প্রবাস বন্ধু – সৈয়দ মুজতবা আলী
বাসা পেলুম কাবুল থেকে আড়াই মাইল দূরে খাজামোল্লা গ্রামে। বাসার
আম আঁটির ভেঁপু – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সকাল বেলা। আটটা কি নয়টা। হরিহরের পুত্র আপন মনে রোয়াকে বসিয়া খেলা
গৃহ – রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
গৃহ বলিলে একটা আরাম বিরামের শান্তি-নিকেতন বুঝায়- যেখানে দিবাশেষে
সৌদামিনী মালো – শওকত ওসমান
একটু দাঁড়াও।
আমার বন্ধু নাসির মোল্লা কোর্টের প্রাঙ্গণে হাঁটতে
বই পড়া – প্রমথ চৌধুরী
বই পড়া শখটা মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শখ হলেও আমি কাউকে শখ হিসেবে বই
একাত্তরের দিনগুলি – জাহানারা ইমাম
চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো
বনমানুষ – আবু ইসহাক
নতুন চাকরি পেয়ে কলকাতা এসেছি। সম্পূর্ণ অস্থায়ী চাকরি। যে-কোনো
মাসি পিসি – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষবেলায় খালে এখন পুরো ভাটা। জল নেমে গিয়ে কাদা আর ভাঙা ইটপাটকেল
মৌসুম – শামসুদ্দীন আবুল কালাম
একটানা খররৌদ্রে ক্ষেত-মাঠ ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। চৈত্রমাস শেষ
ফুলের বিবাহ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বৈশাখ মাস বিবাহের মাস। আমি ১লা বৈশাখে নসী বাবুর ফুলবাগানে বসিয়া
