১৩ জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের কবিতা বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?

ক) প্রেমবিষয়ক কবিতা

খ) যুদ্ধ চেতনার কবিতা

গ) নিসর্গবিষয়ক কবিতা

ঘ) স্বদেশভাবনামূলক কবিতা

উত্তর: গ) নিসর্গবিষয়ক কবিতা


১৪. নিচের কোন কবির নিসর্গবিষয়ক কবিতা ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সংগ্রামী জনতাকে তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল?

ক) জীবনানন্দ দাশ

খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গ) জসীমউদ্দীন

ঘ) আহসান হাবীব

উত্তর: ক) জীবনানন্দ দাশ


১৫. কবি ছাড়াও জীবনানন্দ দাশের পরিচয় রয়েছে কী হিসেবে?

ক) ছড়াকার

খ) গল্পকার

গ) প্রাবন্ধিক

ঘ) অনুবাদক

উত্তর: গ) প্রাবন্ধিক


১৬. ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

ক) বুদ্ধদেব বসু

খ) শামসুর রাহমান

গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ঘ) জীবনানন্দ দাশ

উত্তর: ঘ) জীবনানন্দ দাশ


১৭. ‘মাল্যবান’ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ) জীবনানন্দ দাশ

গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

উত্তর: খ) জীবনানন্দ দাশ


১৮. জীবনানন্দ দাশের লেখা উপন্যাসের সংখ্যা কয়টি?

ক) ২টি

খ) ৫টি

গ) ৪টি

ঘ) ৬টি

উত্তর: ক) ২টি

১৯. জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুতারিখ কোনটি?

ক) ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ২২শে অক্টোবর

খ) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের ২২শে অক্টোবর

গ) ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে অক্টোবর

ঘ) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে অক্টোবর

উত্তর: ক) ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ২২শে অক্টোবর


২০. ‘সুচেতনা’ শব্দটির প্রতিশব্দ কী?

ক) শুভ বাসনা

খ) সুচিত্রা

গ) শুভ চেতনা

ঘ) সুচিত্রা

উত্তর: গ) শুভ চেতনা


২১. কবির ভাবনায় সুচেতনা কীসের সঙ্গে তুলনীয়?

ক) নারীর সঙ্গে

খ) সৌন্দর্যের সঙ্গে

গ) দূরতর দ্বীপের সঙ্গে

ঘ) কবিতার সঙ্গে

উত্তর: গ) দূরতর দ্বীপের সঙ্গে


২২. জীবনানন্দ দাশ সুচেতনাকে দূরতর দ্বীপ রূপে কল্পনা করেছেন কেন?

ক) সাধারণের অগম্য বলে

খ) রহস্যময়তা প্রকাশের জন্য

গ) কবির নাবিকসুলভ মানসিকতার কারণে

ঘ) সুচেতনা সকলের মাঝে বিরাজমান নয় বলে

উত্তর: ঘ) সুচেতনা সকলের মাঝে বিরাজমান নয় বলে


২৩. ‘সুচেতনা’ কবিতায় দূরতর দ্বীপটি কোথায় অবস্থিত?

ক) সকালের নক্ষত্রের কাছে

খ) বিকেলের নক্ষত্রের কাছে

গ) সন্ধ্যার নক্ষত্রের কাছে

ঘ) রাতের নক্ষত্রের কাছে

উত্তর: খ) বিকেলের নক্ষত্রের কাছে


২৪. দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে কী আছে?

ক) নির্জনতা

খ) পাখির কলতান

গ) সুরম্য প্রাসাদ

ঘ) সুচেতনা

উত্তর: ক) নির্জনতা


২৫. কোনটি পৃথিবীর শেষ সত্য নয়?

ক) রণ রক্ত বিফলতা

খ) রণ রক্ত সফলতা

গ) অসুখ ও ক্রমমুক্তি

ঘ) রাত্রি ও সূর্যোদয়

উত্তর: খ) রণ রক্ত সফলতা


২৬. এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতাকে কবি শেষ সত্য বলে স্বীকার করেন না কেন?

ক) পৃথিবীর গভীরতর অসুখ বলে

খ) কবি আশাবাদী হতে পারছেন না বলে

গ) পৃথিবীর ক্রমমুক্তিতে আশাবাদী বলে

ঘ) কবি সত্যদ্রষ্টা বলে

উত্তর: গ) পৃথিবীর ক্রমমুক্তিতে আশাবাদী বলে


২৭. ‘রণ রক্ত সফলতা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

ক) যুদ্ধবিগ্রহ

খ) সীমাহীন রক্তপাত

গ) সভ্যতার দ্বন্দ্ব

ঘ) সভ্যতার বিকাশে যুদ্ধ ও রক্তপাত

উত্তর: ঘ) সভ্যতার বিকাশে যুদ্ধ ও রক্তপাত


২৮. জীবনানন্দ দাশ দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে নির্জনতার কথা বলেছেন কেন?

ক) কবি নিসর্গপ্রেমিক বলে

খ) দারুচিনি বনানীর নীরবতা বোঝাতে

গ) সুচেতনা নাগরিক সভ্যতায় দুর্লভ বলে

ঘ) জনসমাজে নির্জনতা নেই বলে

উত্তর: গ) সুচেতনা নাগরিক সভ্যতায় দুর্লভ বলে


২৯. কবির মতে কোথায় নির্জনতা আছে?

ক) দারুচিনি-বনানির ফাঁকে

খ) ভাঙা বেড়ার ফাঁকে

গ) ফাঁকা মাঠে

ঘ) ফুল বাগানে

উত্তর: ক) দারুচিনি-বনানির ফাঁকে


৩০. ‘প্রাণহীন বিবর্ণ নগরে, আমি যেন নির্জন দূরতর দ্বীপ,’— চরণদ্বয় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন কবিতাকে নির্দেশ করে?

ক) বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ

খ) সোনার তরী

গ) তাহারেই পড়ে মনে

ঘ) সুচেতনা

উত্তর: ঘ) সুচেতনা


৩১. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবিপ্রাণ কোথায় ঘুরেছে?

ক) শুভ সকালে

খ) রূঢ় রৌদ্রে

গ) ঘন কুয়াশায়

ঘ) চন্দ্রালোকে

উত্তর: খ) রূঢ় রৌদ্রে


৩২. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবিপ্রাণ রূঢ় রৌদ্রে ঘুরেছে কেন?

ক) জীবিকা সংগ্রহের তাগিদে

খ) সংগ্রামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে

গ) মানুষকে মানুষের মতো ভালোবাসতে

ঘ) মানুষকে শ্রেণিসচেতন করে তুলতে

উত্তর: গ) মানুষকে মানুষের মতো ভালোবাসতে

৩৩. ‘আমি রোদে পুড়ে ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি।’— সুচেতনা কবিতার কোন চরণকে নির্দেশ করে?

ক) না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে

খ) দেখেছি আমারি হাতে হয়তো নিহত ভাই বোন বন্ধু

গ) আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ

ঘ) আমাদের মতো ক্লান্ত ক্লান্তহীন নাবিকের হাতে

উত্তর: গ) আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ


৩৪. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবির মতে মানুষ কার কাছে ঋণী?

ক) দেশের

খ) পরিবারের

গ) মহাবিশ্বের

ঘ) পৃথিবীর

উত্তর: ঘ) পৃথিবীর


৩৫. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কার গভীরতর অসুখের কথা বলা হয়েছে?

ক) দেশের

খ) সমাজের

গ) পৃথিবীর

ঘ) রাষ্ট্রের

উত্তর: গ) পৃথিবীর


৩৬. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কোনটিকে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ বলা হয়েছে?

ক) পৃথিবীর গভীরতর অসুখ

খ) সমূজ্জ্বল ভোর

গ) রণরক্ত সফলতা

ঘ) পৃথিবীর ক্রমমুক্তি

উত্তর: ঘ) পৃথিবীর ক্রমমুক্তি


৩৭. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কার হাত ধরে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটবে?

ক) মনীষীর

খ) শিক্ষকের

গ) বুদ্ধিজীবীর

ঘ) মুনি-ঋষির

উত্তর: ক) মনীষীর


৩৮. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কোন পথে আলো জ্বেলে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটবে?

ক) সৌহার্দের পথে

খ) সুচেতনার পথে

গ) সম্প্রীতির পথে

ঘ) সাম্যবাদের পথে

উত্তর: খ) সুচেতনার পথে


৩৯. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি যে বাতাসের উল্লেখ করেছেন তা কেমন?

ক) প্রবল উষ্ণ

খ) অতীব শীতল

গ) পরম সূর্যকরোজ্জ্বল

ঘ) চরম গুমোট

উত্তর: গ) পরম সূর্যকরোজ্জ্বল


৪০. ‘এ বাতাস কী পরম সূর্যকরোজ্জ্বল’ চরণটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?

ক) রূঢ় বাস্তবতা

খ) আশাবাদ

গ) নৈরাশ্য

ঘ) অবিশ্বাস্যবতা

উত্তর: খ) আশাবাদ


৪১. ক্লান্ত ক্লান্তহীন নাবিকের হাতে কবি কী গড়ে দিতে চান?

ক) অন্তিম প্রভাস

খ) সুরম্য জাহাজ

গ) মানবিক সভ্যতা

ঘ) ভালো মানবসমাজ

উত্তর: ঘ) ভালো মানবসমাজ


৪২. কবি কোন সময়ে ভালো মানবসমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন?

ক) আগামী শতকে

খ) অন্তিম প্রভাতে

গ) অন্তিম সন্ধ্যায়

ঘ) আগামী দিনে

উত্তর: খ) অন্তিম প্রভাতে


৪৩. মাটি ও পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে এসে কবি কী অনুভব করেছেন?

ক) এসে ভালোই হলো

খ) এসে খারাপ হলো

গ) না এলেই ভালো হতো

ঘ) না এলেই খারাপ হতো

উত্তর: গ) না এলেই ভালো হতো


৪৪. ‘শিশির শরীর ছুঁয়ে সমূজ্জ্বল ভোরে’— চরণটিতে কোন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে?

ক) শিশিরের প্রতি কবির মুগ্ধতা

খ) ভোরের প্রতি কবির মুগ্ধতা

গ) প্রকৃতির মাঝে মুক্তির স্বাদ লাভ

ঘ) শিশিরের মাঝে মিশে যাওয়ার আকুলতা

উত্তর: গ) প্রকৃতির মাঝে মুক্তির স্বাদ লাভ


৪৫. কবির কল্পনায় সুচেতনা কীসের মতো বিচ্ছিন্ন?

ক) নদীর মতো

খ) গ্রহের মতো

গ) দ্বীপের মতো

ঘ) সমুদ্রের মতো

উত্তর: গ) দ্বীপের মতো


৪৬. কবির মতে, সুচেতনা সর্বত্র বিস্তারিত হলেও বিরাজমান নয় কেন?

ক) শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে

খ) প্রেম, সত্য ও কল্যাণ নেই বলে

গ) সভ্যতার বিকাশ হয়নি বলে

ঘ) মানুষের অর্থনৈতিক সমতা আসেনি বলে

উত্তর: ক) শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে


৪৭. পৃথিবীর শেষ সত্য নয় কোনটি?

ক) ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড

খ) প্রেম, সত্য ও কল্যাণ

গ) সভ্যতার বিকাশ

ঘ) সবুজের নির্জনতা

উত্তর: ক) ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড


৪৮. ‘সুচেতনা’ কী ধরনের চেতনা?

ক) ইতিবাচক

খ) নেতিবাচক

গ) হতাশাবাচক

ঘ) কাল্পনিক

উত্তর: ক) ইতিবাচক


৪৯. সকল বিপর্যয় থেকে পৃথিবী ও মানুষের মুক্তি ঘটবে কীভাবে?

ক) অশুভ শক্তিকে পরাভূত করে

খ) সুচেতনার আলো জ্বেলে

গ) যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানির মাধ্যমে

ঘ) পৃথিবীতে মানবৰূপে জন্ম না নিয়ে

উত্তর: খ) সুচেতনার আলো জ্বেলে


৫০. আপাতদৃষ্টিতে পৃথিবীতে জন্ম নেওয়াকে অনাকাঙ্ক্ষিত মনে হলেও শেষাবধি কবির কী মনে হয়েছে?

ক) পৃথিবীর শুভ চেতনার কাছে তিনি ঋণী

খ) তিনি পৃথিবীতে প্রেম, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করবেন

গ) তিনি পৃথিবীতে যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানি দূর করবেন

ঘ) সুচেতনা পৃথিবীর অসুখ দূর করবে

উত্তর: ক) পৃথিবীর শুভ চেতনার কাছে তিনি ঋণী


৫১. কবির মতে, পৃথিবীধ্যাপী অন্ধকার বা অশুভের অন্তরালে কী আছে?

ক) যুদ্ধ ও রক্তপাত

খ) অশুভ-শক্তি

গ) মুক্তির দিশা

ঘ) কাল্পনিক অনুভূতি

উত্তর: গ) মুক্তির দিশা


৫২. ‘অশুভের অন্তরালে আছে সূর্যোদয়’— এখানে ‘সূর্যোদয়’ বলতে কবি বুঝিয়েছেন—

ক) সংকট

খ) সর্বনাশ

গ) সূর্যলোক

ঘ) সংকট থেকে মুক্তি

উত্তর: ঘ) সংকট থেকে মুক্তি

৫৩. সুচেতনার বিকাশেই আলোকোজ্জ্বল পৃথিবীর দেখা মিলবে, কবির এমন বিশ্বাস কোন চরণে ফুটে উঠেছে?

ক) না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে

খ) প্রায় তদ্ভব ভালো মানব-সমাজ

গ) শিশির শরীর ছুঁয়ে সমূজ্জ্বল ভোরে

ঘ) শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়

উত্তর: ঘ) শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়


৫৪. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবির মানবগৃহে জন্ম না নেওয়াকে আপাতভাবে কাঙ্ক্ষিত মনে হয়েছে কেন?

ক) পেশাগত জীবনে ব্যর্থতার কারণে

খ) পারিবারিক জীবনে সুখহীনতার কারণে

গ) ব্যষ্টিক ও সমষ্টিগত সংকট প্রত্যক্ষ করে

ঘ) সামষ্টিক সংকট প্রত্যক্ষ করে

উত্তর: গ) ব্যষ্টিক ও সমষ্টিগত সংকট প্রত্যক্ষ করে


৫৫. সুচেতনার বিকাশে কীসের দেখা মিলবে বলে কবির বিশ্বাস?

ক) উন্নত নাগরিক সভ্যতা

খ) মৃত-স্বাধীন জনপদ

গ) মানুষের অর্থনৈতিক সমতা

ঘ) আলোকোজ্জ্বল পৃথিবী

উত্তর: ঘ) আলোকোজ্জ্বল পৃথিবী


৫৬. ‘সুচেতনা’ সর্বত্র বিস্তারিত বা বিরাজমান নয় কেন?

ক) সুচেতনা দ্বীপে থাকে বলে

খ) সুচেতনা সভ্যতার বিপরীতে চলে বলে

গ) ক্ষমতা ও আধিপত্যের লোভ সুচেতনার পরিপন্থী

ঘ) সুচেতনার সঙ্গে পৃথিবীর মর্ত্যচেতনা যুক্ত বলে

উত্তর: গ) ক্ষমতা ও আধিপত্যের লোভ সুচেতনার পরিপন্থী


৫৭. ‘সুচেতনা’ কবিতা মতে, প্রেম, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েও পৃথিবীতে কী ঘটে?

ক) অগণিত প্রাণহানি, রক্তপাত

খ) ভয়ংকর আতিথেয়তা

গ) নানা মতবাদের দ্বন্দ্ব

ঘ) পারস্পরিক অবিশ্বাস্যতা

উত্তর: ক) অগণিত প্রাণহানি, রক্তপাত


৫৮. ‘সুচেতনা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে?

ক) ঝরা পালক

খ) ধূসর পাণ্ডুলিপি

গ) বনলতা সেন

ঘ) মহাপৃথিবী

উত্তর: গ) বনলতা সেন


৫৯. ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

ক) ১৯৪২

খ) ১৯৪৩

গ) ১৯৪৪

ঘ) ১৯৪৫

উত্তর: ক) ১৯৪২


৬০. পৃথিবীতে ব্যাপক ধ্বংস ও রক্তপাত ঘটলেও কবিতার কবির মতে পৃথিবীকে জীবন্ময় করে রাখে কোনটি?

ক) সুচেতনা

খ) মানবসমাজ

গ) শাশ্বত রাত্রি

ঘ) অনন্ত সূর্যোদয়

উত্তর: ক) সুচেতনা


৬১. ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবির চেতনাগতসত্তা পৃথিবীর কী অতিক্রম করবে?

ক) গভীরতর ব্যাধি

খ) অন্ধকার

গ) ব্যষ্টিক সংকট

ঘ) সামষ্টিক সংকট

উত্তর: ক) গভীরতর ব্যাধি


৬২. ‘সুচেতনা’ কীভাবে মানবসমাজের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করবে?

ক) অসাম্প্রদায়িক চেতনার মাধ্যমে

খ) দেশাত্মবোধ প্রসারের মাধ্যমে

গ) পৃথিবীর ক্রমমুক্তির আলোকে প্রজ্বলিত রেখে

ঘ) সমাজচেতনার আলোকে প্রজ্বলিত রেখে

উত্তর: গ) পৃথিবীর ক্রমমুক্তির আলোকে প্রজ্বলিত রেখে

Author

  • "শীতের চরম শিখরে আমি অবশেষে আবিষ্কার করলাম যে আমার ভেতরে এক অপরাজেয় গ্রীষ্ম বাস করে।"

    — আলবার্ট কামুস

    View all posts